আপনার কোরবানির পশুটি সুস্থ তো!


, | Published: 10:41 AM, August 18, 2018

IMG

কোরবানির পশুকে মোটা-তাজা দেখাতে স্টেরয়েড আর হরমোন ব্যবহার কমছে। ঈদুল আযহাকে ঘিরে যখন বছরের ৫০ শতাংশ পশু বিক্রি হয়। সেই বাজারে হুট করেই বুঝবেন কিভাবে আপনার পছন্দের কোরবানির পশুর উপর স্টেরয়েড কিংবা হরমোনের ব্যবহার হয়েছে?

কোরবানির জন্যে পশু কিনতে, হাটে গিয়ে নিজের বাজেটের সঙ্গে সমন্বয়ের পাশাপাশি যেটি বড় প্রশ্ন- তা হলো পশুটি সুস্থ কী না? গরু মোটা তাজা করার নামে, উত্তেজক স্টেরয়েড বা হরমোন ব্যবহারের ঘটনা যেভাবে বাড়ছে, তাতে  চিন্তিত না হয়েই বা উপায় কি? সরকারের প্রাণী সম্পদের তথ্য বলছে, স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, এমনসব ক্ষতিকারক ওষুধের ওপর।

তবে, খামারিদের অস্বীকার, কৃত্রিমভাবে গরু ‘মোটা তাজাকরন’ প্রক্রিয়া এখন আর অনুসরণ করছেন না তারা।

কৃত্রিমভাবে  মোটা-তাজা পশুতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেশি। কারণ এমন স্টেরয়েড এবং হরমোন দ্রুতই পশুর শরীরের কোষকে বিভাজিত করে, এর আকার বড় করে ফেলে। এ মাংস রান্নার পরও থেকে যায় স্টেরয়েড আর হরমোনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। ফলাফল হয়তো হুট করেই শরীরে  দেখা যায় না, তবে দিন দিনই কমতে থাকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। ঝুঁকিতে পড়ে লিভার আর কিডনি। অনেক ক্ষেত্রেই শিশুদের মুটিয়ে যাওয়া আর মেয়েদের বন্ধ্যত্বের কারণও এমন পশুর মাংস।

অন্যদিকে ব্যবসায়ের সুযোগ দেখলেই, একদল অসাধু ব্যবসায়ী নেমে পড়েন মাঠে। তাইতো নিশ্চিত করা কঠিন হাটের সব পশুই নিরাপদ কিনা। সর্বসাধারণের স্বাস্থ্য-ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে তাই সরকারের নির্ধারিত হাটগুলোয় এবারো থাকছে, পানিসম্পদ বিভাগের বিশেষ টিম। সন্দেহ হলেই পশুর রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া যাবে পশুতে এমন ওষুধ ব্যবহার হয়েছে কিনা। যদিও কোরবানির হাটে এত গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা আসলে কতটা সম্ভব সেটাও ভাবনার বিষয়। তবে সচেতন হতে হবে ক্রেতাদের।










স্বাস্থ্য বিভাগের আরও সংবাদ