সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ নিয়ে টিআইবি’র গভীর উদ্বেগ


ডেস্ক রিপোর্ট, | Published: 09:51 PM, August 20, 2018

IMG

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আজ মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তাদের গ্রেফতারের পূর্বে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি গ্রহণের বিধান রেখে ‘সরকারি চাকরী আইন, ২০১৮’ অনুমোদিত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।


দক্ষ, জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন নিশ্চিত করতে খসড়া আইনটির এই বৈষম্যমূলক বিধান বাতিলের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে টিআইবি।


একইসাথে খসড়ায় মেধা ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় নিয়োগের বাধ্যবাধকতা নিশ্চিতসহ অন্যান্য ইতিবাচক ধারা অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সংস্থাটি।


আজ সোমবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।


ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদটি যদি সঠিক হয় তবে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত খসড়া ‘সরকারি চাকরী আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তাকে গ্রেফতারে পূর্বানুমতি গ্রহণের যে বিধান সন্নিবেশিত হয়েছে তা প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের সততা, স্বচ্ছতা, উন্নততর পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষ জনপ্রশাসন নিশ্চিতের পরিপন্থী ও উদ্বেগজনক হবে।’


ড. জামান আরো বলেন, ‘দায়িত্ব পালনজনিত কারণে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা হলে চার্জশিট দেওয়ার আগে গ্রেফতার করতে সরকারের অনুমতি গ্রহণের যে বিধান রাখা হয়েছে তা বৈষম্যমূলক ও সাংবিধানিক চেতনার পরিপন্থি। বিশেষ করে সরকারি খাতে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার সরকারি অঙ্গীকারের সাথে ধারাটি একদিকে সাংঘর্ষিক, অন্যদিকে এর মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে খর্ব করার ঝুঁকি সৃষ্টি হবে। তাই ধারাটি বাতিল করতে হবে।’


এছাড়া দেশের বৃহত্তর স্বার্থে মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত পরিপূর্ণ খসড়া আইনটি জাতীয় সংসদে উত্থাপনের পূর্বে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞসহ সকল অংশীজনের মতামত গ্রহণের দাবি জানান ড. জামান।










জাতীয় বিভাগের আরও সংবাদ