রিজার্ভ চুরির অর্থ উদ্ধারে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই মামলা


, | Published: 01:07 PM, September 09, 2018

IMG

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির অর্থ আপসে উদ্ধার না হলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই মামলা। এমন সিদ্ধান্ত এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। আর এক্ষেত্রে যাবতীয় প্রস্তুত্তিও নিয়ে রেখেছে তারা। অন্যদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন বিষয়টি নিয়ে সবশেষ যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান অর্থ উদ্ধারের পথকে সহজ করবে। তবে মামলা ছাড়া অর্থ উদ্ধারের সম্ভাবনা একবারেই ক্ষীণ।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক। যেখানে গচ্ছিত ছিল বাংলাদেশের অর্থ। সেটাই হ্যাক করে চুরি করেছে উত্তর কোরিয়ার একজন হ্যাকার। সম্প্রতি রিজার্ভ চুরি নিয়ে এমন বোমাই ফাটিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন অবস্থান প্রমাণ করছে অর্থ চুরির দায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নয়। একই সাথে অর্থ ফেরত পাবার সম্ভাবণা আরো বাড়ল। তবে অর্থ উদ্ধারের পথ হিসেবে তারা জোর দিচ্ছেন মামলাতেই।

আড়াই বছর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। এর মধ্যে শ্রীলংকায় যাওয়া ২ কোটি ডলার ফেরত আসে। আর  ফিলিপাইনে যাওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার জুয়ার টেবিল ঘুরে হাত বদল হয়। পরে নানা প্রক্রিয়ায় এর মধ্যে ফেরত আসে দেড় কোটি ডলার। বাকী অর্থ এখনো উদ্ধার হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি নিয়ে তৎপর। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সাথে অব্যাহত রেখেছে তারা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি এখন বলছে, এতেও কাজ না হলে শেষ পর্যন্ত মামলার পথেই হাটবে তারা। তাদের দাবি, মামলা করার সময় আছে ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

রিজার্ভ চুরি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ফরাস উদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল তদন্ত কমিটি। তারা রিপোর্ট জমা দিলেও তা প্রকাশ করেননি অর্থমন্ত্রী। অন্যদিকে বিষয়টির তদন্ত করা সিআইডিও ২৫ বারেও আদালতের কাছে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করতে পারেনি।