জ্বালানি তেল পাচার রোধে বিশেষ সতর্কতা জারি


, | Published: 05:30 PM, October 02, 2018

IMG

বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলো জ্বালানি তেলের খুচরা মূল্য বাড়িয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে খুচরা দামের বড় পার্থক্যের কারণে সীমান্ত দিয়ে ভারতে জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কা করছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। দেশের সীমান্তবর্তী ১৭ জেলায় তেল পাচার রোধে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে সংস্থাটি।

বিশ্ববাজারে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন কমার পাশাপাশি ইরান ও ভেনিজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটবে এমন শঙ্কায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে। গত দুই সপ্তাহে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট তেলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।

বিশ্ববাজারে উপর্যুপরি দরপতনের কারণে সরকার ২০১৬ সালের এপ্রিলে জ্বালানি তেলের দাম কমায়। তখন প্রতি লিটার ডিজেল ৬৫ টাকা, কেরোসিন ৬৫, অকটেন ৮৯ ও পেট্রল ৮৬ টাকা দর নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হলেও সরকার প্রতি লিটার ডিজেলে প্রায় বাইশ-তেইশ টাকা ভর্তুকি দিয়েই যোগাচ্ছে জ্বালানির তেলের চাহিদা।

এ অবস্থায় তেলের দাম বাড়াতে চলতি বছরে সরকারকে প্রস্তাব দেয় বিপিসি। কারণ ভারত ও বাংলাদেশে খুচরা বিক্রি মূল্যে পার্থক্যের কারণে সংস্থাটি সীমান্তপথে দেশের বাইরে তেল পাচারের আশঙ্কা করছে। এজন্য সীমান্ত এলাকার ফিলিং স্টেশনগুলো কঠোর নজরদারির আওতায় আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে চিঠি দিয়েছে বিপিসি।

বিশররষজ্ঞরা বলছেন,  ভারত যতদিন না জ্বালানি তেলে শুল্ক ও করের পরিমাণ কমাবে ততদিন এই পাচারের সমস্যা থেকেই যাবে। ভারতে ডিজেলের দাম এখন প্রায় প্রতিদিনই পুরনো রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে। তাই বাংলাদেশ থেকে তেল পাচারের চেষ্টা করছে পাচারকারী