হাসপাতালের ইমেজিং সিস্টেমের উন্নয়নে জাইকা’র সহায়তা


, | Published: 09:56 PM, October 14, 2018

IMG

সেবার মান বাড়াতে দেশের আট বিভাগীয় শহরের ম্যাডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক এবং ইমেজিং সিস্টেমের উন্নয়নে সহায়তা করবে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা। ‘শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় জাইকা হাসপাতালের ইমেজিং সিস্টেম উন্নয়ন করবে।

বিভাগীয় শহর তথা ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনিসংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রংপুর ম্যাডিকেল কলেজ হাসপাতাল এই প্রকল্পের আওতায় আসবে।

এ লক্ষ্যে রবিবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেকের উপস্থিতিতে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান ও জাপানের ওরিয়েন্টাল কনসালটেন্টস গ্লোবাল কোম্পানি লিমিটেডের ঢাকা লিয়াজো অফিসের জেনারেল ম্যানেজার রোহিলি ইশি চুক্তি সই করেন।

জাইকা বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন ও অর্থায়ন করে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পটি একনেকে পাস হয়েছে। বিভিন্ন পর্যায় শেষে চুক্তি সইয়ের পর্যায়ে এসেছে।

চুক্তি সইয়ের পর এই কাজটি শুরু হয়ে যাবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মোট ৯০০ কোটি টাকার মধ্যে সরকারি অংশ (জিওবি) ১৯৭ কোটি টাকা এবং জাইকা দেবে ৭০৩ কোটি টাকা। ইমেজিং সিস্টেমের মধ্যে রয়েছে সিটিস্ক্যান, এমআরআই, মেমোগ্রাম, এনজিওগ্রাম, আলট্রাসনোগ্রাম, ক্লোনোস্কোপি ও গ্যাসস্ট্রস্কোপি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পে জাপান সরকার তাদের দেশ থেকে যন্ত্রপাতিগুলো এনে আমাদের হাসপাতালে বসাবে। এমন যন্ত্রপাতিগুলো আমাদের হাসপাতালে আছে। এরপরও এই যন্ত্রপাতিগুলো পেলে হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার আরো উন্নয়ন হবে।

তিনি বলেন, প্রত্যেকটি ম্যাডিকেল কলেজে এই যন্ত্রপাতি রাখার জন্য একটি করে চারতলা ভবন তৈরি করা হবে। যন্ত্রপাতি ব্যবহারের জন্যও জাইকা প্রশিক্ষণ দেবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করছেন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা হাসপাতালে ২৩০ থেকে ২৫০ বেড, জেলা হাসপাতাল ১০০ থেকে ২৫০ বেড হয়ে গেছে। বিভাগীয় শহরের ম্যাডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোকেও দ্বিগুণ বেড করার পরিকল্পনা হয়েছে, কার্যক্রম চলছে। দ্বিগুণের সঙ্গে সঙ্গে ইমেজিং সিস্টেমের কাজ হয়ে গেলে হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।

প্রতিটি বিভাগীয় শহরে একটি করে ১০০-১৫০ বেডের ক্যান্সার সেন্টার তৈরির জন্য প্রধানমন্ত্রী মৌখিক অনুমতি দিয়েছেন উল্লেখ করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন বিভাগীয় শহরগুলোতে ক্যান্সারের তেমন চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। দেশে ক্যান্সার রোগ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই প্রতিটি বিভাগীয় শহরে একটি করে ১০০-১৫০ বেডের ক্যান্সার সেন্টার তৈরির জন্য প্রধানমন্ত্রী মৌখিক অনুমতি দিয়েছেন।