‘জামায়াতকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার আইন নেই’


সেন্ট্রাল ডেস্ক,নিজস্ব প্রতিবেদক | Published: 07:58 PM, October 23, 2018

IMG

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর নেতাদেরকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির দাবির প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, এজন্য প্রয়োজনীয় আইন বাংলাদেশ নেই।পরবর্তীতে বিবেচেনা করতে হবে। কেননা, অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনা করার হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধনের বিষয় আছে। সরকারের অন্য আইনের বিষয়ও আছে।  

মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। আর বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব এ কথা বলেন।

২০০৯ সালে তরীকত ফেডারেশনের একটি রিট আবেদনের পর ২০১৩ সালের ১ আগস্ট জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্ট। এরপর থেকে দলটির কোনো নেতা দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।

তবে বেশ কিছু উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এবং সম্প্রতি সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও জামায়াতের প্রার্থী অংশ নিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। আবার জোটবদ্ধ হিসেবেই ভোটে অন্য দলের প্রতীক নিয়ে লড়াই করার সুযোগ রয়েছে দলটির নেতাদের।

এই বিষয়ে প্রতিনিধি দলের প্রধান নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, আমরা জামায়াতের অনুসারী বা নেতাকর্মী কিংবা যুদ্ধাপরাধীদের উত্তরাধীকারী যেন নির্বাচনে কোনোভাবে নির্বাচন করতে না পারে, সে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবি জানিয়েছি।

কমিশন সচিব বলেন, ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটির নেতৃবৃন্দ তাদের দাবিগুলো জানিয়েছেন। জামায়াত, যুদ্ধাপরাধীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি আইন-কানুন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমরা অবহিত করব। এছাড়া আরপিও সংশোধনের বিষয়টি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখতে হবে। 

হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, সংগঠনটির নেতা সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেছেন-সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন।

ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটি তো দল নয়, তারা কি এমন দাবি করতে পারে-এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইসি সচিব বলেন, যে কোনো সংগঠন আলোচনার জন্য সময় চাইলে, সিইসি সময় দিলে, আলোচনা করা যেতে পারে। তারাও তো ভোটার। ভোটাররাও তো আমাদের স্টেকহোল্ডার।