বিএসএমএমইউ থেকে অবসরে গেলেন দুই নক্ষত্র


স্বাস্থ্য ডেস্ক,সেন্ট্রাল ডেস্ক | Published: 10:38 PM, January 04, 2019

IMG

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরো সার্জারি বিভাগ থেকে অবসরে গেলেন ওই বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান, সার্জারি অনুষদের সাবেক ডিন, দেশের প্রখ্যাত নিউরো সার্জন বিশেষজ্ঞ ও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের সি ব্লকে অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া নিউরো সার্জারি বিভাগ থেকে অবসর গ্রহণ উপলক্ষে বিভাগের উদ্যোগে একটি বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, প্রকৃতপক্ষে শর্টকাট বলে কিছু নেই। নিউরো সার্জারিতে কথাটি আরও বেশি গুরুত্ব বহন করে। সততা ও নৈতিকতার প্রতি অটুট থেকে অবিরাম কাজ করে যাও, জীবনে সফল হবেই। কাজের ক্ষেত্রে ‘না’ করো না। কর্মজীবনকে উপভোগ্য করে তোল। ক্ষুদ্র স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে বৃহত্তর স্বার্থের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে হবে।

একই সময়ে অবসরে গেলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ইউনিটের তিনবারের নির্বাচিত ডিন, মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান, একুশে পদকপ্রাপ্ত দেশের প্রথিযশা চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাঁর সম্পর্কে এসব কথা বলেন আলোচকগণ। বিএসএমএমইউতে এটাই ছিলো তাঁর শেষ দিন। প্রিয় শিক্ষক, চিকিত্সকের বিদায় উপলক্ষ্যে ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের হলরুমে আয়োজন করা হয়েছিলো এই অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার, অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান। অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন এবিএম আব্দুল্লাহর সহধর্মিনী অধ্যাপিকা মাহমুদা বেগম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নান, পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আব্দুল্লাহ আল হারুন, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মো. ফরিদ উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রহিম, অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল জলিল চৌধুরী, বক্ষব্যাধি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম মোশাররফ হোসেন প্রমূখ। 

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী বক্তব্যে ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, ‘জীবনের জন্য লক্ষ্য বা টার্গেট থাকতে হবে। কারো ক্ষতি করা নয়, বরং ভালোকিছু করার প্রবণতা থাকতে হবে। মানুষের জীবনে কিছু করে যাওয়ার মতো সময় খুব অল্পই পাওয়া যায়। এই সংক্ষিপ্ত জীবনের পরিভ্রমণে ভালো কিছু অর্জন করে তা মানুষের মাঝেই বিতরণ করে যেতে হবে।










স্বাস্থ্য বিভাগের আরও সংবাদ