জ্ঞাতি চাচার কাছে ধর্ষণের শিকার হবার পর ৭ম শেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা


, | Published: 04:44 PM, January 04, 2018

IMG

বরিশালের বাকেরগঞ্জে জ্ঞাতি চাচার কাছে ধর্ষণের শিকার হয়ে, গায়ে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলো ৭ম শ্রেণির ছাত্রী সোনিয়া আক্তার। এই ঘটনায় মামলা হলেও এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এদিকে আসামী পক্ষ মামলা তুলে নেয়ার জন্য ধর্ষিতার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার  চরাদি ইউনিয়নের হলতা গ্রামের  শের-ই-বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণিতে পড়তা সোনিয়া আক্তার। বয়স ১৩।  মধ্য চরাদি গ্রামের খান বাড়িতে পাশাপাশি বাস করেন সোনিয়ার বাবা পল্লী বিদ্যুত কর্মী দুলাল খান ও তার চাচা মোশারফ হোসেন পান্না খান। ২৭ ডিসেম্বর সকাল দশটার দিকে পান্না খানের মেঝো ছেলে আসাদ খানের লালসার শিকার হয়  এই কিশোরী।

অপমান সহ্য করতে না পেরে, বাড়িতে ফিরে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয় সে। এর পর গুরুতর দগ্ধ সোনিয়াকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে তার পরিবার। তিনদিন পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই ৩১ ডিসেম্বর দুপুরে মারা যায় সোনিয়া। মৃত্যুর আগে  আত্মহত্যার জন্য আসাদ দায়ী বলে জানিয়ে যায় সে।


ঘটনার পর অভিযুক্ত আসাদ ও তার পরিবারের সবাই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে। ২ জানুয়ারি দুপুরে গ্রামের বাড়িতে তার দাফন হয়। ওদিন রাতেই সোনিয়ার মা শেফালী বেগম আসাদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে  বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

এখনো গ্রেপ্তার হয়নি কেউ। অভিযোগ উঠেছে, আসামি পক্ষের লোকজন ধর্ষিতার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে মামলা তুলে নিতে।

ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও সোনিয়ার স্কুলের শিক্ষার্থী-শিক্ষকরা আসাদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবি করেছেন।










গ্রামবাংলা বিভাগের আরও সংবাদ