এবার আন্দোলনের হুমকি বেসরকারি স্কুল শিক্ষকদের


Hasib, | Published: 12:09 PM, January 07, 2018

IMG

প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে এমপিওভুক্তির দাবিতে অনশনরত শিক্ষকরা আন্দোলন বন্ধ করলেও নতুন করে জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। এই দাবিতে আগামী মার্চ মাসে শিক্ষক মহাসমাবেশসহ নানা কর্মসূচী ঘোষণা করেছেন তারা। এছাড়া জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষক সংগঠনগুলো সরকারের শেষ সময়কে দাবি আদায়ের মোক্ষম সুযোগ হিসেবে বেছে নিয়েছে। নানা দাবিতে তারা রাজপথে সক্রিয় হতে চান।

শিক্ষক সংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিক্ষক নেতারা মূলত দাবি আদায়ের কৌশল হিসাবেই সরকারের মেয়াদ শেষের এই সময়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে চান। কারণ হিসেবে তারা মনে করছেন সরকারের শেষ সময়ে দাবি আদায় সহজ। কারণ নির্বাচন আসন্ন থাকায় সরকারও এ বিষয়ে সহনীয় মনোভাব দেখায়। 

এর আগে টানা ১১ দিন অবস্থান ও ৬ দিন ধরে অনশন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসে শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আমরণ অনশন প্রত্যাহার করেছেন শিক্ষকরা। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সম্মতি ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের আশ্বাস পেলেও আন্দোলন প্রত্যাহার না করে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছিলেন শিক্ষকরা। এ অবস্থায় শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে তারা কর্মসূচী প্রত্যাহার করে নিয়ে শনিবার থেকে কাজে ফিরেছেন। 

এদিকে জাতীয়করণের দাবিতে রবিবার সপ্তম দিনের মতো অবস্থান ধর্মঘট করেছে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত সব ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে মাদ্রাসা শিক্ষকেরা এ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন। ১ জানুয়ারি থেকে তাদের এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়।

এখন হঠাৎ করে কেন সকলে আন্দোলনে নামছেন? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে, প্রতিটি শিক্ষক-কর্মচারী সংগঠনই কৌশল হিসাবে সরকারের শেষ সময়কে দাবি আদায়ের মোক্ষম সময় হিসাবে বেছে নিয়েছে। তাই তারা জাতীয়করণ, এমপিওসহ নানা দাবিতে রাজপথে সক্রিয় হতে চান। সরকারের শেষ সময় ছাড়াও আগামী বাজেটে যাতে নিজেদের সমস্যা, বৈষম্য দূর করার পথ খুঁজে পান তারও একটা আশা থাকে বলে মনে করছেন শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ এম এ সাত্তার।

জানা গেছে, গেল ডিসেম্বরে দুইটি শিক্ষক আন্দোলন হয়েছে। প্রথমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের চেয়ে সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড তিন ধাপ কম থাকাকে বৈষম্য দাবি করে শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করেছেন শিক্ষকরা। 










ক্যাম্পাস বিভাগের আরও সংবাদ