প্রধান বিচারপতি নিয়োগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন, পদত্যাগ করছেন আব্দুল ওয়াহাব মিঞা


Hasib, | Published: 08:17 PM, February 02, 2018

IMG

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আব্দুল ওয়াহ্‌হাব মিঞা আপিল বিভাগ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সুপ্রিম কোর্ট সূত্র জানিয়েছে, আজ (শুক্রবার) সকালেই সুপ্রিমকোর্টের নিজ দফতর থেকে তিনি প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র বাসভবনে নিয়ে গেছেন।

বিচারপতি এস কে সিনহা ছুটিতে থাকার সময় আব্দুল ওয়াহ্‌হাব মিঞাকে প্রথমে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি এবং পরে এস কে সিনহার পদত্যাগের পরও তিনি দায়িত্বে বহাল ছিলেন।

শুক্রবার রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নিয়োগপত্রে স্বাক্ষর করেন। নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগের পর আজ বিচারপতি ওয়াহ্‌হাব মিঞা পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত নিলেন বলে সুপ্রিমকোর্টের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞা ১৯৭৪ সালে বিচারিক আদালতে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৭৬ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে পেশা শুরু করেন ১৯৮২ সালে। এরপর ১৯৯৯ সালে আপিল বিভাগে প্র্যাকটিস শুরু করেন।

১৯৯৯ সালের ২৪ অক্টোবর তিনি হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরে ২০০১ সালের হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞা।

এরপর ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

গত ২ অক্টোবর সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা এক মাসের ছুটিতে গেলে ৫ অক্টোবর আব্দুল ওয়াহ্‌হাব মিঞা ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি হন।

কিন্তু তাকে ভারমুক্ত না করে বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতি করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এতে করে জেষ্ঠ্যতা লঙ্ঘন হয়।

অবশ্য, প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে জেষ্ঠ্যতা লঙ্ঘনের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিক প্রধান বিচারপতি নিয়োগের সময় জেষ্ঠতমকে ডিঙিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।










জাতীয় বিভাগের আরও সংবাদ