নানা অব্যবস্থাপনায় নিমজ্জিত সরকারি ব্যাংকগুলো


, | Published: 08:02 PM, February 20, 2018

IMG

নানা অব্যবস্থাপনায় নিমজ্জিত এখন সরকারি ব্যাংকগুলো। ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম আর দুর্নীতির চিত্রেই ফুটে উঠছে ব্যবস্থাপনার এই দুর্বলতা। রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া এ থেকে বেরুনোর কোনও পথ নেই। বলছেন, ব্যাংক বিশ্লেষকরা।

কোনোভাবেই থামছে না সরকারি ব্যাংক নিয়ে বিতর্ক। এসব  ব্যাংকের ঋণ দেয়া হচ্ছে যেখানে সেখানে। আর এক্ষেত্রে সবশেষ আলোচনায় এসেছে জনতা ব্যাংক। ৬ বছরে ব্যাংকটি এক ব্যক্তিকেই দিয়েছে ৫ হাজার ৫০৪ কোটি টাকার ঋণ ও ঋণ সুবিধা। জনতা ব্যাংকের মূলধনই যেখানে ২৯৭৯ কোটি টাকা, সেখানে  ঋণ  দেয়া হয়েছে মূলধনের  প্রায় দ্বিগুণ। অথচ  নিয়মানুযায়ী ঋণ দেয়া যায় মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ।

সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক কেলেঙ্কারি, বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতি, অগ্রণী ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতি। কত শত আলোচনা আর সমালোচনা। কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস। কিন্তু কিছুতেই কিছু কাজে আসেনি খুব একটা। জনতা ব্যাংকের সবশেষ এই চিত্র প্রমাণ করল তাই।

ঋণ যতটা যাচ্ছে, আদায় হচ্ছে না ততটা। বরং উল্টো ঋণ খেলাপিদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে, সরকারি ব্যাংক। কিছুদিন আগেও অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি আর খোদ অর্থ-মন্ত্রণালয় খেলাপি ঋণের যে চিত্র তুলে ধরেছিল তা বেশ উদ্বেগজনক। যদিও সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী এর দায় কিছুটা নিজের কাঁধেই নিয়েছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন,  অব্যবস্থাপনার দায় সরকারের। দায় ব্যাংক কর্মকর্তা আর এর পরিচালকদের। অথচ মাশুল দিতে হচ্ছে জনগণকে। কারণ অব্যবস্থাপনায় মৃত প্রায় ব্যাংক কে বাঁচিয়ে রাখা হচ্ছে জনগণের করের টাকা দিয়ে।