মশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ নগরবাসী


, | Published: 04:13 PM, March 04, 2018

IMG

নিয়মিত পরিষ্কার না করায় রাজধানীর নিচু জমি, ঝিল, লেকগুলো হয়ে উঠেছে আবর্জনার ভাগাড়। আর এসব নোংড়া আবর্জনা স্থান হয়ে উঠেছে মশার প্রজননস্থল। সেই মশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ নগরবাসী।

মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদীয়া হাউজিংয়ের প্রধান সড়কের পাশ ঘেঁষে যে খালটি রয়েছে, তা দেখে এখন বোঝার উপায় নেই এটি খাল নাকি ময়লার ভাগাড়? ভবনের চাপে আটকা পড়েছে এই খালের গতি। তাই বদ্ধ পানির এই খাল হয়ে উঠেছে মশার আদর্শ প্রজননস্থল।

শুধু মোহাম্মদপুরে মশা না, রাজধানী জুড়েই এখন মশার রাজত্ব। যাত্রাবাড়ী, লালবাগ এলাকা তো বটেই ভিআইপি এলাকা বলে পরিচিত গুলশান, বনানী আর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাতেও এখন মশার দাপট।

আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ঠিক পিছনেই সরকারী কর্মচারীদের জন্য বরাদ্ধ কোয়ার্টারে এখন বসত করা কঠিন হয়ে পড়েছে মশার জন্য। তাই নিজ উদ্যোগেই চাঁদা দিয়ে নর্দমা পরষ্কারের কাজে হাত দিয়েছেন তারা।

মশার এই অত্যাচারে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় শিশুদের। একদিকে মশার উৎপাত অন্যদিকে নানান রোগের হাতছানি।

দিনের আলোতে খুব বেশি মশা চোখে না পড়লেও সন্ধ্যা হবার সাথে সাথে এই সব নালা নর্দমা থেকে বের হয়ে আসে মশারা। আর অতীষ্ঠ করে ছাড়ে জনজীবন।

তাইতো সব ব্যবসা ছেড়ে এখন মশারী বিক্রিকেই আদর্শ ব্যবসা মনে করেছেন আগারগাঁওয়ের আলমগীর। মশা সিটি কর্পোরেশনের সীমানা না চিনলেও দক্ষিণের মেয়রের দাবি তার আওতাধীন এলাকায় মশা কম।