বড় দুর্ঘটনা থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন পাইলট আবিদ!


, | Published: 06:04 PM, March 15, 2018

IMG

আরও বড় দুর্ঘটনা থেকে বাঁচানোর জন্য মাটি ছুঁয়ে যাবার মুহূর্তে বিমান আবারও আকাশে ওড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন পাইলট আবিদ সুলতান। আর এর পরপরই বিস্ফোরণ ঘটেছিল ইউএস বাংলা টু ওয়ান ওয়ান এ।

জিরো টু- না টু জিরো এই নিয়ে কন্ট্রোল টাওয়ারের তৈরি করা বিভ্রান্তি ছাড়াও আরেকটি বিষয় পরিষ্কার: পাইলট আবিদ প্রথমে রানওয়ে দেখতে পারেননি। সেটা কুয়াশা বা মেঘ যে কোনো কারণেই হতে পারে। বিষয়টি স্পষ্ট করেই কন্ট্রোল টাওয়ারকে জানিয়েছিল আবিদ সুলতান।

যেহেতু পাইলট আবিদ রানওয়ে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছিলেন না, তাঁর ভরসা ছিল কন্ট্রোল টাওয়ারের ক্লিয়ারেন্স। রানওয়েতে জিরো টুতে নামার বিষয়ে সেই ক্লিয়ারেন্স তাকে দিয়েওছিল কন্ট্রোল টাওয়ার।

তারপর, নামার মুহূর্তে হঠাৎ কিছু একটা আবিষ্কার করেন পাইলট। সেই কিছু একটা দেখে তিনি কন্ট্রোল টাওয়ারকে প্রশ্নও করেন, আর উই ক্লিয়ার টু ল্যান্ড? টাওয়ার ক্লিয়ারেন্স আসলেই দিয়েছে? এই প্রশ্ন কেন আবারও করলেন আবিদ?

আবিদের প্রশ্নে হুঁশ ফেরে কন্ট্রোল টাওয়ার। শেষ মুহূর্তে তাঁরা পাইলটকে নির্দেশ দেন টার্ন রাইট!

একটি বিমানকে ল্যান্ডিং মোমেন্ট-এ হঠাৎ এমন তীব্রতায় ডান দিকে দিকে ঘুরতে কেন বলবে কন্ট্রোল টাওয়ার?

বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে তিন দশক ধরে গবেষণা করা জার্মান ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জ্যাকডেক বলছে ইউএস বাংলা ২১১ শেষ মুহূর্তে মাটি ছুঁয়ে আবারও ওড়ার চেষ্টা করেছিল।

দীর্ঘদিন বিমান চালিয়েছেন যারা তাঁর মনে করছেন, বড় কোনো দুর্ঘটনা থেকে বাঁচাতেই শেষ মুহূর্তে আবারও আকাশে ওড়ার চেষ্টা করেছিলেন আবিদুর সুলতান। তাই সমালোচনা না, নিজের জীবন দিয়ে জীবন বাঁচানোর চেষ্টায় আবিদকে হয়তো দেওয়া উচিত বীরের মর্যাদা।