কাঠমান্ডু ট্র্যাজেডির দায় কার? জানতে লাগতে পারে কয়েক মাস


, | Published: 06:13 PM, March 15, 2018

IMG

কাঠমান্ডু ট্র্যাজেডির দায় কার? এর উত্তর জানতে হয়তো লেগে যেতে পারে মাসেরও বেশি। যথারীতি কয়েকটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কার ভুলে হারিয়েছে অর্ধশতাধিক প্রাণ? হয়ত পাইলটের ভুল অথবা টাওয়ারের ভুল কিংবা ইঞ্জিনের ত্রুটি?

কাঠমান্ডু ট্র্যাজেডি। নেপাল ও বাংলাদেশের বাতাসে এখন একটাই প্রশ্ন কেন এমন হল? ভয়াবহ ওই ঘটনার দুদিন পেরিয়ে গেছে। ‘বিএস ২১১’ দুর্ঘটনায় অর্ধশতাধিক প্রাণ হারিয়ে গেছে।

বাংলাস্টার ২১১ বিধ্বস্ত হওয়ার আগে নেপালের এভিয়েশন ট্রাফিক ও ইউএস বাংলার পাইলটের কথোপকথনে এতটুকু অন্তত স্পষ্ট- বারবার পাইলটকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে সিগন্যাল টাওয়ার থেকে।

৫০টি প্রাণ যাওয়ার সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেতো, যদি  পাইলট আবিদ সুলতান বেঁচে থাকতেন। মঙ্গলবার নেপালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আবিদ। পাইলট হিসেবে বেসরকারী এয়ারলাইন্সে সবচেয়ে অভিজ্ঞ তিনি। বিমান বাহিনীতে ২০ বছর চাকরীর পর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হিসেবে অবসরে যান। পাইলটদের প্রশিক্ষকের দায়িত্বেও ছিলেন। ৪,০০০ ঘণ্টার বেশি সময় আকাশে উড্ডয়নের অভিজ্ঞতা আছে আবিদের।

পাহাড়ের চাদরে ঘেরা ত্রিভুবন এয়ারপোর্টে ল্যান্ডিংয়ের পুরনো অভিজ্ঞতা, এভিয়েশন ট্রাফিকের কথোপকথন আর প্রায় দুই যুগের ফ্লাইং এক্সপেরিয়েন্স বলছে ক্যাপ্টেন আবিদ ছিলেন দক্ষ পাইলট।

আবিদের কাছের সহকর্মী ক্যাপ্টেন ওয়াহিদ উন নবী বলেন, নেপালে তিনি কয়েকশত বার বিমান নিয়ে ল্যান্ড করেছেন। বেসরকারি বিমানের সবচেয়ে অভিঞ্জ পাইলট আবিদ।

দীর্ঘদিনের কাছের এই সহকর্মী জানান, দুর্ঘটনার আগে ক্যাপ্টেন আবিদ ও ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষের মধ্যে আবিদের ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সে যোগ দেয়া নিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল জটিলতাও।

এভিয়েশন ট্রাফিকের বিভ্রান্তিকর সিগন্যাল, পাইলটের ভুল নাকি কানাডার তৈরি ব্লাকবক্স এর তথ্য পেলে হয়ত জানা যাবে অনেক কিছু। কিন্তু এইসব পরীক্ষা শেষ কতে লেগে যাবে দীর্ঘ সময়।