বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া’র ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন


সেন্ট্রাল ডেস্ক, | Published: 12:22 PM, March 31, 2018

IMG

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অপর্ণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন ও জিয়ারত করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)’র নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। এরপর ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ।

এরপর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সের বঙ্গবন্ধু ভবনে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল, বেসিক সায়েন্স ও প্যারাক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, নার্সিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. অসীম রঞ্জন বড়–য়া, মেডিক্যাল টেকনোলজি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নান, সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ জুলফিকার রহমান খান, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান দুলাল, ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ আসাদুল ইসলাম, শিশু হেমাটো অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. চৌধুরী ইয়াকুব জামাল, এনেসথেশিয়া, এনালজেশিয়া এন্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. দেবব্রত বনিক, ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফিশিয়াল সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. কাজী বিল্লুর রহমান, ফিজিক্যাল মেডিসিন এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের অধ্যাপক ও গ্রন্থাগারিক ডা. মোঃ মনিরুজ্জামান খান, অধ্যাপক ডা. এএইচএম জহুরুল হক সাচ্চু, অধ্যাপক ডা. হারিসুল হক, অধ্যাপক ডা. আশরাফুন্নেসা, অধ্যাপক সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ, সিন্ডিকেট মেম্বার ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. শিউলী চৌধুরী প্রমুখ।  

আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ আবু তাহের, সহকারী প্রক্টর ও সযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ আহসান হাবীব হেলাল, সহকারী প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ রেজাউল আমিন, সহযোগী অধ্যাপক সহযোগী ডা. হারাধন দেবনাথ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. বিজয় কুমার পাল, সহযোগী অধ্যাপক ডা. তৌহিদ মোঃ সাইফুল হোসেন দিপু, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ আলী ইমরান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুল আজিজ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. দেবতোষ কুমার পাল, সহযোগী অধ্যাপক ডা. কে এম তারিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পরিচালক ডা. নাজমুল করিম মানিক, সহকারী অধ্যাপক (সার্জারি আরএস) ডা. বিদ্যুৎ চন্দ্র দেবনাথ, সহকারী অধ্যাপক ডা. মোঃ নূর ই এলাহী মীম, উপ-রেজিস্ট্রার ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী পরিচালক ও মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের একান্ত সচিব-১ মোঃ আমিনুল ইসলাম পলাশ, সহকারী পরিচালক ও মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের একান্ত সচিব-২ মোঃ আজিজুর রহমান, সহকারী পরিচালক ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) মহোদয়ের একান্ত সচিব মোঃ মোক্তার হোসেন, সহকারী পরিচালক ও উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) মহোদয়ের একান্ত সচিব মোঃ আলমগীর হোসেন, সহকারী পরিচালক ও উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) মহোদয়ের একান্ত সচিব সুমন দাস, সহকারী পরিচালক  ডা. পবিত্র কুমার দেবনাথ, সহকারী পরিচালক  ডা. বেলাল এইচ সরকার, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার দাস, সহকারী পরিচালক জিএম আবুল হাসান, ডা. শেখ সাইফুল ইসলাম শাহীন, ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ, ডা. মামুন মোর্শেদ, ডা. জাকির হোসেন সুমন, ডা. জাহান শামস নিটল, ডা. জাকির হাসান, ডা. সবুজ, ডা. উজ্জ্বল, ডা. সারোয়ার, ডা. রেহানা আক্তার, জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রশান্ত মজুমদার, সেকশন অফিসার ও পিওটু ভাইস চ্যান্সেলর শেখ নূর মোহাম্মদ প্রমুখ।  

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারতের পর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, মার্চ মাস স্বাধীনতার মাস। এই মার্চ মাসে  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেছেন, এ মাসেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং এবছর (২০১৮) এই মার্চ মাসেই বাংলাদেশ স্বল্প উন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন করেছে। সত্যিকথা বলতে বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমারা একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পেতাম না। বঙ্গবন্ধুই আমাদের কর্মকাণ্ডের সকল প্রেরণার উৎস। 

নবনিযুক্ত উপাচার্য আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং চিকিৎসা সেবায় সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে ঘোষণার বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবো। আমি নিজে একজন ক্লিনিশিয়ান হওয়ায় কীভাবে রোগীকে আরও অধিকতর উন্নতমানের সেবা প্রদান করা যায়  সে বিষয়ে আমার সম্যক ধারণা আছে। 

তিনি বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিপুলসংখ্যক ডাক্তার বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিতে ভর্তি ও পড়াশুনা করছেন। শুধু সংখ্যায় কোর্স খুলে দিলেই হবে না, যথাযথ মনিটরিং করে ওই সকল কোর্সের শিক্ষার্থীরা উন্নততর প্রশিক্ষণ পেয়ে ও ভালোভাবে পড়াশুনা করে ডিগ্রি লাভ করছে কিনা তা খতিয়ে  দেখা হবে। শুধু শিক্ষার্থীরাই নন, সহকারী ও সহযোগী অধ্যাপকদেরকে দেশ-বিদেশে উন্নততর প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ করে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালানো হবে। কোনো চিকিৎসকের ভুলে কারণে যেন রোগীর ক্ষতি না হয় সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্পন্ন ভালো শিক্ষক ও চিকিৎসক তৈরি করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবো। এছাড়া গবেষণার প্রতিও অধিকতর গুরুত্ব প্রদান করা হবে।