১২০ সংস্থা ইসি’র পর্যবেক্ষক তালিকায়


রাজধানী প্রতিবেদক,সেন্ট্রাল ডেস্ক | Published: 09:25 PM, April 02, 2018

IMG

নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিবন্ধনের জন্য ১২০টি সংস্থাকে প্রাথমিকভাবে মনোনীত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন পর্যবেক্ষক হতে এসব সংস্থা বিরুদ্ধে কোন দাবি, আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে তা আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে ইসি সচিব বরাবর লিখিত আবেদন জানানো যাবে।

ইসির যুগ্ম-সচিব এসএম আসাদুজ্জামান জানান, এসব পর্যবেক্ষক সংস্থার কারো বিরুদ্ধে কোন দাবি, আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে তার স্বপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণাদিসহ অভিযোগকারীর নাম, ঠিকানা ফোন নাম্বার উল্লেখপূর্বক ৬ সেট আপত্তি দাখিল করতে হবে। শুনানি শেষে তা গ্রহণ বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এ বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

গণবিজ্ঞপ্তিটি কমিশনের ওয়েবসাইট www.ecs.gov.bd তে পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।

ইসি সূত্রে তথ্য জানা যায়, যাচাই-বাচাই, আপত্তি শেষে যোগ্যতা সম্পন্ন সংস্থাগুলোকে পাঁচ বছরের জন্য নিবন্ধন দিবে কমিশন।

এর আগে নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর কাছ থেকে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ইসি। আগ্রহী সংস্থাগুলো আবেদন করার সময় ছিল গত বছরের ৭ নভেম্বর। নির্দিষ্ট সময়ে প্রায় ২ শতাধিক সংস্থা নির্বাচন পর্যবেক্ষক জন্য নিবন্ধনের আবেদন করে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা-২০১৭ অনুসারে পর্যবেক্ষক সংস্থা হিসেবে নিবন্ধনে আগ্রহী বেসরকারি সংস্থাগুলোর কাছ থেকে দরখাস্ত আহ্বান করে কমিশন।

ইসি সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনের পূর্বে আরপিও-১৯৭২ সংশোধন করে প্রথমবারের মতো নির্বাচন পর্যবেক্ষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। নবম সংসদ নির্বাচনের সময় প্রথমবারের মতো পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়। একইসঙ্গে পর্যবেক্ষক নীতিমালাও তৈরি করা হয়। এরপর ২০১০ সালে নীতিমালা সংশোধন করে তৎকালীন এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন পর্যবেক্ষকদের নিবন্ধনের মেয়াদ বাড়িয়ে পাঁচ বছর করে। সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশন ১৩৮টি নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করে। পরে ২০১৩ সালে নিবন্ধন নীতিমালা সংশোধন করে ১২০টি সংস্থাকে তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করে কমিশন। যাদের পাঁচ বছর মেয়াদকাল ২০১৬ সালের জানুয়ারি শেষ হয়।










জাতীয় বিভাগের আরও সংবাদ