সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে নতুন বছরকে বরণ করে নিলো ছায়ানট


, | Published: 12:53 PM, April 14, 2018

IMG

প্রতি বছরের মতো এবারো সূর্য ওঠার সাথে সাথে নতুন বাংলা বছরকে বরণ করে নিলো ছায়ানট। রমনা বটমূলে ছায়ানটের এই আয়োজনে বরাবরের মতোই মুগ্ধ সমাগতরা। এবারের প্রতিপাদ্য বিশ্বায়নের বাস্তবতায় শিকড়ের সন্ধান।

নতুন বছরের প্রথম প্রভাতের মুখ ছিল কিছুটা গম্ভীর। রমনার বটমূলে কোমল ঋষব ও নিষাদে বাঁশীতে বাজলো ধুন। আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠলো ধরণী। মেঘের আড়াল থেকে সূর্য্য বেরিয়ে এসে যেনো জানান দিলো নুতন দিনের বার্তা। আহির ভাঁয়রোর সুরে যেনো শুনিয়ে দিলো রাত্রী হলো অবসান।

দেখতে দেখতে জনারণ্য বটমূল প্রাঙ্গণ। এক বছরের প্রতিক্ষা শেষে আবার এসেছে নববর্ষ। আবার সুরে সুরে গানে গানে ছায়ানটের বর্ষবরণ। এই ক্ষণে অরুণ ভৈরবের উদ্দেশে জেগে ওঠার প্রনতি।

ফকির লালন শাহ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, দিজেন্দ্রলাল রায়, সুকান্ত ভট্টাচার্য্য, জালাল উদ্দীন খান, বাউল শাহ আব্দুল করিম প্রমুখ গীতিকবির গান দিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের বর্ষবরণের আয়োজন।

কখনো একক, কখনো সম্মেলক। আবার কখনো বড়দের, কখনো বা ছোটদের ঐকতান। কখনো আরো প্রাণের প্রার্থণা, কখনো দেশাত্মবোধের চুড়ান্ত প্রকাশ এ ভাবেই এগিয়ে চলে ছায়ানটের অনুষ্ঠান।

নিজস্বতার সাথে বিশ্বকে যুক্ত কারার প্রত্যয়, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কন্ঠে। শিকড়ের মাটিতে দৃঢ়বদ্ধ থেকে বিশ্বায়নের সত্য সুন্দরকে আত্মগত করার আকাঙ্খা। সবাইকে নিয়ে ভালো থাকার আশা।










জাতীয় বিভাগের আরও সংবাদ