অভ্যন্তরীন চাহিদা মিটাতে সক্ষম দেশের মৎস শিল্প


, | Published: 05:10 PM, April 30, 2018

IMG

অভ্যন্তরীন চাহিদা মিটাতে সক্ষম দেশের মৎস শিল্প। মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ৪র্থ। আছে রপ্তানী বাণিজ্যের বিশাল সম্ভাবনাও। তবে সেই পথে কি আদৌ হাটছে বাংলাদেশ?

রাজধানীতে মাছের বাজারের এমন ব্যস্ততার সাথে সবাই পরিচিত। কিন্তু প্রতিদিন এমন বেচাকেনায় এই বাজারের আকার কত হতে পারে?
কারওয়ান বাজারের এক মাছ ব্যবসায়ী বলেন, ঢাকা শহরের মাছের বাজার কয়েক হাজার কোটি টাকার।

এই ব্যবসায়ীর হিসেব আমলে নিলে রাজধানীজুড়েই এই মাছের বাজারের ব্যবসা দাড়ায় ৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকায়। আর সরকারী হিসেব বলছে, চাষ, উন্মুক্ত জলাশয় আর সমুদ্র থেকে আহরণ এই তিন উৎস মিলে দেশে মাছের মোট উৎপাদন ৩০ লাখ মেট্রিক টন। আর্থিক মূল্য যার পরিমান ৭০ বিলিয়ন ডলার। ১৬ কোটির বেশী মানুষের এদেশের ৬০ ভাগ প্রোটিনও জোগায় এই মাছ।

দেশের মোট জিডিপিতে এই মৎস শিল্পের অবদান ৪ শতাংশের বেশী। মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশ ৪র্থ। এসব পরিসংখ্যানে হয়তো গর্ব আপনার বুক ফুলতেই পারে। তবে আলোর নিচের অন্ধকারের মতো সত্যি হচ্ছে, এসব লক্ষ্য আর অর্জনের থেকে বাংলাদেশের সক্ষমতা ঢের বেশী। দেশের সার্বিক প্রবৃদ্ধি যখন সাতের ঘরে, তখন মাছ উৎপাদন প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশের বেশী না।

৩শ বিশেষায়িত মাছ ধরা নৌকা পরিচালিত হয়ে দেশের বিশাল সমুদ্রসীমায়। অভ্যন্তরীন চাহিদা মিটিয়ে মাত্র আড়াইশো কোটি টাকার মাছ রপ্তানী করে।

মিঠা পানির মাছ কিনতে প্রায়শই বাজারের বাড়তি দামে, নাভিশ্বাসে সাধারন ক্রেতাদের। তাই বিশ্লেষকদের পরামর্শ, সামুদ্রিক মাছের প্রতি আগ্রহী হবার। এতে মিঠা পানির মাছের যেমন চাহিদা কমবে, বাড়বে সামুদ্রিক মাছের আহরন।