ছাত্রলীগের সম্মেলন, অনুপ্রবেশকারী ঠেকানোই এবারের মূল চ্যালেঞ্জ


, | Published: 05:00 PM, May 10, 2018

IMG

শনিবারই ঠিক হবে ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্ব। জাতীয় নির্বাচনের বছরে ঐতিহ্যবাহী এ সংগঠনের হাল ধরবেন কারা তা নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। তবে, নেতৃত্বে অনুপ্রবেশকারীদের ঠেকানোই যেন এবারের সম্মেলনের মূল চ্যালেঞ্জ।

ছাত্রলীগের সম্মেলনে সবচেয়ে আগ্রহের কেন্দ্র দ্বিতীয় অধিবেশন। এদিন ঠিক হবে, কে হচ্ছেন পরবর্তী সভাপতি - সাধারণ সম্পাদক। আগামী ২ বছরের জন্য তারাই নৃতৃত্ব দিবে, গঠন করবে পুর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি।

২০০৬ থেকে নির্বাচনের মাধ্যমের কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকেই সিন্ডিকেটের ঘেরাটোপে আটকে পড়ে ছাত্রলীগ। ফলে, অন্তত গত দুটি কমিটি থেকে ছিটকে পড়েন অনেক ত্যাগী ছাত্রনেতা। আর সেই সুযোগ নেয় অনুপ্রবেশকারীরা। ফলে এবার এ নিয়ে রয়েছে বাড়তি সতর্কতা।

বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেয়ার অভিযোগ বিস্তর। শুরু থেকেই ছাত্রলীগের একটি অংশ এ নিয়ে সরব। সরব আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও। তবে, কখনোই বিষয়টি স্বীকার করেনি ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা।

ছাত্রলীগ নেতারা স্বীকার না করলেও অনুপ্রবেশ ঠেকাতে, আগে থেকেই সংক্ষিপ্ত তালিকা করে, খোজ নিচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। যেখানে গুরুত্ব পাবে মুক্তিযুদ্ধর চেতনা এবং আওয়ামী রাজনীতির পারিবারিক ব্যকগ্রাউণ্ড। আর এসব বিবেচনায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকেও নেতা হওয়ার সুযোগ দেখছেন অনেকে।

এছাড়া, সংগঠনের সব পর্যায়ে বর্তমান ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্বের কতটুকু নিয়ন্ত্রণ ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাই, এবার বয়সসীমা কত হবে তা নির্ভর করছে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের উপর।