আত্মগোপনে থাকা মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুতই গ্রেপ্তার করা হবে


, | Published: 03:32 PM, June 01, 2018

IMG

যেসব রুট দিয়ে বাংলাদেশে ইয়াবাসহ মাদকদ্রব্য আসছে, সেসব পয়েন্টে বিশেষ নজরদারি নেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে নতুন করে কাউকে মাদক ব্যবসায় যুক্ত হতে দেয়া হবে না বলেও হুশিয়ারি দিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা।

দেশজুড়ে মাদক বিরোধী সাঁড়াশি অভিযান শুরুর পর থেকে  চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ চলে গেছেন আত্মগোপনে - এমন তথ্য যেমন পাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তেমনি কক্সবাজার, টেকনাফ ও চট্টগ্রামের কোনো কোনো শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী  বিদেশে পালিয়েছেন বলেও খবর পেয়েছেন গোয়েন্দারা। এরপর থেকেই সতর্ক রাখা হয়েছে বিমানবন্দর ও সড়কপথের ইমিগ্রেশনকে।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক,কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলছেন-আত্মগোপনে থাকা মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুতই গ্রেপ্তার করা হবে। রক্ষা পাবেন না কেউ।

দেশে সর্বনাশা ইয়াবার আগ্রাসন যে রুট দিয়ে, তাহলো কক্সবাজারের টেকনাফ। এখানকার নাফ নদী ও গভীর সমুদ্র ব্যবহার করে ইয়াবার চালান বাংলাদেশে নিয়ে আসছে অপরাধীরা। বর্তমান অভিযান শুরুর পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেসব রুটে নজরদারি বাড়িয়েছে।

চলমান অভিযানে রাজধানীর অর্ধশত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর তালিকা নিয়ে কাজ করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের মধ্যে কেউ কেউ কারাগারে আছে জানিয়ে অন্যদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার কথা জানালেন  ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) দেবদাস ভট্টাচার্য।

অল্প কিংবা বেশি - উদ্ধার হওয়া মাদকের পরিমান দিয়ে অবৈধ কারাবারিদের নিরুপণ করা যাবে না জানিয়ে কর্মকর্তারা বলছেন-চাহিদার জায়গা বন্ধ করে দিতে পারলেই মাদক ব্যবসা বন্ধ হবে।