আবারো ফিরিয়ে আনা হয়েছে চাল আমদানিতে ২৮ শতাংশ শুল্ক


, | Published: 05:43 PM, July 04, 2018

IMG

কৃষকরা যাতে ন্যায্য দাম পায় এবং চালের দাম বাজার স্থির থাকে- এ জন্যে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যদিও বাজারে  উল্টো দাম বেড়েছে চালের। বাজার সংশ্লিষ্টরা এ জন্যে দায়ী  করছেন কিছু ব্যবসায়ীকে, যারা সংকটকালীন সময় অতিরিক্ত চাল আমদানি করে রেখেছেন।

চাল। পরিসংখ্যান বলে, এই চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের ৪র্থ। অথচ গেল অর্থবছরে সাধারণ মানুষের কপালে ঘাম ঝরেছে এই চালের দামে। হাওড়ের বন্যার অজুহাতে চালের দাম প্রকার ভেদে কেজিতে ১৫ টাকা পর্যন্ত। সরকারও পড়ে অস্বস্তিতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কমানো হয় আমদানিতে ২৮ শতাংশ শুল্ক।

অবশ্য চলতি বছরের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় উৎপাদনও ভালো। তাইতো সরকারর চলতি মেয়াদের শেষ বাজেটে আবারো ফিরিয়ে আনা হয়েছে আমদানিতে ২৮ শতাংশের শুল্ক। মুল উদ্দেশ্য, কৃষকরা যাতে পান ন্যায্য দাম। অন্যদিকে খবরে কমেছে প্রতিবেশী ভারতের চালের দামও।

গত অর্থবছরের, শেষ ভাগে চাল আমদানিও হয়েছে ঢের। সংকটকালীন সময়ে, ১০ লাখ মেক্ট্রিক টন ঘাটতির বিপরীতে আমদানি হয়েছিলো ৮-১০ গুন।  এর মানে এ বছরে চাহিদার চেয়েও মজুদ বেশি । তবে বাজার বলছে ভিন্ন কথা। রাজধানীর বাজারগুলোতে ধরন ভেদে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ২-৩ টাকা।

এই দাম  বাড়ার কোন যৌক্তিকতা নেই, তা বলছেন বাংলাদেশ রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের  খোদ সভাপতি। তার মতে যারা আমদানি করে আগে থেকেই মজুদ করে রেখেছে, তারাই বাজারে গুজব ছড়িয়ে ফায়দা হাসিলের চেষ্টায় আছে।

দেশের বাজার বিশ্লেষকরা শুল্ক পুনর্বহালে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি, এই বাজার মনিটরিংয়ে এখনই সরকারের কার্যকর উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন।