এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সেমিনার অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিবেদক,সেন্ট্রাল ডেস্ক | Published: 07:38 PM, July 15, 2018

IMG

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীতে ‘এন্টিবায়োটিক ইউজেস এন্ড রেজিস্টেন্স ইন বাংলাদেশ: সিচুয়েশন এনালাইসিস এন্ড রিকমেন্ডেশন্স অন এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স’ শীর্ষক এক সেমিনার অুনষ্ঠিত হয়েছে।’

আজ রবিবার সকালে মহাখালিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস অডিটোরিয়ামে এই সেমিনার অুনষ্ঠিত হয়।

আইসিডিডিআর,বি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় সেমিনারটির আয়োজন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, অপ্রয়োজনে, অযৌক্তিকভাবে ও অসম্পূর্ণ মেয়াদে এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবানুর মাধ্যমে আমাদের ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ছে। ভাইরাসজনিত সর্দি-কাশি বা ডায়রিয়াতে এন্টিবায়োটিক কাজ করে না। কিন্তু এরপরেও না জেনে অনেকে এসব ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করছেন।

বক্তারা আরও বলেন, বিনা প্রেসকিপশনে এন্টিবায়োটিক বিক্রি নিষিদ্ধ করতে আইন করতে হবে এবং তা বাস্তবায়নের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সাধারণ মানুষ যাতে রেজিস্টার্ড চিকিৎসক এবং যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক কিনতে না পারে সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। এন্টিবায়োটিক সেবনের নিয়ম ও মেয়াদকাল যাতে সাধারণ মানুষ মেনে চলেন সে বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

এআরসি,ভাইরাল হেপাটাইটিস ও ডায়রিয়াল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের ডিপিএম ডাঃ শ. ম. গোলাম কায়সার বলেন, এই সমস্যা নিরসনে আমাদের সকলকে একসাথে একই প্ল্যাটফর্মে কাজ করতে হবে।এই সমস্যা নিরসনে আমরা ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরিসহ সারা দেশে এই বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরির প্রচেষ্টা করছি।

সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার অধ্যাপক ডাঃ সানিয়া তহমিনা বলেন, স্ট্যান্ডার্ড মেডিকেল ল্যাব, অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা,  গবেষনার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও শেয়ার এবং জনসচেতনতার মাধ্যমে এই সমস্যা নিরসন সম্ভব।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনার সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের সকল বিভাগের পরিচালগণ, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, আইসিডিডিআর,বি ঢাকার বিজ্ঞানী ডা. ওয়াসিফ আলী খান, সিডিডিইপি, নয়া দিল্লির এশিয়া বিষয়ক কো-অর্ডিনেটর ডা. জ্যোতি যোশি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের প্রতিনিধি ডা. এডউইন সালভাদরসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকগণ উপস্থিত ছিলেন।