287628
শিরোনামঃ
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা মোজতবা খামেনি হচ্ছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা ইসরাইলের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা শুরু ইরানের ইরানে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলেন ডাক্তার শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ চলে গেলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান মিন্টু কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে কাঁঠাল পাতার রমরমা ব্যবসা

#
news image

কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল। দেশের প্রায় সব জেলাতেই কমবেশি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। ফল হিসেবে মানুষের নিকটে কাঁঠালের চাহিদা রয়েছে। কিš‘ এই গাছের পাতার তেমন কোন চাহিদা ছিলো না। অথচ সময়ের পরিবর্তনের সাথে এই গাছের পাতা হয়ে উঠেছে গ্রামীণ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। পূর্বে স্বল্প পরিসরে শুধুমাত্র কোরবানির ঈদ এলে এই পাতার চাহিদা বাড়তো। মানুষ কিনে কোরবানির জন্যে কেনা গরু ছাগলকে খাওয়াতো। কালক্রমে এক সময়ের মৌসুমী পেশা এখন অনেকের স্থায়ী  এবং ভাগ্য বদলের অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে ধরা দিয়েছে। কাজিপুরের হাট-বাজারগুলোতে এখন কাঁঠাল পাতার রমরমা ব্যবসা চলছে। প্রতি হাটবাজারে এবং বাজারগুলোতে প্রতিদিনই রাস্তার পাশে বেশ খানিকটা জায়গা জুড়ে চলে কাঁঠাল পাতার কেনাবেচা। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার ঢেকুরিয়া হাট, সোনামুখী হাট, ছালাভরা বাজারে ভোর থেকে রাস্তার পাশে ভ্যানের উপর কাঁঠাল পাতার আঁটি সাজিয়ে রেখেছে পাতা ব্যবসায়ীরা। ক্রেতারা এসে উল্টে পাল্টে দেখে দরদাম করে তা কিনে নেন। ঢেকুরিয়া বাজারে দীর্ঘ ৮ বছর যাবৎ পাতা বিক্রি করছেন মমতাজ মিয়া। তিনি জানান, আগেতো খড় এবং ঘাস বিক্রি করতাম। এহন এসবের ম্যালা দাম। পাইকারি কিনে এনে গ্রাহকের কাছে বেচে তেমন লাভ হয় না। তাই একবার কোরবানির ঈদের আগে আমার নিজের গাছের কাঁঠাল পাতা আঁটি করে হাটে আনলাম। দেখি অল্প সময়ের মধ্যে তা বিক্রি হয়ে গেলো। দামও ভালো পেলাম। এরপর থেকে সারা বছরই এই হাটে ও বাজারে কাঁঠাল পাতা বিক্রি করছি। প্রতিদিন খরচ বাদে চারশ’ থেকে ছয়শ’ টাকা টেকে। বিলচতল গ্রামের কাঁঠাল গাছের মালিক ফারুক হোসেন বলেন, আগে এসব পাতা গাছ থেকে এমনিই ঝরে পড়ত। আমরা ওসব কুড়াতামও না। কিন্তু এখন ব্যবসায়ীরা এসে আগেভাগেই কিনে নিয়ে যায়। এতে বাড়তি আয় হয়, গাছও পরিষ্কার থাকে। পানীয় আরেকজন গাছ মালিক তজু মন্ডল বলেন, কাঁঠাল পাতার এমন চাহিদা আগে কখনো কল্পনাও করিনি। আমার বাড়িতে কয়েকটি গাছ আছে। সেখান থেকে বছরে দুইবার ভালো আয় হয়। বিশেষ করে ঈদের সময় এটি একটি বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দেয়। সোনামুখী বাজারে কাঁঠাল পাতা কিনতে আসা মহিদুল ইসলাম জানান, দুটি খাসি রয়েছে। প্রতিদিন ২৫ টাকায় ছোট ৩ আঁটি পাতা কিনি। কোরবানি পর্যন্ত এই পাতা কিনতে হবে। কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার শরিফুল ইসলাম জানান, এখনতো ফলের চাইতে কাঁঠালের পাতার দাম অনেক বেশি। মানুষ বছরে দুইবার করে পাতা বিক্রি করে বেশ টাকা পাচ্ছে বলে জানতে পেরেছি। এটি তাদের জন্যে একটি বাড়তি আয়।

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

২৪-১০-২০২৫ বিকাল ৫:২৫

news image

কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল। দেশের প্রায় সব জেলাতেই কমবেশি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। ফল হিসেবে মানুষের নিকটে কাঁঠালের চাহিদা রয়েছে। কিš‘ এই গাছের পাতার তেমন কোন চাহিদা ছিলো না। অথচ সময়ের পরিবর্তনের সাথে এই গাছের পাতা হয়ে উঠেছে গ্রামীণ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। পূর্বে স্বল্প পরিসরে শুধুমাত্র কোরবানির ঈদ এলে এই পাতার চাহিদা বাড়তো। মানুষ কিনে কোরবানির জন্যে কেনা গরু ছাগলকে খাওয়াতো। কালক্রমে এক সময়ের মৌসুমী পেশা এখন অনেকের স্থায়ী  এবং ভাগ্য বদলের অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে ধরা দিয়েছে। কাজিপুরের হাট-বাজারগুলোতে এখন কাঁঠাল পাতার রমরমা ব্যবসা চলছে। প্রতি হাটবাজারে এবং বাজারগুলোতে প্রতিদিনই রাস্তার পাশে বেশ খানিকটা জায়গা জুড়ে চলে কাঁঠাল পাতার কেনাবেচা। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার ঢেকুরিয়া হাট, সোনামুখী হাট, ছালাভরা বাজারে ভোর থেকে রাস্তার পাশে ভ্যানের উপর কাঁঠাল পাতার আঁটি সাজিয়ে রেখেছে পাতা ব্যবসায়ীরা। ক্রেতারা এসে উল্টে পাল্টে দেখে দরদাম করে তা কিনে নেন। ঢেকুরিয়া বাজারে দীর্ঘ ৮ বছর যাবৎ পাতা বিক্রি করছেন মমতাজ মিয়া। তিনি জানান, আগেতো খড় এবং ঘাস বিক্রি করতাম। এহন এসবের ম্যালা দাম। পাইকারি কিনে এনে গ্রাহকের কাছে বেচে তেমন লাভ হয় না। তাই একবার কোরবানির ঈদের আগে আমার নিজের গাছের কাঁঠাল পাতা আঁটি করে হাটে আনলাম। দেখি অল্প সময়ের মধ্যে তা বিক্রি হয়ে গেলো। দামও ভালো পেলাম। এরপর থেকে সারা বছরই এই হাটে ও বাজারে কাঁঠাল পাতা বিক্রি করছি। প্রতিদিন খরচ বাদে চারশ’ থেকে ছয়শ’ টাকা টেকে। বিলচতল গ্রামের কাঁঠাল গাছের মালিক ফারুক হোসেন বলেন, আগে এসব পাতা গাছ থেকে এমনিই ঝরে পড়ত। আমরা ওসব কুড়াতামও না। কিন্তু এখন ব্যবসায়ীরা এসে আগেভাগেই কিনে নিয়ে যায়। এতে বাড়তি আয় হয়, গাছও পরিষ্কার থাকে। পানীয় আরেকজন গাছ মালিক তজু মন্ডল বলেন, কাঁঠাল পাতার এমন চাহিদা আগে কখনো কল্পনাও করিনি। আমার বাড়িতে কয়েকটি গাছ আছে। সেখান থেকে বছরে দুইবার ভালো আয় হয়। বিশেষ করে ঈদের সময় এটি একটি বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দেয়। সোনামুখী বাজারে কাঁঠাল পাতা কিনতে আসা মহিদুল ইসলাম জানান, দুটি খাসি রয়েছে। প্রতিদিন ২৫ টাকায় ছোট ৩ আঁটি পাতা কিনি। কোরবানি পর্যন্ত এই পাতা কিনতে হবে। কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার শরিফুল ইসলাম জানান, এখনতো ফলের চাইতে কাঁঠালের পাতার দাম অনেক বেশি। মানুষ বছরে দুইবার করে পাতা বিক্রি করে বেশ টাকা পাচ্ছে বলে জানতে পেরেছি। এটি তাদের জন্যে একটি বাড়তি আয়।