উদ্ভাবন, উদ্যোগ ও নৈতিক নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে হবে তরুণদের-- শিক্ষা উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬-১০-২০২৫ দুপুর ৩:৮
উদ্ভাবন, উদ্যোগ ও নৈতিক নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে হবে তরুণদের-- শিক্ষা উপদেষ্টা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সি আর আবরার বলেছেন, তরুণ প্রজন্মকে শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা ও নৈতিক নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হতে হবে— যাতে তারা নিজেদের দেশ ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আজ রবিবার (২৬ অক্টোবর) গাজীপুরে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি)-এর ৩৭তম সমাবর্তনে প্রধান অতিথির বক্তৃতা প্রদানকালে এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি)-এর প্রতিনিধি, কূটনীতিক, শিক্ষক, অভিভাবক এবং ওআইসি সদস্যদেশের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবর্তনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওআইসি-এর সহকারী মহাসচিব (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) হিজ এক্সেলেন্সি অ্যাম্বাসেডর আফতাব আহমেদ খোখের, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের সাবেক অধ্যাপক প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমান (সমাবর্তন বক্তা), এবং আইইউটি’র উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
আইইউটির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার--প্রফেসর ড. আবরার বলেন, আইইউটি হচ্ছে ওআইসি কর্তৃক বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একমাত্র আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়— যা বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়।
“বাংলাদেশ সরকার সবসময় আইইউটির পাশে থাকবে এবং এর উন্নয়ন ও সাফল্যে পূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে,” তিনি বলেন।
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষা কোনো ব্যয় নয়; এটি হলো শান্তি, সমৃদ্ধি ও মানবসম্পদে বিনিয়োগ।”
ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ তরুণ গড়ে তোলা---শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ সরকার সমতা, মানোন্নয়ন ও ডিজিটাল রূপান্তরকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
“আমরা এমন এক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যা শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের দক্ষ, সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী নাগরিক হিসেবে তৈরি করবে,” তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান-"যদি সবাই চাকরির অপেক্ষা করে, তবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে কে? ওআইসি দেশগুলোর এখন প্রয়োজন চাকরিপ্রার্থী নয়, চাকরিদাতা তরুণদের।”
বিশ্বাস, নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তি--ড. আবরার ২০২৪ সালের জুলাই মাসের আন্দোলনে প্রাণ হারানো শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন ছাত্রদের স্মরণ করেন, বিশেষভাবে আইইউটি অ্যালামনাই জাহিদুজ্জামান তানভিন-এর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি আইইউটির নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বলেন, সমাজের অগ্রগতির জন্য নারী-পুরুষ উভয়ের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন,“তোমাদের শিক্ষা একটি আমানত— এটি মানবকল্যাণে, নৈতিকতা ও উদ্ভাবনের পথে ব্যবহার করো। বিশ্বাস হোক তোমার দিকনির্দেশনা, জ্ঞান হোক তোমার আলো, আর সহমর্মিতা হোক তোমার শক্তি।”
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬-১০-২০২৫ দুপুর ৩:৮
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সি আর আবরার বলেছেন, তরুণ প্রজন্মকে শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা ও নৈতিক নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হতে হবে— যাতে তারা নিজেদের দেশ ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আজ রবিবার (২৬ অক্টোবর) গাজীপুরে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি)-এর ৩৭তম সমাবর্তনে প্রধান অতিথির বক্তৃতা প্রদানকালে এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি)-এর প্রতিনিধি, কূটনীতিক, শিক্ষক, অভিভাবক এবং ওআইসি সদস্যদেশের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবর্তনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওআইসি-এর সহকারী মহাসচিব (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) হিজ এক্সেলেন্সি অ্যাম্বাসেডর আফতাব আহমেদ খোখের, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের সাবেক অধ্যাপক প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমান (সমাবর্তন বক্তা), এবং আইইউটি’র উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
আইইউটির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার--প্রফেসর ড. আবরার বলেন, আইইউটি হচ্ছে ওআইসি কর্তৃক বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একমাত্র আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়— যা বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়।
“বাংলাদেশ সরকার সবসময় আইইউটির পাশে থাকবে এবং এর উন্নয়ন ও সাফল্যে পূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে,” তিনি বলেন।
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষা কোনো ব্যয় নয়; এটি হলো শান্তি, সমৃদ্ধি ও মানবসম্পদে বিনিয়োগ।”
ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ তরুণ গড়ে তোলা---শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ সরকার সমতা, মানোন্নয়ন ও ডিজিটাল রূপান্তরকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
“আমরা এমন এক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যা শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের দক্ষ, সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী নাগরিক হিসেবে তৈরি করবে,” তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান-"যদি সবাই চাকরির অপেক্ষা করে, তবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে কে? ওআইসি দেশগুলোর এখন প্রয়োজন চাকরিপ্রার্থী নয়, চাকরিদাতা তরুণদের।”
বিশ্বাস, নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তি--ড. আবরার ২০২৪ সালের জুলাই মাসের আন্দোলনে প্রাণ হারানো শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন ছাত্রদের স্মরণ করেন, বিশেষভাবে আইইউটি অ্যালামনাই জাহিদুজ্জামান তানভিন-এর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি আইইউটির নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বলেন, সমাজের অগ্রগতির জন্য নারী-পুরুষ উভয়ের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন,“তোমাদের শিক্ষা একটি আমানত— এটি মানবকল্যাণে, নৈতিকতা ও উদ্ভাবনের পথে ব্যবহার করো। বিশ্বাস হোক তোমার দিকনির্দেশনা, জ্ঞান হোক তোমার আলো, আর সহমর্মিতা হোক তোমার শক্তি।”