সিরাজগঞ্জের পরিত্যক্ত জমিতে পেঁপে চাষ করে সফল কৃষক পাপ্পু
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
২৬-১০-২০২৫ দুপুর ৪:৪০
সিরাজগঞ্জের পরিত্যক্ত জমিতে পেঁপে চাষ করে সফল কৃষক পাপ্পু
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কৃষক মো. পাপ্পু সরকার বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত যায়গায় বাণিজ্যিকভাবে দুই ধরনের পেঁপে চাষ করে সফল হয়েছেন। বাড়ির সামনে পতিত জমিতে গড়ে তোলা পাপ্পু’র পেঁপে বাগান এখন অনেককেই পেঁপে চাষে আগ্রহী করে তুলেছে। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, পাপ্পু সরকার একজন স্মার্ট কৃষক, তিনি জানেন কখন কোন ফসল চাষ করতে হবে। ঢাকা থেকে একটি বেসরকারি মোবাইল কোম্পানির চাকরি ছেড়ে দিয়ে এসে পাপ্পু সরকার কৃষি অফিসের পরামর্শে শুরু করেন ফল ও সবজির আবাদ। তিন মাস আগে বিভিন্ন পেঁপে গাছের চারা সংগ্রহ করে বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত যায়গায় রোপণ করেন। নাজমুল হোসেন নামে এক পথচারী জানান, ‘আমি এই পথ দিয়ে হাট-বাজারে যাতায়াত করি। বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত জায়গায় জঙ্গল হয়। পাপ্পু সরকার সেই জঙ্গল পরিষ্কার করে এবার পেঁপে চাষ করেছেন। তিনি অনেক পরিশ্রমী কৃষক। তিনি সবসময় তার জমিতে সময় দিয়ে থাকেন। এবার পরিত্যক্ত যায়গায় পেঁপে গাছ লাগিয়ে তুলেছেন তিনি।’
এলাকার স্কুলছাত্র রাজু আহমেদ জানান, ‘আমরা প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়েই স্কুলে যাই। পাপ্পু চাচা সারা দিন পেঁপে গাছের পরিচর্যা করেন। এখন প্রতিটি গাছে পেঁপে ধরেছে, দেখতে ভালো লাগে। পেঁপে গাছগুলো তেমন বড় হয়নি, ছোট ছোট গাছে এত পরিমাণ পেঁপে ঝুলে আছে দেখতেই মন ভালো হয়ে যায়। কৃষক পাপ্পু সরকার,প্রথম ধাপে প্রতি গাছ থেকে ৫-৭ কেজি করে পেঁপে সংগ্রহ করেছেন। গাছ লাগাতে তার খরচ হয়েছে ১০ হাজার টাকা। তার আশা এ পেঁপে বিক্রি করে খরচ উঠে ভালোই টাকা লাভ হবে। তার সাফল্য দেখে অনেকে পেঁপে চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
কৃষক পাপ্পু সরকার জানান, ‘আমি ছোট থেকেই বাবার সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করি। পড়াশোনা শেষ করে বেসরকারি একটি মোবাইল কোম্পানিতে চাকরি করি। সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে আবাদে মনোনিবেশ করি। কৃষি অফিসারের পরামর্শের জন্য গেলে তিনি পেঁপে চাষ করার কথা বলেন। পরে আমি বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত জায়গা থেকে জঙ্গল পরিষ্কার করে পরীক্ষামূলক ২০০ পেঁপে গাছ রোপণ করি। আল্লাহ রহমতে গাছে বেশ পেঁপে ধরেছে। আমার সফলতায় এলাকার অনেকে পেঁপে চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল- মামুন জানান, ‘কৃষি বিভাগের পরামর্শে শুরুতেই গ্রিন ল্যাডি পেঁপে চারা লাগিয়েছিলেন তিনি। বর্ষা মৌসুমে অন্যান্য সবজি কম থাকায় পেঁপের চাহিদা বাড়ে। পাপ্পু সরকার বিষয়টি মাথায় রেখে এ পেঁপে চাষ করেছেন। এরইমধ্যে বাজারে ভালো মূল্যে বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছেন। আমাদের লক্ষ্য পাপ্পু সরকারের মতো অন্য কৃষকেরওে পেঁপে চাষে এগিয়ে আসবেন।’
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
২৬-১০-২০২৫ দুপুর ৪:৪০
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কৃষক মো. পাপ্পু সরকার বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত যায়গায় বাণিজ্যিকভাবে দুই ধরনের পেঁপে চাষ করে সফল হয়েছেন। বাড়ির সামনে পতিত জমিতে গড়ে তোলা পাপ্পু’র পেঁপে বাগান এখন অনেককেই পেঁপে চাষে আগ্রহী করে তুলেছে। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, পাপ্পু সরকার একজন স্মার্ট কৃষক, তিনি জানেন কখন কোন ফসল চাষ করতে হবে। ঢাকা থেকে একটি বেসরকারি মোবাইল কোম্পানির চাকরি ছেড়ে দিয়ে এসে পাপ্পু সরকার কৃষি অফিসের পরামর্শে শুরু করেন ফল ও সবজির আবাদ। তিন মাস আগে বিভিন্ন পেঁপে গাছের চারা সংগ্রহ করে বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত যায়গায় রোপণ করেন। নাজমুল হোসেন নামে এক পথচারী জানান, ‘আমি এই পথ দিয়ে হাট-বাজারে যাতায়াত করি। বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত জায়গায় জঙ্গল হয়। পাপ্পু সরকার সেই জঙ্গল পরিষ্কার করে এবার পেঁপে চাষ করেছেন। তিনি অনেক পরিশ্রমী কৃষক। তিনি সবসময় তার জমিতে সময় দিয়ে থাকেন। এবার পরিত্যক্ত যায়গায় পেঁপে গাছ লাগিয়ে তুলেছেন তিনি।’
এলাকার স্কুলছাত্র রাজু আহমেদ জানান, ‘আমরা প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়েই স্কুলে যাই। পাপ্পু চাচা সারা দিন পেঁপে গাছের পরিচর্যা করেন। এখন প্রতিটি গাছে পেঁপে ধরেছে, দেখতে ভালো লাগে। পেঁপে গাছগুলো তেমন বড় হয়নি, ছোট ছোট গাছে এত পরিমাণ পেঁপে ঝুলে আছে দেখতেই মন ভালো হয়ে যায়। কৃষক পাপ্পু সরকার,প্রথম ধাপে প্রতি গাছ থেকে ৫-৭ কেজি করে পেঁপে সংগ্রহ করেছেন। গাছ লাগাতে তার খরচ হয়েছে ১০ হাজার টাকা। তার আশা এ পেঁপে বিক্রি করে খরচ উঠে ভালোই টাকা লাভ হবে। তার সাফল্য দেখে অনেকে পেঁপে চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
কৃষক পাপ্পু সরকার জানান, ‘আমি ছোট থেকেই বাবার সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করি। পড়াশোনা শেষ করে বেসরকারি একটি মোবাইল কোম্পানিতে চাকরি করি। সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে আবাদে মনোনিবেশ করি। কৃষি অফিসারের পরামর্শের জন্য গেলে তিনি পেঁপে চাষ করার কথা বলেন। পরে আমি বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত জায়গা থেকে জঙ্গল পরিষ্কার করে পরীক্ষামূলক ২০০ পেঁপে গাছ রোপণ করি। আল্লাহ রহমতে গাছে বেশ পেঁপে ধরেছে। আমার সফলতায় এলাকার অনেকে পেঁপে চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল- মামুন জানান, ‘কৃষি বিভাগের পরামর্শে শুরুতেই গ্রিন ল্যাডি পেঁপে চারা লাগিয়েছিলেন তিনি। বর্ষা মৌসুমে অন্যান্য সবজি কম থাকায় পেঁপের চাহিদা বাড়ে। পাপ্পু সরকার বিষয়টি মাথায় রেখে এ পেঁপে চাষ করেছেন। এরইমধ্যে বাজারে ভালো মূল্যে বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছেন। আমাদের লক্ষ্য পাপ্পু সরকারের মতো অন্য কৃষকেরওে পেঁপে চাষে এগিয়ে আসবেন।’