সাতক্ষীরায় ধর্ষণ মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি
৩১-১০-২০২৫ দুপুর ২:৫৮
সাতক্ষীরায় ধর্ষণ মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
পুলিশের কথা মত ঘরপোড়ানোা মামলা তুলে নিতে রাজী না হওয়ায় বাদির তিন ভাইপোর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ধর্ষণ মামলা দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে। শুক্রবার(৩১অক্টোবর) সকাল ১১টায় জেলা হিন্দু জোটের আয়োজনে সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের প্রধান ফটকের সামনে সাতক্ষীরা- আশাশুনি সড়কে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় জেলার আরো কয়েকটি সংখ্যালঘু নির্যাতন ও জগন্নাথ দেব মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ তুলে ধরা হয়। জেলা হিন্দু যুব পরিষদের সদস্য সচীব মনোদীপ মণ্ডলের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন, জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি এড. সোমনাথ ব্যাণার্জী, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, দৈনিক দক্ষিনের মশাল পত্রিকার সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, জেলা পুজা ফ্রন্টের যুগ্ম আহবায়ক এড. সুনীল কুমার ঘোষ, মানবাধিকার কর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, শিক্ষক নিত্যানন্দ সরকার, ক্ষতিগ্রস্ত দীলিপ গাইন, সুচিত্রা গাইন, নির্যাতিত মাধবী মণ্ডল, এড. আবুল কালাম প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে শ্যামনগরের মীরগাং গ্রামে গত ১৭ অক্টোবর রাত সাাড়ে সাতটার দিকে দীলিপ গাইনের পুকুরসহ ৫০ শতক জমি নীল নেট দিয়ে ঘিরে নেওয়ার চেষ্টা করে প্রতিপক্ষ জঙ্গল ভাংগী ও তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী। এতে নেতৃত্ব দেন একই গ্রামের জব্বার, যতীন্দ্রনগর গ্রামের আনোয়ারুল ইসলাম ও মাহামাদুল ইসলামসহ কমপক্ষে ৫০ জন। ওই দিন রাত দেড়টার দিকে লুটপাট শেষে দীলিপ গাইনের বসতঘর ও রান্না ঘরে আগুন লাগিয়ে ভষ্মিভুত করা হয়। পরে এই ঘটনায় দীলিপ গাইন বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর ২৬ অক্টোবর ভোর ছয়টার দিকে দীলিপ গাইনের ভাইপো বিকাশ গাইনকে বাড়ি থেকে তুলে এনে ঘর পোড়ানো মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম প্রতিপক্ষ এক ব্যক্তির মাকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে থানা লক আপে আটকে রাখেন। দিনভর নাটকীয়তার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর জানান যে, ঘরপোড়ানো ও ধর্ষণ দুটি ঘটনাই সঠিক নয় বলে মনে করেন তিনি। বক্তরা আরো বলেন, ঘরপোড়ানো মামলা তুলে নিতে রাজী না হওয়ায় ভাইপো পলাশ, তুষার ও বিকাশের নামে ২৭ অক্টোবর ধর্ষণ মামলা রেকর্ড করা হয়। মানববন্ধন থেকে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর মোল্লা ও উপপরিদর্শক জহিরুল ইসলামকে অপসারন ও পরিকল্পিত ধর্ষণ মামলার সঙ্গে জড়িতদের ডিএনএ টেষ্টের মাধ্যমে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি
৩১-১০-২০২৫ দুপুর ২:৫৮
পুলিশের কথা মত ঘরপোড়ানোা মামলা তুলে নিতে রাজী না হওয়ায় বাদির তিন ভাইপোর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ধর্ষণ মামলা দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে। শুক্রবার(৩১অক্টোবর) সকাল ১১টায় জেলা হিন্দু জোটের আয়োজনে সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের প্রধান ফটকের সামনে সাতক্ষীরা- আশাশুনি সড়কে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় জেলার আরো কয়েকটি সংখ্যালঘু নির্যাতন ও জগন্নাথ দেব মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ তুলে ধরা হয়। জেলা হিন্দু যুব পরিষদের সদস্য সচীব মনোদীপ মণ্ডলের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন, জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি এড. সোমনাথ ব্যাণার্জী, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, দৈনিক দক্ষিনের মশাল পত্রিকার সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, জেলা পুজা ফ্রন্টের যুগ্ম আহবায়ক এড. সুনীল কুমার ঘোষ, মানবাধিকার কর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, শিক্ষক নিত্যানন্দ সরকার, ক্ষতিগ্রস্ত দীলিপ গাইন, সুচিত্রা গাইন, নির্যাতিত মাধবী মণ্ডল, এড. আবুল কালাম প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে শ্যামনগরের মীরগাং গ্রামে গত ১৭ অক্টোবর রাত সাাড়ে সাতটার দিকে দীলিপ গাইনের পুকুরসহ ৫০ শতক জমি নীল নেট দিয়ে ঘিরে নেওয়ার চেষ্টা করে প্রতিপক্ষ জঙ্গল ভাংগী ও তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী। এতে নেতৃত্ব দেন একই গ্রামের জব্বার, যতীন্দ্রনগর গ্রামের আনোয়ারুল ইসলাম ও মাহামাদুল ইসলামসহ কমপক্ষে ৫০ জন। ওই দিন রাত দেড়টার দিকে লুটপাট শেষে দীলিপ গাইনের বসতঘর ও রান্না ঘরে আগুন লাগিয়ে ভষ্মিভুত করা হয়। পরে এই ঘটনায় দীলিপ গাইন বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর ২৬ অক্টোবর ভোর ছয়টার দিকে দীলিপ গাইনের ভাইপো বিকাশ গাইনকে বাড়ি থেকে তুলে এনে ঘর পোড়ানো মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম প্রতিপক্ষ এক ব্যক্তির মাকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে থানা লক আপে আটকে রাখেন। দিনভর নাটকীয়তার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর জানান যে, ঘরপোড়ানো ও ধর্ষণ দুটি ঘটনাই সঠিক নয় বলে মনে করেন তিনি। বক্তরা আরো বলেন, ঘরপোড়ানো মামলা তুলে নিতে রাজী না হওয়ায় ভাইপো পলাশ, তুষার ও বিকাশের নামে ২৭ অক্টোবর ধর্ষণ মামলা রেকর্ড করা হয়। মানববন্ধন থেকে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর মোল্লা ও উপপরিদর্শক জহিরুল ইসলামকে অপসারন ও পরিকল্পিত ধর্ষণ মামলার সঙ্গে জড়িতদের ডিএনএ টেষ্টের মাধ্যমে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।