287628
শিরোনামঃ
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা মোজতবা খামেনি হচ্ছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা ইসরাইলের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা শুরু ইরানের ইরানে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলেন ডাক্তার শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ চলে গেলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান মিন্টু কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর

বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখার আদেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত

#
news image

বাগেরহাট জেলার সংসদীয় আসন চারটি বহাল রাখার আদেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত অবৈধ বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (১০ নভেম্বর) হাইকোর্ট এ আদেশ দেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখতে কেন নির্দেশনা দেয়া হবে না এবং নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত গেজেটে আসনসংখ্যা চার থেকে একটি কমিয়ে তিনে করার

সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথে সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

এর আগে বাগেরহাট প্রেসক্লাব, জেলা আইনজীবী সমিতি, জেলা বিএনপি, জেলা জামায়াতে ইসলামী, জেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জেলা ট্রাক মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন বাগেরহাটে চারটি আসন বহালের দাবিতে দুটি রিট দায়ের করে। রিটে সরকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব ও অ্যাটর্নি জেনারেলকে বিবাদী করা হয়।

আদালতে রিটের পর শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার শেখ মুহাম্মদ জাকির হোসেন। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট বিপ্লব কুমার পোদ্দার, অ্যাডভোকেট ফয়সাল মোস্তফা, অ্যাডভোকেট রাজিয়া সুলতানা, ব্যারিস্টার কাজী সামান্তা এনাম, অ্যাডভোকেট আমিনুজ্জামান সোহাগ, অ্যাডভোকেট এনামুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান, অ্যাডভোকেট তানভীর আহমেদ।

রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থিত ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইকরামুল কবির।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার প্রস্তাব দেয়। এর বিরোধিতা করে স্থানীয় রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনগুলো সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি গঠন করে আন্দোলনে নামে।

তাদের দাবি সত্বেও নির্বাচন কমিশন ৪ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে বাগেরহাটকে তিন আসনে ভাগ করে। এরপর থেকেই সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি হরতাল,অবরোধ, অবস্থান ও বিক্ষোভ সহ  নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অভিযোগ, আসন পুনর্বিন্যাসে জনগণের মতামত উপেক্ষা  করা হয়েছে।

চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, বাগেরহাট সদর-চিতলমারী-মোল্লাহাট নিয়ে বাগেরহাট-১, ফকিরহাট-রামপাল-মোংলা নিয়ে বাগেরহাট-২ এবং কচুয়া - মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা নিয়ে বাগেরহাট-৩ গঠন করা হয়েছে। ১৯৬৯ সাল থেকে এ জেলায় চারটি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল।

বাগেরহাট প্রতিনিধি

১০-১১-২০২৫ বিকাল ৭:৫৯

news image

বাগেরহাট জেলার সংসদীয় আসন চারটি বহাল রাখার আদেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত অবৈধ বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (১০ নভেম্বর) হাইকোর্ট এ আদেশ দেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখতে কেন নির্দেশনা দেয়া হবে না এবং নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত গেজেটে আসনসংখ্যা চার থেকে একটি কমিয়ে তিনে করার

সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথে সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

এর আগে বাগেরহাট প্রেসক্লাব, জেলা আইনজীবী সমিতি, জেলা বিএনপি, জেলা জামায়াতে ইসলামী, জেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জেলা ট্রাক মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন বাগেরহাটে চারটি আসন বহালের দাবিতে দুটি রিট দায়ের করে। রিটে সরকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব ও অ্যাটর্নি জেনারেলকে বিবাদী করা হয়।

আদালতে রিটের পর শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার শেখ মুহাম্মদ জাকির হোসেন। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট বিপ্লব কুমার পোদ্দার, অ্যাডভোকেট ফয়সাল মোস্তফা, অ্যাডভোকেট রাজিয়া সুলতানা, ব্যারিস্টার কাজী সামান্তা এনাম, অ্যাডভোকেট আমিনুজ্জামান সোহাগ, অ্যাডভোকেট এনামুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান, অ্যাডভোকেট তানভীর আহমেদ।

রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থিত ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইকরামুল কবির।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার প্রস্তাব দেয়। এর বিরোধিতা করে স্থানীয় রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনগুলো সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি গঠন করে আন্দোলনে নামে।

তাদের দাবি সত্বেও নির্বাচন কমিশন ৪ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে বাগেরহাটকে তিন আসনে ভাগ করে। এরপর থেকেই সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি হরতাল,অবরোধ, অবস্থান ও বিক্ষোভ সহ  নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অভিযোগ, আসন পুনর্বিন্যাসে জনগণের মতামত উপেক্ষা  করা হয়েছে।

চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, বাগেরহাট সদর-চিতলমারী-মোল্লাহাট নিয়ে বাগেরহাট-১, ফকিরহাট-রামপাল-মোংলা নিয়ে বাগেরহাট-২ এবং কচুয়া - মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা নিয়ে বাগেরহাট-৩ গঠন করা হয়েছে। ১৯৬৯ সাল থেকে এ জেলায় চারটি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল।