287628
শিরোনামঃ
জুড়ীতে ২৮২ শতক জমি দখলের পাঁয়তারা, আতঙ্কে ১৭ পরিবার, অপকর্ম ঢাকতে সংবাদ সম্মেলন ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল

চিলমারীতে আগাম শীতের কারণে ঠান্ডা জনিত রোগী বৃদ্ধি

#
news image

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আগাম শীতের আগমনে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এসব রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। হঠাৎ করে আবহাওয়া ঠান্ডা হয়ে যাওয়ায় জ্বর,সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার মতো রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

জানা গেছে,হঠাৎ করে শীত নেমে আসায় গত এক সপ্তাহে ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা নিয়েছেন ৪৪ জন রোগী। এর মধ্যে বেশির ভাগই শিশু।অপরদিকে হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসছেন দুই শতাধিক রোগী। এর মধ্যে সোমবার ১৭ নভেম্বর আইএমসিআই কর্নার থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ৩৫ শিশু ঠান্ডাজনিত সমস্যার সেবা নিয়েছে।

সরেজমিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্হিবিভাগ ঘুরে দেখা গেছে, ঠান্ডা জনিত সমস্যা নিয়ে শতাধিক রোগী ভিড় করছেন। এদের অনেকে জানান, শীতের আগাম প্রকোপে শিশুদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও নিউমোনিয়ার লক্ষণ বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেক বয়স্ক রোগীরও পূর্বের হাঁপানি ও এজমার সমস্যা বেড়ে গেছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু নুর মোস্তফার মা নারগিস বেগম বলেন,‘হঠাৎ ছেলের জ্বর ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ঠান্ডা লাগার কারণে সমস্যা বাড়ছে। দুই দিন ধরে হাসপাতালে আছি। এখন কিছুটা সুস্থ আছে।’

পাত্রখাতা থেকে আসা রোগী তাসলিমা বেগম (৫৫) জানান, এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছি। আজ হাসপাতালে এসে ডাক্তার রক্ত পরীক্ষা করাতে বলেছেন।’

চিকিৎসকরা বলছেন, ঠান্ডাজনিত রোগ প্রতিরোধে শিশুদের উষ্ণ রাখতে হবে, নাক পরিষ্কার রাখতে হবে এবং বদ্ধ ঘরে না রেখে বাতাস চলাচল করে এমন পরিবেশে রাখতে হবে। শ্বাসকষ্ট বাড়লে বা শিশুর খাওয়ায় সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন তারা।

চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আবু রায়হান বলেন,‘এ সময় ঠান্ডাজনিত রোগী বাড়ছে। বিশেষ করে নবজাতক, শিশু এবং যাদের এজমা আছে তারা বেশি ঝুঁকিতে। তাই বাইরে গেলে গরম পোশাক পরতে হবে এবং ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল এড়িয়ে চলতে হবে।’

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

১৭-১১-২০২৫ বিকাল ৫:১৮

news image

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আগাম শীতের আগমনে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এসব রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। হঠাৎ করে আবহাওয়া ঠান্ডা হয়ে যাওয়ায় জ্বর,সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার মতো রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

জানা গেছে,হঠাৎ করে শীত নেমে আসায় গত এক সপ্তাহে ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা নিয়েছেন ৪৪ জন রোগী। এর মধ্যে বেশির ভাগই শিশু।অপরদিকে হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসছেন দুই শতাধিক রোগী। এর মধ্যে সোমবার ১৭ নভেম্বর আইএমসিআই কর্নার থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ৩৫ শিশু ঠান্ডাজনিত সমস্যার সেবা নিয়েছে।

সরেজমিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্হিবিভাগ ঘুরে দেখা গেছে, ঠান্ডা জনিত সমস্যা নিয়ে শতাধিক রোগী ভিড় করছেন। এদের অনেকে জানান, শীতের আগাম প্রকোপে শিশুদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও নিউমোনিয়ার লক্ষণ বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেক বয়স্ক রোগীরও পূর্বের হাঁপানি ও এজমার সমস্যা বেড়ে গেছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু নুর মোস্তফার মা নারগিস বেগম বলেন,‘হঠাৎ ছেলের জ্বর ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ঠান্ডা লাগার কারণে সমস্যা বাড়ছে। দুই দিন ধরে হাসপাতালে আছি। এখন কিছুটা সুস্থ আছে।’

পাত্রখাতা থেকে আসা রোগী তাসলিমা বেগম (৫৫) জানান, এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছি। আজ হাসপাতালে এসে ডাক্তার রক্ত পরীক্ষা করাতে বলেছেন।’

চিকিৎসকরা বলছেন, ঠান্ডাজনিত রোগ প্রতিরোধে শিশুদের উষ্ণ রাখতে হবে, নাক পরিষ্কার রাখতে হবে এবং বদ্ধ ঘরে না রেখে বাতাস চলাচল করে এমন পরিবেশে রাখতে হবে। শ্বাসকষ্ট বাড়লে বা শিশুর খাওয়ায় সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন তারা।

চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আবু রায়হান বলেন,‘এ সময় ঠান্ডাজনিত রোগী বাড়ছে। বিশেষ করে নবজাতক, শিশু এবং যাদের এজমা আছে তারা বেশি ঝুঁকিতে। তাই বাইরে গেলে গরম পোশাক পরতে হবে এবং ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল এড়িয়ে চলতে হবে।’