চিলমারীতে আগাম শীতের কারণে ঠান্ডা জনিত রোগী বৃদ্ধি
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
১৭-১১-২০২৫ বিকাল ৫:১৮
চিলমারীতে আগাম শীতের কারণে ঠান্ডা জনিত রোগী বৃদ্ধি
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আগাম শীতের আগমনে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এসব রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। হঠাৎ করে আবহাওয়া ঠান্ডা হয়ে যাওয়ায় জ্বর,সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার মতো রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
জানা গেছে,হঠাৎ করে শীত নেমে আসায় গত এক সপ্তাহে ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা নিয়েছেন ৪৪ জন রোগী। এর মধ্যে বেশির ভাগই শিশু।অপরদিকে হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসছেন দুই শতাধিক রোগী। এর মধ্যে সোমবার ১৭ নভেম্বর আইএমসিআই কর্নার থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ৩৫ শিশু ঠান্ডাজনিত সমস্যার সেবা নিয়েছে।
সরেজমিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্হিবিভাগ ঘুরে দেখা গেছে, ঠান্ডা জনিত সমস্যা নিয়ে শতাধিক রোগী ভিড় করছেন। এদের অনেকে জানান, শীতের আগাম প্রকোপে শিশুদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও নিউমোনিয়ার লক্ষণ বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেক বয়স্ক রোগীরও পূর্বের হাঁপানি ও এজমার সমস্যা বেড়ে গেছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু নুর মোস্তফার মা নারগিস বেগম বলেন,‘হঠাৎ ছেলের জ্বর ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ঠান্ডা লাগার কারণে সমস্যা বাড়ছে। দুই দিন ধরে হাসপাতালে আছি। এখন কিছুটা সুস্থ আছে।’
পাত্রখাতা থেকে আসা রোগী তাসলিমা বেগম (৫৫) জানান, এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছি। আজ হাসপাতালে এসে ডাক্তার রক্ত পরীক্ষা করাতে বলেছেন।’
চিকিৎসকরা বলছেন, ঠান্ডাজনিত রোগ প্রতিরোধে শিশুদের উষ্ণ রাখতে হবে, নাক পরিষ্কার রাখতে হবে এবং বদ্ধ ঘরে না রেখে বাতাস চলাচল করে এমন পরিবেশে রাখতে হবে। শ্বাসকষ্ট বাড়লে বা শিশুর খাওয়ায় সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন তারা।
চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আবু রায়হান বলেন,‘এ সময় ঠান্ডাজনিত রোগী বাড়ছে। বিশেষ করে নবজাতক, শিশু এবং যাদের এজমা আছে তারা বেশি ঝুঁকিতে। তাই বাইরে গেলে গরম পোশাক পরতে হবে এবং ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল এড়িয়ে চলতে হবে।’
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
১৭-১১-২০২৫ বিকাল ৫:১৮
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আগাম শীতের আগমনে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এসব রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। হঠাৎ করে আবহাওয়া ঠান্ডা হয়ে যাওয়ায় জ্বর,সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার মতো রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
জানা গেছে,হঠাৎ করে শীত নেমে আসায় গত এক সপ্তাহে ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা নিয়েছেন ৪৪ জন রোগী। এর মধ্যে বেশির ভাগই শিশু।অপরদিকে হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসছেন দুই শতাধিক রোগী। এর মধ্যে সোমবার ১৭ নভেম্বর আইএমসিআই কর্নার থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ৩৫ শিশু ঠান্ডাজনিত সমস্যার সেবা নিয়েছে।
সরেজমিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্হিবিভাগ ঘুরে দেখা গেছে, ঠান্ডা জনিত সমস্যা নিয়ে শতাধিক রোগী ভিড় করছেন। এদের অনেকে জানান, শীতের আগাম প্রকোপে শিশুদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও নিউমোনিয়ার লক্ষণ বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেক বয়স্ক রোগীরও পূর্বের হাঁপানি ও এজমার সমস্যা বেড়ে গেছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু নুর মোস্তফার মা নারগিস বেগম বলেন,‘হঠাৎ ছেলের জ্বর ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ঠান্ডা লাগার কারণে সমস্যা বাড়ছে। দুই দিন ধরে হাসপাতালে আছি। এখন কিছুটা সুস্থ আছে।’
পাত্রখাতা থেকে আসা রোগী তাসলিমা বেগম (৫৫) জানান, এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছি। আজ হাসপাতালে এসে ডাক্তার রক্ত পরীক্ষা করাতে বলেছেন।’
চিকিৎসকরা বলছেন, ঠান্ডাজনিত রোগ প্রতিরোধে শিশুদের উষ্ণ রাখতে হবে, নাক পরিষ্কার রাখতে হবে এবং বদ্ধ ঘরে না রেখে বাতাস চলাচল করে এমন পরিবেশে রাখতে হবে। শ্বাসকষ্ট বাড়লে বা শিশুর খাওয়ায় সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন তারা।
চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আবু রায়হান বলেন,‘এ সময় ঠান্ডাজনিত রোগী বাড়ছে। বিশেষ করে নবজাতক, শিশু এবং যাদের এজমা আছে তারা বেশি ঝুঁকিতে। তাই বাইরে গেলে গরম পোশাক পরতে হবে এবং ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল এড়িয়ে চলতে হবে।’