287628
শিরোনামঃ
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা মোজতবা খামেনি হচ্ছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা ইসরাইলের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা শুরু ইরানের ইরানে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলেন ডাক্তার শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ চলে গেলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান মিন্টু কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর

সিরাজগঞ্জে কাইশা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে চরাঞ্চলের মানুষ

#
news image

বন্যা শেষে যমুনার বুক জুড়ে জেগে ওঠা বিশাল পলিমাটি যুক্ত চরে বিনাচাষে গজিয়েছে কাইশা ঘাস। বন্যার পানি নেমে যাবার সাথে সাথে সিরাজগঞ্জের যমুনা বেষ্ঠিত উপজেলাগুলোর বিশাল চরাঞ্চলজুড়ে শোভা পাচ্ছে কাইশার সবুজ রঙ। এই কাইশা ক্ষেতের সবুজ ধীরে ধীরে বিবর্ণ হয়ে সোনালী রঙ ধরতে শুরু করেছে। চরাঞ্চলের দরিদ্র মানুষগুলো এই কাইশা সংগ্রহ করে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে।

বন্যার পানি নেমে যাবার কিছুদিন পর কাইশাগুলো যখন এক থেকে দেড়ফুট লম্বা হয় তখন থেকেই কৃষকেরা তা সংগ্রহ করে পশুখাদ্য হিসেবে বাজারে বিক্রি শুরু করেছে। চরের কিশোর, কিশোরী, ছেলে, বুড়ো, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা সবাই কমবেশি নিজেদের প্রয়োজনে কাইশাগুলো কেটে গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে। বাজারেও এর বেশ চাহিদা রয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে কাইশাগুলো। হেমন্তে তাতে ফুল আসে। তখন পুরো চরকে মনে হয় একখন্ড সাদা আকাশ। ছোট কাইশা কেটে আঁটি বেঁধে দিনশেষে সেগুলো মাথায় করে বা ঘোড়ার গাড়িতে করে বয়ে নদীর ঘাটে নিয়ে আসে। পরে নৌকায় তুলে যমুনার পাড়ি দিয়ে বাড়ি ফেরে। এক সপ্তাহ শুকানোর পরে কাইশা তারা বিক্রি করেন। শুকনো কাইশা তারা স্থানীয় হাটে বাজারে বিক্রি করে বিশ টাকা পান।

ছোট কাইশাগুলো গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হলেও বড় কাইশাগুলো চরাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের ঘরের বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা হয়। চর এলাকার অধিকাংশ মানুষই এইগুলো দিয়ে ঘরের বেড়া বা বাড়ির চারপাশে বেড়া দিয়ে থাকে।

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

১৭-১১-২০২৫ বিকাল ৬:৩৩

news image

বন্যা শেষে যমুনার বুক জুড়ে জেগে ওঠা বিশাল পলিমাটি যুক্ত চরে বিনাচাষে গজিয়েছে কাইশা ঘাস। বন্যার পানি নেমে যাবার সাথে সাথে সিরাজগঞ্জের যমুনা বেষ্ঠিত উপজেলাগুলোর বিশাল চরাঞ্চলজুড়ে শোভা পাচ্ছে কাইশার সবুজ রঙ। এই কাইশা ক্ষেতের সবুজ ধীরে ধীরে বিবর্ণ হয়ে সোনালী রঙ ধরতে শুরু করেছে। চরাঞ্চলের দরিদ্র মানুষগুলো এই কাইশা সংগ্রহ করে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে।

বন্যার পানি নেমে যাবার কিছুদিন পর কাইশাগুলো যখন এক থেকে দেড়ফুট লম্বা হয় তখন থেকেই কৃষকেরা তা সংগ্রহ করে পশুখাদ্য হিসেবে বাজারে বিক্রি শুরু করেছে। চরের কিশোর, কিশোরী, ছেলে, বুড়ো, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা সবাই কমবেশি নিজেদের প্রয়োজনে কাইশাগুলো কেটে গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে। বাজারেও এর বেশ চাহিদা রয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে কাইশাগুলো। হেমন্তে তাতে ফুল আসে। তখন পুরো চরকে মনে হয় একখন্ড সাদা আকাশ। ছোট কাইশা কেটে আঁটি বেঁধে দিনশেষে সেগুলো মাথায় করে বা ঘোড়ার গাড়িতে করে বয়ে নদীর ঘাটে নিয়ে আসে। পরে নৌকায় তুলে যমুনার পাড়ি দিয়ে বাড়ি ফেরে। এক সপ্তাহ শুকানোর পরে কাইশা তারা বিক্রি করেন। শুকনো কাইশা তারা স্থানীয় হাটে বাজারে বিক্রি করে বিশ টাকা পান।

ছোট কাইশাগুলো গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হলেও বড় কাইশাগুলো চরাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের ঘরের বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা হয়। চর এলাকার অধিকাংশ মানুষই এইগুলো দিয়ে ঘরের বেড়া বা বাড়ির চারপাশে বেড়া দিয়ে থাকে।