287628
শিরোনামঃ
‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল মুখোমুখি নয়, পরোক্ষ আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

লালমনিরহাটে সম্পূর্ণ যোগ্যতার ভিত্তিতে টিআরসি পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

#
news image

“চাকরি নয়, সেবা”—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে লালমনিরহাট জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে জুন-২০২৫ এ ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ এ প্রক্রিয়ায় ১৭ জন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং ৩ জনকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোট ১,৮৪৪ জন আবেদনকারী অংশ নেন। প্রথম দিনে অংশ নেন ১,১৭৫ জন, উত্তীর্ণ হন ৮৬০ জন। দ্বিতীয় দিনে অংশগ্রহণ করেন ৮৪১ জন, উত্তীর্ণ হন ৫০৫ জন। তৃতীয় দিনে অংশগ্রহণ করেন ৪৯৭ জন, এর মধ্যে উত্তীর্ণ হন ৩৬৪ জন। পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৩৬২ জন, যেখানে উত্তীর্ণ হন ৪৬ জন প্রার্থী। সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত হন ১৭ জন, আর অপেক্ষমাণ রাখা হয় ৩ জনকে।

১২ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সকালে মৌখিক পরীক্ষা শেষে, সন্ধ্যায়, পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম। তিনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিয়োগ কার্যক্রমের প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেন। এ সময় তিনি নির্বাচিতদের হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন কৃষক, দিনমজুর, পান দোকানি, ড্রাইভার, শ্রমিক ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর সন্তানরা। তাদের মধ্যে দুইজন মেয়ে প্রার্থীও চাকরি পেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মাত্র ১২০ টাকার ফি দিয়েই এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, এই নিয়োগ কার্যক্রম শতভাগ স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কোনো ধরনের ঘুষ বা প্রভাবের সুযোগ রাখা হয়নি। দরিদ্র পরিবারের মেধাবী সন্তানরা এ নিয়োগের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে, সততা ও যোগ্যতা দিয়েই চাকরি পাওয়া সম্ভব।”

প্রার্থীদের আনন্দে এখন গ্রাম থেকে শহরে বইছে উৎসবের আমেজ। অনেক পরিবারের চোখে জল, মনে স্বপ্ন—কারণ তাদের সন্তান আজ দেশের সেবায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলো।

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি

১৩-৯-২০২৫ দুপুর ১০:২৭

news image

“চাকরি নয়, সেবা”—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে লালমনিরহাট জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে জুন-২০২৫ এ ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ এ প্রক্রিয়ায় ১৭ জন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং ৩ জনকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোট ১,৮৪৪ জন আবেদনকারী অংশ নেন। প্রথম দিনে অংশ নেন ১,১৭৫ জন, উত্তীর্ণ হন ৮৬০ জন। দ্বিতীয় দিনে অংশগ্রহণ করেন ৮৪১ জন, উত্তীর্ণ হন ৫০৫ জন। তৃতীয় দিনে অংশগ্রহণ করেন ৪৯৭ জন, এর মধ্যে উত্তীর্ণ হন ৩৬৪ জন। পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৩৬২ জন, যেখানে উত্তীর্ণ হন ৪৬ জন প্রার্থী। সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত হন ১৭ জন, আর অপেক্ষমাণ রাখা হয় ৩ জনকে।

১২ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সকালে মৌখিক পরীক্ষা শেষে, সন্ধ্যায়, পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম। তিনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিয়োগ কার্যক্রমের প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেন। এ সময় তিনি নির্বাচিতদের হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন কৃষক, দিনমজুর, পান দোকানি, ড্রাইভার, শ্রমিক ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর সন্তানরা। তাদের মধ্যে দুইজন মেয়ে প্রার্থীও চাকরি পেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মাত্র ১২০ টাকার ফি দিয়েই এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, এই নিয়োগ কার্যক্রম শতভাগ স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কোনো ধরনের ঘুষ বা প্রভাবের সুযোগ রাখা হয়নি। দরিদ্র পরিবারের মেধাবী সন্তানরা এ নিয়োগের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে, সততা ও যোগ্যতা দিয়েই চাকরি পাওয়া সম্ভব।”

প্রার্থীদের আনন্দে এখন গ্রাম থেকে শহরে বইছে উৎসবের আমেজ। অনেক পরিবারের চোখে জল, মনে স্বপ্ন—কারণ তাদের সন্তান আজ দেশের সেবায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলো।