287628
শিরোনামঃ
জুড়ীতে ২৮২ শতক জমি দখলের পাঁয়তারা, আতঙ্কে ১৭ পরিবার, অপকর্ম ঢাকতে সংবাদ সম্মেলন ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল

সারাদেশে শব্দ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিযান

#
news image

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এবং শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ অনুসারে আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে পরিবেশ অধিদপ্তর দেশব্যাপী একাধিক মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে।

রাজধানীর গুলশান-২ এর চলমান একটি কনস্ট্রাকশন বিল্ডিং-এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পাইলিং কাজ চলাকালে শব্দমাত্রা ৯০.৩ ডেসিবল রেকর্ড করা হয়, যা বিধি অনুযায়ী সীমাতিরিক্ত। ফলে শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ এর ধারা ৭ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এ ছাড়াও, সুপারভাইজারকে আইন অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার পর শব্দসৃষ্টিকারী যন্ত্র ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করা হয়।

একই দিনে ঢাকা মহানগরের টিকাটুলি এলাকায় কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। স্মোক অপাসিটি মিটার দ্বারা ৫টি ডিজেল চালিত বাস/কোচের গ্যাসীয় নিঃসরণ পরিমাপ করা হয়। এর মধ্যে একটি বাস মানমাত্রার অধিক ধোঁয়া নির্গমন করায় ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

উক্ত অভিযান পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তর সদর দপ্তরের মনিটরিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট উইং-এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সিনিয়র সহকারী সচিব খায়রুন্নাহার। প্রসিকিউশনের দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা মহানগর কার্যালয়ের পরিদর্শক মোঃ মনিরউদ্দিন আহাম্মদ। অভিযানে পুলিশ বাহিনীর সদস্য এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া একই তারিখে মানিকগঞ্জে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আল-মুনতাসির মামুন মনি এঁর নেতৃত্বে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জায়গীর উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ এর ৮(১) বিধি লঙ্ঘনের দায়ে ৪টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয় এবং ১০ টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়। মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশনের দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মনোয়ারুল ইসলাম।

জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় শব্দ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩-৯-২০২৫ বিকাল ৬:৫১

news image

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এবং শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ অনুসারে আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে পরিবেশ অধিদপ্তর দেশব্যাপী একাধিক মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে।

রাজধানীর গুলশান-২ এর চলমান একটি কনস্ট্রাকশন বিল্ডিং-এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পাইলিং কাজ চলাকালে শব্দমাত্রা ৯০.৩ ডেসিবল রেকর্ড করা হয়, যা বিধি অনুযায়ী সীমাতিরিক্ত। ফলে শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ এর ধারা ৭ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এ ছাড়াও, সুপারভাইজারকে আইন অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার পর শব্দসৃষ্টিকারী যন্ত্র ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করা হয়।

একই দিনে ঢাকা মহানগরের টিকাটুলি এলাকায় কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। স্মোক অপাসিটি মিটার দ্বারা ৫টি ডিজেল চালিত বাস/কোচের গ্যাসীয় নিঃসরণ পরিমাপ করা হয়। এর মধ্যে একটি বাস মানমাত্রার অধিক ধোঁয়া নির্গমন করায় ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

উক্ত অভিযান পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তর সদর দপ্তরের মনিটরিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট উইং-এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সিনিয়র সহকারী সচিব খায়রুন্নাহার। প্রসিকিউশনের দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা মহানগর কার্যালয়ের পরিদর্শক মোঃ মনিরউদ্দিন আহাম্মদ। অভিযানে পুলিশ বাহিনীর সদস্য এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া একই তারিখে মানিকগঞ্জে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আল-মুনতাসির মামুন মনি এঁর নেতৃত্বে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জায়গীর উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ এর ৮(১) বিধি লঙ্ঘনের দায়ে ৪টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয় এবং ১০ টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়। মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশনের দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মনোয়ারুল ইসলাম।

জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় শব্দ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।