287628
শিরোনামঃ
জুড়ীতে ২৮২ শতক জমি দখলের পাঁয়তারা, আতঙ্কে ১৭ পরিবার, অপকর্ম ঢাকতে সংবাদ সম্মেলন ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল

ধর্মের অপব্যাখ্যা করে বিশৃঙ্খলা তৈরির সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না --ধর্ম উপদেষ্টা

#
news image

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, ধর্মের অপব্যাখ্যা করে বিশৃঙ্খলা তৈরির সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না। ধর্মের বিষয়ে শুধু প্রকৃত আলেম-ওলামাদের ব্যাখ্যায় গ্রহণযোগ্য। কোনো অপব্যাখ্যাকে গ্রহণ করা হবে না।

আজ দুপুরে বরিশালে ঐতিহাসিক চরমোনাই বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, আপনারা নিশ্চয় খেয়াল করেছেন বিভিন্ন সময়ে যারা ধর্ম নিয়ে, আল্লাহ ও রাসুল নিয়ে আপত্তিকর কথা বলেছে তাদেরকে

আমরা যথাদ্রুত সম্ভব আইনের আওতায় নিয়ে এসেছি। আগামীতেও যদি বাংলার মাটিতে আল্লাহ, রাসূল, কোরআন নিয়ে কোনো কটূক্তি করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

ধর্ম উপদেষ্টা আরো বলেন, আমরা কোনক্রমেই আইন হাতে তুলে নেব না। আইন হাতে তুলে নিলে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। আইনকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হবে। কেউ কোনো অন্যায় করলে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিলে তার জন্য প্রশাসন রয়েছে। তিনি সকলকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার অনুরোধ জানান।

ড. খালিদ বলেন, আলেম-ওলামা, পীর, মাশায়েখরা শতশত বছর ধরে ইসলামি ভাবধারা জাগরণ ও ইসলামি মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছেন। এখনও করে যাচ্ছেন। আলেম-ওলামাদের মেহনত কখনও ব্যর্থ হয়না। আগামীদিনেও বর্থ হবে না।  

চরমোনাইয়ের স্মৃতিচারণ করে ড. খালিদ বলেন, আমি বহুবার এই ময়দানে এসেছি। এখানে মানুষ আসে দ্বীনের খোরাকের জন্য। এখানে কোনো শিরক, বেদাত নাই। এখানে সুন্নতের ওপর আমল করা হয়। তিনি বলেন, এদেশের মানুষ সত্যিকার ইসলামকে গ্রহণ করে, জানতে চান, মানতে চান, তাদের মধ্যে আল্লাহ ভীতি আছে।

উপদেষ্টা বলেন, একটি সুযোগ এসেছে ৫৪ বছর পর। সুযোগ বারবার আসে না। একে অন্যের হাত ধরুন। সবাই ঐক্যবদ্ধ হোন। খোলাফায়ে রাশেদীনের আদলে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে সবাইকে একতাবদ্ধ হতে হবে। সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান তিনি।

চরমোনাই দরবার শরীফের পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে এতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গর্ভনরসের সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, ওলামা-মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাধারণ মুফতি রেজাউল করিম আবরারসহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।

এর আগে উপদেষ্টা চরমোনাই মাদ্রাসা সভাকক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলার কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭-১১-২০২৫ রাত ৯:৫২

news image

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, ধর্মের অপব্যাখ্যা করে বিশৃঙ্খলা তৈরির সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না। ধর্মের বিষয়ে শুধু প্রকৃত আলেম-ওলামাদের ব্যাখ্যায় গ্রহণযোগ্য। কোনো অপব্যাখ্যাকে গ্রহণ করা হবে না।

আজ দুপুরে বরিশালে ঐতিহাসিক চরমোনাই বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, আপনারা নিশ্চয় খেয়াল করেছেন বিভিন্ন সময়ে যারা ধর্ম নিয়ে, আল্লাহ ও রাসুল নিয়ে আপত্তিকর কথা বলেছে তাদেরকে

আমরা যথাদ্রুত সম্ভব আইনের আওতায় নিয়ে এসেছি। আগামীতেও যদি বাংলার মাটিতে আল্লাহ, রাসূল, কোরআন নিয়ে কোনো কটূক্তি করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

ধর্ম উপদেষ্টা আরো বলেন, আমরা কোনক্রমেই আইন হাতে তুলে নেব না। আইন হাতে তুলে নিলে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। আইনকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হবে। কেউ কোনো অন্যায় করলে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিলে তার জন্য প্রশাসন রয়েছে। তিনি সকলকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার অনুরোধ জানান।

ড. খালিদ বলেন, আলেম-ওলামা, পীর, মাশায়েখরা শতশত বছর ধরে ইসলামি ভাবধারা জাগরণ ও ইসলামি মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছেন। এখনও করে যাচ্ছেন। আলেম-ওলামাদের মেহনত কখনও ব্যর্থ হয়না। আগামীদিনেও বর্থ হবে না।  

চরমোনাইয়ের স্মৃতিচারণ করে ড. খালিদ বলেন, আমি বহুবার এই ময়দানে এসেছি। এখানে মানুষ আসে দ্বীনের খোরাকের জন্য। এখানে কোনো শিরক, বেদাত নাই। এখানে সুন্নতের ওপর আমল করা হয়। তিনি বলেন, এদেশের মানুষ সত্যিকার ইসলামকে গ্রহণ করে, জানতে চান, মানতে চান, তাদের মধ্যে আল্লাহ ভীতি আছে।

উপদেষ্টা বলেন, একটি সুযোগ এসেছে ৫৪ বছর পর। সুযোগ বারবার আসে না। একে অন্যের হাত ধরুন। সবাই ঐক্যবদ্ধ হোন। খোলাফায়ে রাশেদীনের আদলে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে সবাইকে একতাবদ্ধ হতে হবে। সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান তিনি।

চরমোনাই দরবার শরীফের পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে এতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গর্ভনরসের সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, ওলামা-মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাধারণ মুফতি রেজাউল করিম আবরারসহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।

এর আগে উপদেষ্টা চরমোনাই মাদ্রাসা সভাকক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলার কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।