287628

এমন সংকটকালেও আমার দেশে ফেরা একক সিদ্ধান্ত নয়: তারেক রহমান

#
news image

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দেশজুড়ে দোয়া চলছে। প্রধান উপদেষ্টাও তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে সর্বাত্মক চিকিৎসা-সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পর থেকে তারেক রহমানের দেশের ফেরার বিষয়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই বিষয়ে শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করেছেন তিনি।

খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্খা যে কোন সন্তানের মত আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মত এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’

পোস্টে তার মায়ের জন্য দোয়া ও চিকিৎসার সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘দেশ-বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মত তাদের উচ্চমানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকত সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন। বন্ধু প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্খা ব্যক্ত করা হয়েছে।

সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।’

অনলাইন ডেস্ক

২৯-১১-২০২৫ দুপুর ১০:১২

news image

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দেশজুড়ে দোয়া চলছে। প্রধান উপদেষ্টাও তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে সর্বাত্মক চিকিৎসা-সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পর থেকে তারেক রহমানের দেশের ফেরার বিষয়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই বিষয়ে শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করেছেন তিনি।

খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্খা যে কোন সন্তানের মত আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মত এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’

পোস্টে তার মায়ের জন্য দোয়া ও চিকিৎসার সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘দেশ-বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মত তাদের উচ্চমানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকত সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন। বন্ধু প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্খা ব্যক্ত করা হয়েছে।

সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।’