287628
শিরোনামঃ
জুড়ীতে ২৮২ শতক জমি দখলের পাঁয়তারা, আতঙ্কে ১৭ পরিবার, অপকর্ম ঢাকতে সংবাদ সম্মেলন ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল

লালমনিরহাটে যুবদলের ভাসমান সেতুতে মিলছে দীর্ঘ ভোগান্তির সমাধান

#
news image

লালমনিরহাটের সতী নদীর ওপর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত ভাসমান সেতু স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করায় এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন এলাকাবাসী।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে জেলা সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের মধুরাম এলাকায় সেতুটির উদ্বোধন করেন বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে সতী নদী। ব্রিজ না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে ডিঙি নৌকায় পারাপার হতে হতো স্থানীয়দের। ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি), শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ প্রয়োজনীয় স্থানে যেতে চার-পাঁচ কিলোমিটার ঘুরতে হতো চারটি গ্রামের বাসিন্দাদের । কৃষি, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে দুর্ভোগ ছিল নিত্যসঙ্গী। এই দীর্ঘদিনের সমস্যা লাঘবে জেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাশ্রমে ভাসমান সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেন। তিস্তা নদীর পানির ওঠা-নামার সঙ্গে সতী নদীর পানি ওঠা-নামা করায় বাঁশ বা কাঠের স্থায়ী সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়নি।  তাই ড্রাম, বাঁশ ও কাঠ ব্যবহার করে ৮০ মিটার দীর্ঘ ভাসমান সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি এখন যোগাযোগের পাশাপাশি পর্যটকদেরও দৃষ্টি কাড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আজগার আলী বলেন, এখন আর ঘুরে যেতে হয় না। ধান-গম-ভুট্টা ঘরে তুলতে আগের মতো কষ্ট করতে হচ্ছে না। যুবদল নিজ উদ্যোগে সেতু বানিয়ে আমাদের বড় উপকার করেছে।গৃহিণী আনিচা বেগম বলেন, আগে বাচ্চাদের অনেক ঘুরে স্কুলে যেতে হতো। এখন আর সেই কষ্ট নেই। আমরা খুব উপকার পেয়েছি।

রাজপুর ইউনিয়ন যুবদলের সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজের দাবি করেও কোনো সাড়া পাইনি। তাই আমরা নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমে সেতুটি নির্মাণ করেছি। জেলা যুবদলের সভাপতি আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, তিস্তার পানি বৃদ্ধি–হ্রাসের কারণে ভাসমান সেতুই ছিল একমাত্র কার্যকর সমাধান। এতে দুই পাড়ের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে দুলু বলেন, মানুষের কষ্ট কমানো বিএনপির মূল লক্ষ্য। যুবদলের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয় । বিএনপি ক্ষমতায় এলে এখানে স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা হবে।

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি

২৯-১১-২০২৫ দুপুর ১০:৫৫

news image

লালমনিরহাটের সতী নদীর ওপর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত ভাসমান সেতু স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করায় এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন এলাকাবাসী।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে জেলা সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের মধুরাম এলাকায় সেতুটির উদ্বোধন করেন বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে সতী নদী। ব্রিজ না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে ডিঙি নৌকায় পারাপার হতে হতো স্থানীয়দের। ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি), শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ প্রয়োজনীয় স্থানে যেতে চার-পাঁচ কিলোমিটার ঘুরতে হতো চারটি গ্রামের বাসিন্দাদের । কৃষি, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে দুর্ভোগ ছিল নিত্যসঙ্গী। এই দীর্ঘদিনের সমস্যা লাঘবে জেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাশ্রমে ভাসমান সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেন। তিস্তা নদীর পানির ওঠা-নামার সঙ্গে সতী নদীর পানি ওঠা-নামা করায় বাঁশ বা কাঠের স্থায়ী সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়নি।  তাই ড্রাম, বাঁশ ও কাঠ ব্যবহার করে ৮০ মিটার দীর্ঘ ভাসমান সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি এখন যোগাযোগের পাশাপাশি পর্যটকদেরও দৃষ্টি কাড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আজগার আলী বলেন, এখন আর ঘুরে যেতে হয় না। ধান-গম-ভুট্টা ঘরে তুলতে আগের মতো কষ্ট করতে হচ্ছে না। যুবদল নিজ উদ্যোগে সেতু বানিয়ে আমাদের বড় উপকার করেছে।গৃহিণী আনিচা বেগম বলেন, আগে বাচ্চাদের অনেক ঘুরে স্কুলে যেতে হতো। এখন আর সেই কষ্ট নেই। আমরা খুব উপকার পেয়েছি।

রাজপুর ইউনিয়ন যুবদলের সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজের দাবি করেও কোনো সাড়া পাইনি। তাই আমরা নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমে সেতুটি নির্মাণ করেছি। জেলা যুবদলের সভাপতি আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, তিস্তার পানি বৃদ্ধি–হ্রাসের কারণে ভাসমান সেতুই ছিল একমাত্র কার্যকর সমাধান। এতে দুই পাড়ের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে দুলু বলেন, মানুষের কষ্ট কমানো বিএনপির মূল লক্ষ্য। যুবদলের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয় । বিএনপি ক্ষমতায় এলে এখানে স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা হবে।