287628
শিরোনামঃ
জুড়ীতে ২৮২ শতক জমি দখলের পাঁয়তারা, আতঙ্কে ১৭ পরিবার, অপকর্ম ঢাকতে সংবাদ সম্মেলন ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল

বেগুন ক্ষেতে মোজাইক ভাইরাস কৃষকের মাথায় হাত

#
news image

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে বানিজ্যিকভাবে চাষ করা বেগুন চাষে মোজাইক নামক এক ধরনের ভাইরাসের আক্রমণ দেখা দেয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। আশানুরূপ ফলন নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এদিকে এনজিওর লোনের টাকায় আবাদ করে ফলন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। তবে কৃষি অফিস থেকে রোগ প্রতিরোধে দেয়া হচ্ছে নানা ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা।  

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, নিচু জমি হওয়ায় বন্যার সময় পানি উঠেছিল। তবে নোনা পানি হওয়ায় এবার প্রায় সব ধরনের আবাদে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়া ভাইরাস ও পোকার আক্রমণে গাছের বাড়ন্ত কমে গেছে অনেকখানি। এছাড়া শীতের তীব্রতা বাড়লে বড় ধরনের ক্ষতির মূখে পড়তে হবে তাদের। এনজিওর লোনের টাকায় আবাদ করে কিস্তির টাকা পরিশোধ নিয়ে প্রতিনিয়ত দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে কৃষকদের।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন ক্ষেতের কিছু কিছু গাছের পাতা হলুদ হয়ে ঝড়ে পড়ছে। এছাড়াও বেগুন গাছ পুরোটাই হলদে হয়ে গেছে। মুলত এই গাছ গুলো মোজাইক ভাইরাসের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ। এছাড়াও চোষোক পোকার আক্রমণ রয়েছে৷ এর ফলে এ বছর বেগুনের আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না কৃষকদের। 

পাত্রখাতা এলাকার কৃষক মাজেদুল ইসলাম বলেন, ৩০ শতক জমিতে এবার লাগিয়েছেন বেগুন গাছ। এখন পর্যন্ত খরচ প্রায় ১০ হাজার টাকা। গত বছরে বেগুন চাষে লাভ হওয়ায় এবার দ্বিগুণ জায়গা জুড়ে বেগুনের চারা লাগিয়েছেন৷ তবে, এবার দেখা দিয়েছে পোকা ও ভাইরাসের আক্রমণ। ফলে ভালো ফলন নিয়ে পড়েছেন দুশ্চিন্তায়। 

সবুজ মিয়া নামে আরেক কৃষক জানান, এখন গাছে ফুল ধরেছে এই সময় যদি শীতের প্রকোপ বাড়ে, কুয়াশা পড়ে তাহলে গাছের বাড়ন্ত কমে যাবে। এতে ফলনও কমে যাবে। আমরা মুলত এনজিও থেকে লোন নিয়ে চাষাবাদ করছি লাভ না হলে খুব ক্ষতির মুখে পরে যাবো। উপার্জন না করতে পারলে বউ ছেলে মেয়েকে খাওয়াবো কি। 

এদিকে, কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, রবিবার জেলায় ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এখন প্রতিদিনই কুয়াশা পড়ছে। সামনে কুয়াশা ও ঠাণ্ডা আরও বাড়বে। তিনি আরও জানান, দিন দিন তাপমাত্রা কমে শীতের তীব্রতা বাড়ছে। 

চিলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান, কিছু কিছু বেগুন গাছে মোজাইক ভাইরাস রয়েছে। ভাইরাস কখনো ঠিক হয় না এবং কিছু চোষক পোকার মাধ্যমে এক গাছ থেকে আরেক গাছে ছড়ায়। এই ভাইরাস যুক্ত গাছ উপড়ে ফেলতে হবে এবং চোষোক পোকা যেমন জাব পোকা, সাদা মাছি, থ্রীপস দমনের জন্য ইমিডাক্লোরোপ্রীড গ্রুপের কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। আর সামনে এখন যদি শীতের তীব্রতা বাড়ে তাহলে চারা এবং বাড়ন্ত বেগুন গাছের বৃদ্ধি কমে যায়।

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

৮-১২-২০২৫ রাত ১০:৩৫

news image

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে বানিজ্যিকভাবে চাষ করা বেগুন চাষে মোজাইক নামক এক ধরনের ভাইরাসের আক্রমণ দেখা দেয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। আশানুরূপ ফলন নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এদিকে এনজিওর লোনের টাকায় আবাদ করে ফলন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। তবে কৃষি অফিস থেকে রোগ প্রতিরোধে দেয়া হচ্ছে নানা ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা।  

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, নিচু জমি হওয়ায় বন্যার সময় পানি উঠেছিল। তবে নোনা পানি হওয়ায় এবার প্রায় সব ধরনের আবাদে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়া ভাইরাস ও পোকার আক্রমণে গাছের বাড়ন্ত কমে গেছে অনেকখানি। এছাড়া শীতের তীব্রতা বাড়লে বড় ধরনের ক্ষতির মূখে পড়তে হবে তাদের। এনজিওর লোনের টাকায় আবাদ করে কিস্তির টাকা পরিশোধ নিয়ে প্রতিনিয়ত দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে কৃষকদের।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন ক্ষেতের কিছু কিছু গাছের পাতা হলুদ হয়ে ঝড়ে পড়ছে। এছাড়াও বেগুন গাছ পুরোটাই হলদে হয়ে গেছে। মুলত এই গাছ গুলো মোজাইক ভাইরাসের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ। এছাড়াও চোষোক পোকার আক্রমণ রয়েছে৷ এর ফলে এ বছর বেগুনের আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না কৃষকদের। 

পাত্রখাতা এলাকার কৃষক মাজেদুল ইসলাম বলেন, ৩০ শতক জমিতে এবার লাগিয়েছেন বেগুন গাছ। এখন পর্যন্ত খরচ প্রায় ১০ হাজার টাকা। গত বছরে বেগুন চাষে লাভ হওয়ায় এবার দ্বিগুণ জায়গা জুড়ে বেগুনের চারা লাগিয়েছেন৷ তবে, এবার দেখা দিয়েছে পোকা ও ভাইরাসের আক্রমণ। ফলে ভালো ফলন নিয়ে পড়েছেন দুশ্চিন্তায়। 

সবুজ মিয়া নামে আরেক কৃষক জানান, এখন গাছে ফুল ধরেছে এই সময় যদি শীতের প্রকোপ বাড়ে, কুয়াশা পড়ে তাহলে গাছের বাড়ন্ত কমে যাবে। এতে ফলনও কমে যাবে। আমরা মুলত এনজিও থেকে লোন নিয়ে চাষাবাদ করছি লাভ না হলে খুব ক্ষতির মুখে পরে যাবো। উপার্জন না করতে পারলে বউ ছেলে মেয়েকে খাওয়াবো কি। 

এদিকে, কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, রবিবার জেলায় ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এখন প্রতিদিনই কুয়াশা পড়ছে। সামনে কুয়াশা ও ঠাণ্ডা আরও বাড়বে। তিনি আরও জানান, দিন দিন তাপমাত্রা কমে শীতের তীব্রতা বাড়ছে। 

চিলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় জানান, কিছু কিছু বেগুন গাছে মোজাইক ভাইরাস রয়েছে। ভাইরাস কখনো ঠিক হয় না এবং কিছু চোষক পোকার মাধ্যমে এক গাছ থেকে আরেক গাছে ছড়ায়। এই ভাইরাস যুক্ত গাছ উপড়ে ফেলতে হবে এবং চোষোক পোকা যেমন জাব পোকা, সাদা মাছি, থ্রীপস দমনের জন্য ইমিডাক্লোরোপ্রীড গ্রুপের কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। আর সামনে এখন যদি শীতের তীব্রতা বাড়ে তাহলে চারা এবং বাড়ন্ত বেগুন গাছের বৃদ্ধি কমে যায়।