287628
শিরোনামঃ
জুড়ীতে ২৮২ শতক জমি দখলের পাঁয়তারা, আতঙ্কে ১৭ পরিবার, অপকর্ম ঢাকতে সংবাদ সম্মেলন ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল

লালমনিরহাট সীমান্তে ১৫ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় জিরা, কাপড় ও মাদক জব্দ

#
news image

লালমনিরহাট সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) এর গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা, কাপড় ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত পণ্যের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা।
 
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) সূত্র জানায়, গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ দিনে ও রাতে ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করা ভারতীয় পণ্য গোপনে সংরক্ষণ ও পরিবহনের চেষ্টা করা হচ্ছিল।
 
গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায়, কুড়িগ্রাম এলাকা থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যানে করে চোরাচালানি মালামাল ঢাকার দিকে নেওয়া হবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি সম্ভাব্য রুটে চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়িটি চ্যালেঞ্জ করে। পরে বিস্তারিত তল্লাশি চালিয়ে ভ্যানের ভেতর থেকে অবৈধ ভারতীয় জিরা ২ হাজার ৫১১ কেজি এবং ভারতীয় শাল-চাদর ১৮০টি জব্দ করা হয়। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজার মূল্য ২৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা।
 
এছাড়া, ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ চারটি বিওপি কর্তৃক পরিচালিত তিনটি পৃথক চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ১৩ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ১৪০ বোতল ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের মোট সিজার মূল্য ১ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
 
এ বিষয়ে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি বলেন, “পণ্য চোরাচালান জাতীয় অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এতে দেশীয় বাজারের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং সরকার ন্যায্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়। সীমান্ত নিরাপত্তা ও দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় বিজিবি নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা তৎপরতা ও চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করেছে।”
 
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও চোরাচালান ও মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দকৃত মালামালের সঙ্গে জড়িত চোরাকারবারীদের পরিচয় শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

২৫-১২-২০২৫ দুপুর ৪:২

news image

লালমনিরহাট সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) এর গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা, কাপড় ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত পণ্যের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা।
 
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) সূত্র জানায়, গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ দিনে ও রাতে ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করা ভারতীয় পণ্য গোপনে সংরক্ষণ ও পরিবহনের চেষ্টা করা হচ্ছিল।
 
গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায়, কুড়িগ্রাম এলাকা থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যানে করে চোরাচালানি মালামাল ঢাকার দিকে নেওয়া হবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি সম্ভাব্য রুটে চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়িটি চ্যালেঞ্জ করে। পরে বিস্তারিত তল্লাশি চালিয়ে ভ্যানের ভেতর থেকে অবৈধ ভারতীয় জিরা ২ হাজার ৫১১ কেজি এবং ভারতীয় শাল-চাদর ১৮০টি জব্দ করা হয়। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজার মূল্য ২৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা।
 
এছাড়া, ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ চারটি বিওপি কর্তৃক পরিচালিত তিনটি পৃথক চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ১৩ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ১৪০ বোতল ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের মোট সিজার মূল্য ১ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
 
এ বিষয়ে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি বলেন, “পণ্য চোরাচালান জাতীয় অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এতে দেশীয় বাজারের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং সরকার ন্যায্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়। সীমান্ত নিরাপত্তা ও দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় বিজিবি নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা তৎপরতা ও চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করেছে।”
 
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও চোরাচালান ও মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দকৃত মালামালের সঙ্গে জড়িত চোরাকারবারীদের পরিচয় শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।