এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা ; ১২ কেজি ১৩০৬ টাকা
নিজস্ব প্রতিনিধি
৪-১-২০২৬ বিকাল ৫:৪১
এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা ; ১২ কেজি ১৩০৬ টাকা
ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে বিইআরসি কার্যালয়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, “ঘোষিত দাম যে খুচরা পর্যায়ে মানা হবে, সে বিষয়ে নিঃসন্দেহে নিশ্চয়তা দিতে পারব না। তবে অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। তবে গত এক মাস ধরে এলপিজির সরবরাহ–সংকট চলছে। প্রতি সিলিন্ডারে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা।
খুচরা বাজারে অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। তিনি বলেন, “ভোক্তার ডিজির সঙ্গে আমি নিজে কথা বলেছি অভিযান বাড়ানোর জন্য। উৎপাদক পর্যায়ে বাড়তি দাম নেওয়ার অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জালাল আহমেদ আরও জানান, উৎপাদকরা বিইআরসি নির্ধারিত দামেই এলপিজি বিক্রি করছে। তিনি বলেন, “অভিযোগ যেন না ওঠে, সেটা আবার বলবো। সাপ্লাই সাইডে কিছু সমস্যা আছে, ঘাটতি আছে—এটা সত্য।”
নিজস্ব প্রতিনিধি
৪-১-২০২৬ বিকাল ৫:৪১
ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে বিইআরসি কার্যালয়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, “ঘোষিত দাম যে খুচরা পর্যায়ে মানা হবে, সে বিষয়ে নিঃসন্দেহে নিশ্চয়তা দিতে পারব না। তবে অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। তবে গত এক মাস ধরে এলপিজির সরবরাহ–সংকট চলছে। প্রতি সিলিন্ডারে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা।
খুচরা বাজারে অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। তিনি বলেন, “ভোক্তার ডিজির সঙ্গে আমি নিজে কথা বলেছি অভিযান বাড়ানোর জন্য। উৎপাদক পর্যায়ে বাড়তি দাম নেওয়ার অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জালাল আহমেদ আরও জানান, উৎপাদকরা বিইআরসি নির্ধারিত দামেই এলপিজি বিক্রি করছে। তিনি বলেন, “অভিযোগ যেন না ওঠে, সেটা আবার বলবো। সাপ্লাই সাইডে কিছু সমস্যা আছে, ঘাটতি আছে—এটা সত্য।”