মাদারীপুরে বাস–অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭
মাদারিপুর প্রতিনিধি
১৯-১-২০২৬ দুপুর ২:২৩
মাদারীপুরে বাস–অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭
মাদারীপুরে যাত্রীবাহী বাস ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের মিলগেট এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর টানা প্রায় তিন ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত বাসটি খাদ থেকে উদ্ধার করা হয়। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সার্বিক পরিবহন বাসের সুপারভাইজার পান্নু মুন্সি (৫০)। তিনি মাদারীপুর শহরের কলেজ রোড এলাকার নেছার উদ্দিন মুন্সির ছেলে। এছাড়া সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া এলাকার জসীম বেপারীর ছেলে সাগর বেপারী (২২) নিহত হন। তিনি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক ছিলেন।
দুর্ঘটনায় আরও প্রাণ হারান গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ভাঙ্গারহাট পাইকেরপাড়া গ্রামের দিনমজুর শেফালী বাড়ৈ (৪২), কামনা বিশ্বাস (৪১), দুলাল বাড়ৈ (৪৫), আভা বাড়ৈ (৫০) ও অনিতা বাড়ৈ (৪০)।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া সার্বিক পরিবহনের একটি বাস মিলগেট এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজন মারা যান। বাস উদ্ধার শেষে খাদ থেকে আরও দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় বাসের অন্তত পাঁচজন যাত্রী আহত হন। তাদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন আল রশিদ জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধার কাজে অংশ নেন। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বাসটি রাস্তার পাশের খাদে কাদা ও পানির মধ্যে পড়ে ছিল, যার কারণে উদ্ধার কাজে সময় লেগেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতিতে বাস চালানো এবং মহাসড়কে অবৈধভাবে চলাচলকারী অটোরিকশাকে পাশ দিতে গিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত জানা যাবে।
মাদারিপুর প্রতিনিধি
১৯-১-২০২৬ দুপুর ২:২৩
মাদারীপুরে যাত্রীবাহী বাস ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের মিলগেট এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর টানা প্রায় তিন ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত বাসটি খাদ থেকে উদ্ধার করা হয়। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সার্বিক পরিবহন বাসের সুপারভাইজার পান্নু মুন্সি (৫০)। তিনি মাদারীপুর শহরের কলেজ রোড এলাকার নেছার উদ্দিন মুন্সির ছেলে। এছাড়া সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া এলাকার জসীম বেপারীর ছেলে সাগর বেপারী (২২) নিহত হন। তিনি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক ছিলেন।
দুর্ঘটনায় আরও প্রাণ হারান গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ভাঙ্গারহাট পাইকেরপাড়া গ্রামের দিনমজুর শেফালী বাড়ৈ (৪২), কামনা বিশ্বাস (৪১), দুলাল বাড়ৈ (৪৫), আভা বাড়ৈ (৫০) ও অনিতা বাড়ৈ (৪০)।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া সার্বিক পরিবহনের একটি বাস মিলগেট এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজন মারা যান। বাস উদ্ধার শেষে খাদ থেকে আরও দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় বাসের অন্তত পাঁচজন যাত্রী আহত হন। তাদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন আল রশিদ জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধার কাজে অংশ নেন। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বাসটি রাস্তার পাশের খাদে কাদা ও পানির মধ্যে পড়ে ছিল, যার কারণে উদ্ধার কাজে সময় লেগেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতিতে বাস চালানো এবং মহাসড়কে অবৈধভাবে চলাচলকারী অটোরিকশাকে পাশ দিতে গিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত জানা যাবে।