287628
শিরোনামঃ
‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল মুখোমুখি নয়, পরোক্ষ আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

১৭ বছরের প্রতিকূলতার মধ্যে মানবীয় কর্মযজ্ঞ ডা. শাহ মুহাম্মদ আমানুল্লাহ'র

#
news image

মানবিক ডাক্তার খ্যাত  অর্থোপেডিকস্  সার্জন ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ। প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে মানুষকে সেবা দিয়ে চলেছেন তিনি।  বর্তমানে সিনিয়র মেডিকেল অফিসার হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মেডিকেল শাখায় কর্মরত আছেন। পেশাগত জীবনী বিগত বছরগুলোতে  সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রায় আড়াই হাজার আহত ব্যক্তির অপারেশন করেছেন।  

ডাক্তার শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ এর জন্ম লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলায়। জানা যায় ছোটবেলা থেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ছিল তার । প্রয়াত স্বনামধন্য প্রধান শিক্ষক বাবার সরকারি চাকুরির সুবাদে শিক্ষাজীবন শুরু হয় ঢাকার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে। এস এস সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে, ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাসের পর ভর্তি হলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে। এমবিবিএস পাসের পর ২০০৩ সালে চিকিৎসক হিসেবে পেশাদার জীবন শুরু করেন তিনি ।

২০০২ সাল থেকেই তিনি জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে তারেক রহমান রাজনীতিকে শুধু মিছিল-মিটিংয়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না রেখে জনগণের জন্য কাজ করার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয় । ফাউন্ডেশনটি বছরের পর বছর ধরে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও জটিল অপারেশন সেবা দিয়ে আসছে। আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসার জন্য জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের রিহ্যাবিলিটেশন কমিটি গঠন করা হয়। তিনি এর আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিব ডা. পারভেজ রেজা কাকন।

এ পর্যন্ত আমরা প্রায় আড়াই হাজার আহত রোগীর অস্ত্রোপচার করেছেন তিনি । সবই বিনা পারিশ্রমিকে। এছাড়াও টিমে আরও ছিলেন অধ্যাপক ডা. সিরাজুস সালেহীন, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. সৈয়দ মেহবুব উল কাদির, ডা. সাজিদ, ডা. শাওন রহমান, ডা. রাকিবুজ্জামান, ডা. মেহেদী হাসান, ডা. আয়াজ প্রমুখ।

প্রথম দিকে কলাবাগানের কাছে একটি হাসপাতালে অপারেশন করতেন। এটি ধানমন্ডি ৩২-এর কাছাকাছি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাও ছিল বেশি। ফলে সেখান থেকে সরে যান শ্যামলীতে। বেশিরভাগ অপারেশন হতো সেখানকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। হাসপাতালের মালিক রফিক সাহেব তাদের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তবে শর্ত ছিল—যখন অন্য রোগীর ভিড় থাকবে না তখনই অপারেশন করতে হবে। মানে তাদের  হয় গভীর রাতে নয়তো খুব ভোরে অপারেশন করতেন। তারা  খুবই সাধারণভাবে হাসপাতালে ঢুকতেন। মোবাইল অন্য জায়গায় রেখে আসতে হতো এবং কাজ শেষে একেকজন একেকভাবে বের হয়ে যেতো।

 টিমের অনেকেরই চাকুরি সরকারি । ফলে পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ধরা পড়লে মামলা, বিভাগীয় তদন্ত কিংবা শাস্তিমূলক পোস্টিং—যেকোনো কিছুই হতে পারতো। তাই বেশ সতর্কতার সঙ্গে চলতে হতো।

গণমাধ্যম কে দেওয়া কোন এক সাক্ষাৎকারে এই সকল অজানা তথ্য প্রকাশ্যে আনেন অর্থোপেডিক সার্জন ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ।

অনলাইন ডেস্ক

৪-৫-২০২৬ বিকাল ৭:৪

news image

মানবিক ডাক্তার খ্যাত  অর্থোপেডিকস্  সার্জন ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ। প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে মানুষকে সেবা দিয়ে চলেছেন তিনি।  বর্তমানে সিনিয়র মেডিকেল অফিসার হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মেডিকেল শাখায় কর্মরত আছেন। পেশাগত জীবনী বিগত বছরগুলোতে  সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রায় আড়াই হাজার আহত ব্যক্তির অপারেশন করেছেন।  

ডাক্তার শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ এর জন্ম লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলায়। জানা যায় ছোটবেলা থেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ছিল তার । প্রয়াত স্বনামধন্য প্রধান শিক্ষক বাবার সরকারি চাকুরির সুবাদে শিক্ষাজীবন শুরু হয় ঢাকার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে। এস এস সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে, ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাসের পর ভর্তি হলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে। এমবিবিএস পাসের পর ২০০৩ সালে চিকিৎসক হিসেবে পেশাদার জীবন শুরু করেন তিনি ।

২০০২ সাল থেকেই তিনি জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে তারেক রহমান রাজনীতিকে শুধু মিছিল-মিটিংয়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না রেখে জনগণের জন্য কাজ করার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয় । ফাউন্ডেশনটি বছরের পর বছর ধরে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও জটিল অপারেশন সেবা দিয়ে আসছে। আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসার জন্য জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের রিহ্যাবিলিটেশন কমিটি গঠন করা হয়। তিনি এর আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিব ডা. পারভেজ রেজা কাকন।

এ পর্যন্ত আমরা প্রায় আড়াই হাজার আহত রোগীর অস্ত্রোপচার করেছেন তিনি । সবই বিনা পারিশ্রমিকে। এছাড়াও টিমে আরও ছিলেন অধ্যাপক ডা. সিরাজুস সালেহীন, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. সৈয়দ মেহবুব উল কাদির, ডা. সাজিদ, ডা. শাওন রহমান, ডা. রাকিবুজ্জামান, ডা. মেহেদী হাসান, ডা. আয়াজ প্রমুখ।

প্রথম দিকে কলাবাগানের কাছে একটি হাসপাতালে অপারেশন করতেন। এটি ধানমন্ডি ৩২-এর কাছাকাছি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাও ছিল বেশি। ফলে সেখান থেকে সরে যান শ্যামলীতে। বেশিরভাগ অপারেশন হতো সেখানকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। হাসপাতালের মালিক রফিক সাহেব তাদের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তবে শর্ত ছিল—যখন অন্য রোগীর ভিড় থাকবে না তখনই অপারেশন করতে হবে। মানে তাদের  হয় গভীর রাতে নয়তো খুব ভোরে অপারেশন করতেন। তারা  খুবই সাধারণভাবে হাসপাতালে ঢুকতেন। মোবাইল অন্য জায়গায় রেখে আসতে হতো এবং কাজ শেষে একেকজন একেকভাবে বের হয়ে যেতো।

 টিমের অনেকেরই চাকুরি সরকারি । ফলে পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ধরা পড়লে মামলা, বিভাগীয় তদন্ত কিংবা শাস্তিমূলক পোস্টিং—যেকোনো কিছুই হতে পারতো। তাই বেশ সতর্কতার সঙ্গে চলতে হতো।

গণমাধ্যম কে দেওয়া কোন এক সাক্ষাৎকারে এই সকল অজানা তথ্য প্রকাশ্যে আনেন অর্থোপেডিক সার্জন ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ।