"ন্যাশনাল ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড" পেলেন লালমনিরহাটের জামাল হোসেন
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি
১৭-৯-২০২৫ রাত ১০:২৭
"ন্যাশনাল ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড" পেলেন লালমনিরহাটের জামাল হোসেন
বাংলাদেশে তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি “ন্যাশনাল ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড” অর্জন করেছেন লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার কৃতি সন্তান জামাল হোসেন।
১৫ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সকাল ১১টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস তার হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন।
বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রতিবছর তরুণ সমাজকর্মীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এ বছর সারাদেশ থেকে ১২ জন তরুণকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তাদের মধ্যে সমাজসেবা ও জ্যেষ্ঠ নাগরিক সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য মাত্র দুজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে, আর জামাল হোসেন তাদের অন্যতম।
২০১৪ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন সারপুকুর যুব ফোরাম পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনের নেতৃত্বে তিনি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাদকবিরোধী আন্দোলন, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য শিক্ষা কর্মসূচি, দলিত ও হিজড়া সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়ন, বৃক্ষরোপণ, বিদেশ ফেরত যুবকদের পুনর্বাসনসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। এছাড়া তিনি জাতীয় যুব ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সারা দেশের ৬৪ জেলার ১৯২টি প্রতিষ্ঠানে যুব নেতৃত্ব বিকাশে কাজ করছেন।
রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে জামাল হোসেন বলেন,“এ পুরস্কার শুধু আমার নয়, এটি লালমনিরহাটসহ দেশের হাজারো স্বেচ্ছাসেবীর সম্মান। সংকটময় সময়ে কিংবা দৈনন্দিন জীবনে সমাজের পাশে দাঁড়ানোই আমার মূল লক্ষ্য। এ স্বীকৃতি তরুণদের সামাজিক কাজে আরও উৎসাহিত করবে।”
এ বিষয়ে সারপুকুর যুব ফোরাম পাঠাগারের সাংগঠনিক সম্পাদক নিরাময় রায় বলেন ,“আমাদের অভিভাবক জামাল হোসেনের এমন অর্জন আমাদের অনুপ্রাণিত করছে। আমরা গর্বিত এবং তার হাত ধরে আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবো।”
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি
১৭-৯-২০২৫ রাত ১০:২৭
বাংলাদেশে তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি “ন্যাশনাল ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড” অর্জন করেছেন লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার কৃতি সন্তান জামাল হোসেন।
১৫ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সকাল ১১টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস তার হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন।
বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রতিবছর তরুণ সমাজকর্মীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এ বছর সারাদেশ থেকে ১২ জন তরুণকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তাদের মধ্যে সমাজসেবা ও জ্যেষ্ঠ নাগরিক সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য মাত্র দুজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে, আর জামাল হোসেন তাদের অন্যতম।
২০১৪ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন সারপুকুর যুব ফোরাম পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনের নেতৃত্বে তিনি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাদকবিরোধী আন্দোলন, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য শিক্ষা কর্মসূচি, দলিত ও হিজড়া সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়ন, বৃক্ষরোপণ, বিদেশ ফেরত যুবকদের পুনর্বাসনসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। এছাড়া তিনি জাতীয় যুব ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সারা দেশের ৬৪ জেলার ১৯২টি প্রতিষ্ঠানে যুব নেতৃত্ব বিকাশে কাজ করছেন।
রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে জামাল হোসেন বলেন,“এ পুরস্কার শুধু আমার নয়, এটি লালমনিরহাটসহ দেশের হাজারো স্বেচ্ছাসেবীর সম্মান। সংকটময় সময়ে কিংবা দৈনন্দিন জীবনে সমাজের পাশে দাঁড়ানোই আমার মূল লক্ষ্য। এ স্বীকৃতি তরুণদের সামাজিক কাজে আরও উৎসাহিত করবে।”
এ বিষয়ে সারপুকুর যুব ফোরাম পাঠাগারের সাংগঠনিক সম্পাদক নিরাময় রায় বলেন ,“আমাদের অভিভাবক জামাল হোসেনের এমন অর্জন আমাদের অনুপ্রাণিত করছে। আমরা গর্বিত এবং তার হাত ধরে আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবো।”