জনগণকে সাথে নিয়েই বিল ও জলাশয় সংরক্ষণ করা হবে - পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
বিশেষ প্রতিনিধি
২০-৯-২০২৫ বিকাল ৭:২৬
জনগণকে সাথে নিয়েই বিল ও জলাশয় সংরক্ষণ করা হবে - পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, প্রাকৃতিক জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এখন সময়ের দাবি। স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ ছাড়া এসব সম্পদ সংরক্ষণ সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যে গণশুনানি আয়োজন করা হবে এবং জনগণের মতামতের ভিত্তিতেই বিল ও জলাশয় সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হবে।
শনিবার বিকেলে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার কাতুরিয়া বিল পরিদর্শনের পূর্বে নলগাঁওয়ে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় উপদেষ্টা আরও বলেন, কাতুরিয়া বিল শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভাণ্ডার নয়, এটি স্থানীয় জনগণের জীবিকা, খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। এই জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যাবশ্যক।
তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, বিল ভরাট করা যাবে না। কৃষিজমি ভরাট হলে জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে। একইসঙ্গে শিল্পদূষণ থেকে বিলকে রক্ষা করার ওপরও তিনি জোর দেন।
এসময় গাজীপুর জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় পরিবেশবিষয়ক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে উপদেষ্টা বেলাই বিল পরিদর্শন করেন এবং এর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা প্রদান করেন।
বিশেষ প্রতিনিধি
২০-৯-২০২৫ বিকাল ৭:২৬
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, প্রাকৃতিক জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এখন সময়ের দাবি। স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ ছাড়া এসব সম্পদ সংরক্ষণ সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যে গণশুনানি আয়োজন করা হবে এবং জনগণের মতামতের ভিত্তিতেই বিল ও জলাশয় সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হবে।
শনিবার বিকেলে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার কাতুরিয়া বিল পরিদর্শনের পূর্বে নলগাঁওয়ে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় উপদেষ্টা আরও বলেন, কাতুরিয়া বিল শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভাণ্ডার নয়, এটি স্থানীয় জনগণের জীবিকা, খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। এই জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যাবশ্যক।
তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, বিল ভরাট করা যাবে না। কৃষিজমি ভরাট হলে জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে। একইসঙ্গে শিল্পদূষণ থেকে বিলকে রক্ষা করার ওপরও তিনি জোর দেন।
এসময় গাজীপুর জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় পরিবেশবিষয়ক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে উপদেষ্টা বেলাই বিল পরিদর্শন করেন এবং এর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা প্রদান করেন।