287628
শিরোনামঃ
‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল মুখোমুখি নয়, পরোক্ষ আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

দুর্গাপুরে তিওড়কুড়ি–নারায়নপুর–দেলুয়াবাড়ি সড়ক উন্নয়ন

#
news image

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার তিওড়কুড়ি থেকে নারায়নপুর হয়ে দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভাঙা ও সরু আধাপাকা রাস্তায় চলাচল করা ছিল স্থানীয়দের জন্য নিত্য ভোগান্তি। বৃষ্টির দিনে হেঁটে যাওয়া পর্যন্ত হয়ে উঠতো দুর্বিষহ। গাড়ি চলাচল তো দূরের কথা, মানুষকে বাধ্য হয়ে ধরতে হতো আলপথ। অবশেষে সেই দুর্দিন কাটিয়ে এলাকায় বইছে স্বস্তির হাওয়া।

৪ হাজার ২৮০ মিটার দীর্ঘ সড়কটির নবনির্মাণ কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। ২ কোটি ৬ লাখ ৩৭ হাজার ৮৯৬ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়ক যেন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে এলাকাবাসীর জন্য। নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াতের সুযোগ পেয়ে কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মুখে এখন হাসি।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় সময় বাড়িয়ে চলতি বছরের ৬ সেপ্টেম্বর কাজ সম্পন্ন হয়। চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদ ইউনুস এন্ড ব্রাদার লিমিটেড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। সড়কের প্রস্থ রাখা হয়েছে ৩ মিটার এবং কার্পেটিংয়ের পুরুত্ব ২৫ মিলিমিটার।

স্থানীয় ভ্যানচালক আব্দুল রহমান বলেন, “আমি নারায়নপুর থেকে প্রতিদিন এই রাস্তায় ভ্যান চালাই। ভাঙা রাস্তার কারণে অনেক কষ্ট করতে হতো। এখন সুদিন ফিরেছে, চলাচল অনেক সহজ হয়েছে।”

অটোরিকশাচালক সাইফুল জানান, “আগে রাস্তা খারাপ থাকায় যাতায়াতে সময় ও ব্যাটারির চার্জ খরচ বেড়ে যেত। এখন যাত্রীদেরও আরাম, আমাদেরও স্বস্তি।”

জেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম বলেন, “রাস্তার কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করে কাজটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। প্রস্থ, কার্পেটিংসহ সব কিছুই সঠিক পাওয়া গেছে। শুধু বিটুমিনের একটি পরীক্ষা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশা করি, ফলাফল ইতিবাচক হলে রাস্তা দীর্ঘস্থায়ী হবে।”

স্থানীয়রা মনে করছেন, এই নতুন সড়ক দুর্গাপুর অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে। কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাতকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সাধারণ মানুষের কর্মজীবনে আসবে নতুন গতি ও স্বাচ্ছন্দ্য।

রাজশাহী প্রতিনিধি

২১-৯-২০২৫ দুপুর ৪:৩৭

news image

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার তিওড়কুড়ি থেকে নারায়নপুর হয়ে দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভাঙা ও সরু আধাপাকা রাস্তায় চলাচল করা ছিল স্থানীয়দের জন্য নিত্য ভোগান্তি। বৃষ্টির দিনে হেঁটে যাওয়া পর্যন্ত হয়ে উঠতো দুর্বিষহ। গাড়ি চলাচল তো দূরের কথা, মানুষকে বাধ্য হয়ে ধরতে হতো আলপথ। অবশেষে সেই দুর্দিন কাটিয়ে এলাকায় বইছে স্বস্তির হাওয়া।

৪ হাজার ২৮০ মিটার দীর্ঘ সড়কটির নবনির্মাণ কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। ২ কোটি ৬ লাখ ৩৭ হাজার ৮৯৬ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়ক যেন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে এলাকাবাসীর জন্য। নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াতের সুযোগ পেয়ে কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মুখে এখন হাসি।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় সময় বাড়িয়ে চলতি বছরের ৬ সেপ্টেম্বর কাজ সম্পন্ন হয়। চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদ ইউনুস এন্ড ব্রাদার লিমিটেড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। সড়কের প্রস্থ রাখা হয়েছে ৩ মিটার এবং কার্পেটিংয়ের পুরুত্ব ২৫ মিলিমিটার।

স্থানীয় ভ্যানচালক আব্দুল রহমান বলেন, “আমি নারায়নপুর থেকে প্রতিদিন এই রাস্তায় ভ্যান চালাই। ভাঙা রাস্তার কারণে অনেক কষ্ট করতে হতো। এখন সুদিন ফিরেছে, চলাচল অনেক সহজ হয়েছে।”

অটোরিকশাচালক সাইফুল জানান, “আগে রাস্তা খারাপ থাকায় যাতায়াতে সময় ও ব্যাটারির চার্জ খরচ বেড়ে যেত। এখন যাত্রীদেরও আরাম, আমাদেরও স্বস্তি।”

জেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম বলেন, “রাস্তার কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করে কাজটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। প্রস্থ, কার্পেটিংসহ সব কিছুই সঠিক পাওয়া গেছে। শুধু বিটুমিনের একটি পরীক্ষা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশা করি, ফলাফল ইতিবাচক হলে রাস্তা দীর্ঘস্থায়ী হবে।”

স্থানীয়রা মনে করছেন, এই নতুন সড়ক দুর্গাপুর অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে। কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাতকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সাধারণ মানুষের কর্মজীবনে আসবে নতুন গতি ও স্বাচ্ছন্দ্য।