287628
শিরোনামঃ
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা মোজতবা খামেনি হচ্ছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা ইসরাইলের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা শুরু ইরানের ইরানে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলেন ডাক্তার শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ চলে গেলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান মিন্টু কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর

লোহাগড়ার জয়পুর ইউনিয়নের প্রধান সড়ক নদীতে ভাঙ্গন

#
news image

মধুমতি নদী এক সর্বনাশা আগ্রাসী নদী হিসেবে বাংলাদেশে পরিচিত। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে মধুমতি নদী ফিরে পায় তার যৌবন ও যৌলশতা ।

বেপরোয়া রূপ নিয়ে প্রতি বছর হাজারো মানুষের ভিটে মাটি ফসলি জমি, স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মন্দির সহ বিভিন্ন স্থাপনা নিমিষেই বিলীন হয়ে যায় মধুমতির ভাঙ্গনের কবলে।

ফরিদপুর ও যশোর জেলার মাঝ দিয়ে মধুমতির নদী প্রবাহিত হয়ে দুটি জেলার ভৌগোলিক দিক দিয়ে এই দুই জেলার মানুষের জীবন মানে চরম বিপর্যয় ফেলেছে এই মধুমতি নদী। বিশেষ করে তেঁতুলিয়া, আমডাঙ্গা ,আস্তাইল, বেলটিয়া, ধানাইড়, রামকান্তপুর, শিয়েরবর এলাকায় মধুমতির নদীর ভাঙ্গনের তীব্রতা সব থেকে বেশি।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০২৪ অর্থবছরে শিয়ারবর হাট বাঁচাতে ব্লকের মাধ্যমে নদী শাসন প্রকল্পের আওতায় আনলেও বাদ পড়ে রামকান্তপুর, ধানাইড় , চাচই, আস্তাইল আমডাঙ্গা, বেলটিয়া, তেতুলিয়া পর্যন্ত ধানাইড় গ্ৰামের মাদ্রাসা বাঁচাতে সামান্য পরিসরে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও পরবর্তীতে নতুন বরাদ্দের আশায় থেমে যায় কাজ।

বরাদ্দের এই রেশানলে পড়ে সল্প পরিসরে ধানাইড় মাদ্রাসা বাঁচাতে যে জিও ব্যাগ ফেলা হয় তাতে হিতে বিপরীত ঘটে। এই জিও ব্যাগ ফেলার কারনে নদীর স্রোত বাধাগ্রস্থ হয়ে সরাসরি চাচই গ্ৰামের শতবর্ষী কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দিকে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে মাএ এক বছরের মধ্যে শতবর্ষী এই কবরস্থান মধুমতি নদী গর্ভে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যায়।

শতবর্ষী কবরস্থান যখন মধুমতি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় তখন নদীতে নতুন পুরাতন লাশ ও কংকাল নদীতে ভেসে যায়। অনেকেই তার প্রিয় বাবা-মা, ভাই-বোনের হাড়গোড় সরিয়ে নিয়ে নতুন করে কবর দেয়। তখন বিভিন্ন পত্রপত্রিকা লেখা লেখি করলেও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড নড়েচড়ে বসে। এবং নতুন করে জিও ব্যাগ ফেলার অনুমোদন দেওয়া হয়।

চলতি বছরে বর্ষা মৌসুমে নতুন করে ধানাইড় এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হলেও নদীর তীব্র স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে বেশির ভাগ জিও ব্যাগ।

চাচই এবং ধানাইড় গ্ৰামের প্রধান সড়ক ২০২৪ অর্থবছরে কার্পেটিং এর কাজ শেষ হলো ও পাকা রাস্তায় চলাচল স্বপ্ন যেন গুড়ে বালির মত। নদী শাসন প্রকল্পের কাজের দায়িত্বে অবহেলার কারনে শতবর্ষী কবর স্থান মধুমতি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে এখন সদ্য শেষ হওয়া পাকা রাস্তা সহ চাচই গ্ৰামের দৌড় গোড়ায় হাজির হলো সর্বনাশা এই নদী মধুমতি নদী। 

অতি দূরত্ব নদী শাসন প্রকল্পের আওতায় ব্লক সিস্টেমের মাধ্যমে ধানাইড় ও চাচই গ্ৰাম‌ রক্ষা জরুরি বলে এলাকাবাসীর জোর দাবি। বিগত বছরে মানববন্ধন সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকা উক্ত বিষয়ে লেখা লেখি করলেও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের টনক নড়েনি।

লোহাগড়া প্রতিনিধি

২১-৯-২০২৫ রাত ১০:৫৯

news image

মধুমতি নদী এক সর্বনাশা আগ্রাসী নদী হিসেবে বাংলাদেশে পরিচিত। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে মধুমতি নদী ফিরে পায় তার যৌবন ও যৌলশতা ।

বেপরোয়া রূপ নিয়ে প্রতি বছর হাজারো মানুষের ভিটে মাটি ফসলি জমি, স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মন্দির সহ বিভিন্ন স্থাপনা নিমিষেই বিলীন হয়ে যায় মধুমতির ভাঙ্গনের কবলে।

ফরিদপুর ও যশোর জেলার মাঝ দিয়ে মধুমতির নদী প্রবাহিত হয়ে দুটি জেলার ভৌগোলিক দিক দিয়ে এই দুই জেলার মানুষের জীবন মানে চরম বিপর্যয় ফেলেছে এই মধুমতি নদী। বিশেষ করে তেঁতুলিয়া, আমডাঙ্গা ,আস্তাইল, বেলটিয়া, ধানাইড়, রামকান্তপুর, শিয়েরবর এলাকায় মধুমতির নদীর ভাঙ্গনের তীব্রতা সব থেকে বেশি।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০২৪ অর্থবছরে শিয়ারবর হাট বাঁচাতে ব্লকের মাধ্যমে নদী শাসন প্রকল্পের আওতায় আনলেও বাদ পড়ে রামকান্তপুর, ধানাইড় , চাচই, আস্তাইল আমডাঙ্গা, বেলটিয়া, তেতুলিয়া পর্যন্ত ধানাইড় গ্ৰামের মাদ্রাসা বাঁচাতে সামান্য পরিসরে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও পরবর্তীতে নতুন বরাদ্দের আশায় থেমে যায় কাজ।

বরাদ্দের এই রেশানলে পড়ে সল্প পরিসরে ধানাইড় মাদ্রাসা বাঁচাতে যে জিও ব্যাগ ফেলা হয় তাতে হিতে বিপরীত ঘটে। এই জিও ব্যাগ ফেলার কারনে নদীর স্রোত বাধাগ্রস্থ হয়ে সরাসরি চাচই গ্ৰামের শতবর্ষী কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দিকে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে মাএ এক বছরের মধ্যে শতবর্ষী এই কবরস্থান মধুমতি নদী গর্ভে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যায়।

শতবর্ষী কবরস্থান যখন মধুমতি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় তখন নদীতে নতুন পুরাতন লাশ ও কংকাল নদীতে ভেসে যায়। অনেকেই তার প্রিয় বাবা-মা, ভাই-বোনের হাড়গোড় সরিয়ে নিয়ে নতুন করে কবর দেয়। তখন বিভিন্ন পত্রপত্রিকা লেখা লেখি করলেও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড নড়েচড়ে বসে। এবং নতুন করে জিও ব্যাগ ফেলার অনুমোদন দেওয়া হয়।

চলতি বছরে বর্ষা মৌসুমে নতুন করে ধানাইড় এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হলেও নদীর তীব্র স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে বেশির ভাগ জিও ব্যাগ।

চাচই এবং ধানাইড় গ্ৰামের প্রধান সড়ক ২০২৪ অর্থবছরে কার্পেটিং এর কাজ শেষ হলো ও পাকা রাস্তায় চলাচল স্বপ্ন যেন গুড়ে বালির মত। নদী শাসন প্রকল্পের কাজের দায়িত্বে অবহেলার কারনে শতবর্ষী কবর স্থান মধুমতি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে এখন সদ্য শেষ হওয়া পাকা রাস্তা সহ চাচই গ্ৰামের দৌড় গোড়ায় হাজির হলো সর্বনাশা এই নদী মধুমতি নদী। 

অতি দূরত্ব নদী শাসন প্রকল্পের আওতায় ব্লক সিস্টেমের মাধ্যমে ধানাইড় ও চাচই গ্ৰাম‌ রক্ষা জরুরি বলে এলাকাবাসীর জোর দাবি। বিগত বছরে মানববন্ধন সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকা উক্ত বিষয়ে লেখা লেখি করলেও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের টনক নড়েনি।