ফিলিস্তিন ইস্যুতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কড়া বার্তা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২২-৯-২০২৫ বিকাল ৭:৫১
ফিলিস্তিন ইস্যুতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কড়া বার্তা
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন ফিলিস্তিন ইস্যুতে স্পষ্ট ও কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে গাজায় চলমান সংঘাত ও মানবিক সংকট নিয়ে ইসরায়েলের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে। সোমবার ২২ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে গুও জিয়াকুন গাজার মালিকানা, ফিলিস্তিনিদের স্ব-শাসন এবং মানবিক বিপর্যয়ের সমাধানের ওপর জোর দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
গাজা ফিলিস্তিনিদের: মুখপাত্র গুও জিয়াকুন স্পষ্টভাবে বলেন, “গাজা ফিলিস্তিনি জনগণের। এটি তাদের ঐতিহাসিক ও বৈধ অধিকার।” তিনি গাজার ফিলিস্তিনি জনগণের সার্বভৌমত্ব ও অধিকার রক্ষার বিষয়ে চীনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
ফিলিস্তিনিদের দ্বারা শাসিত ফিলিস্তিন: চীনের মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনে স্ব-শাসনের নীতি বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, “ফিলিস্তিনি জনগণের তাদের ভূমি ও ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণের অধিকার রয়েছে। এই নীতি অবশ্যই সম্মান করতে হবে এবং বাস্তবায়ন করতে হবে।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে চীন দুই-রাষ্ট্র সমাধানের প্রতি তাদের সমর্থন পুনরায় নিশ্চিত করেছে, যা ফিলিস্তিনিদের একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে।
মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলা: গাজায় চলমান মানবিক সংকটের প্রতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে গুও জিয়াকুন বলেন, “গাজায় মানবিক বিপর্যয় অবশ্যই প্রশমিত করতে হবে। জরুরি ভিত্তিতে খাদ্য, ওষুধ, এবং মৌলিক সেবা সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার।” জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় চলমান সংঘাতের ফলে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। চীন এই পরিস্থিতির দ্রুত সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
ইসরায়েলের দায়িত্ব: মুখপাত্র ইসরায়েলের প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, “ইসরায়েলকে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। সংঘাত নিরসন এবং মানবিক সহায়তা প্রদানে তাদের সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।” তিনি গাজায় সামরিক অভিযান এবং বেসামরিক মানুষের ওপর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন, এবং শান্তি প্রক্রিয়ায় অগ্রগতির জন্য সংযম ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন।
চীনের অবস্থান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়: চীন দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিন ইস্যুতে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে। মুখপাত্র জানান, চীন জাতিসংঘের প্রস্তাব ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকার সমর্থন করে। তিনি সকল পক্ষকে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত নিরসনের জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
গাজায় সাম্প্রতিক সংঘাতের ফলে মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা এবং অবরোধের কারণে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চীনের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর কড়া বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সুত্র: আইবিএন নিউজ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২২-৯-২০২৫ বিকাল ৭:৫১
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন ফিলিস্তিন ইস্যুতে স্পষ্ট ও কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে গাজায় চলমান সংঘাত ও মানবিক সংকট নিয়ে ইসরায়েলের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে। সোমবার ২২ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে গুও জিয়াকুন গাজার মালিকানা, ফিলিস্তিনিদের স্ব-শাসন এবং মানবিক বিপর্যয়ের সমাধানের ওপর জোর দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
গাজা ফিলিস্তিনিদের: মুখপাত্র গুও জিয়াকুন স্পষ্টভাবে বলেন, “গাজা ফিলিস্তিনি জনগণের। এটি তাদের ঐতিহাসিক ও বৈধ অধিকার।” তিনি গাজার ফিলিস্তিনি জনগণের সার্বভৌমত্ব ও অধিকার রক্ষার বিষয়ে চীনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
ফিলিস্তিনিদের দ্বারা শাসিত ফিলিস্তিন: চীনের মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনে স্ব-শাসনের নীতি বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, “ফিলিস্তিনি জনগণের তাদের ভূমি ও ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণের অধিকার রয়েছে। এই নীতি অবশ্যই সম্মান করতে হবে এবং বাস্তবায়ন করতে হবে।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে চীন দুই-রাষ্ট্র সমাধানের প্রতি তাদের সমর্থন পুনরায় নিশ্চিত করেছে, যা ফিলিস্তিনিদের একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে।
মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলা: গাজায় চলমান মানবিক সংকটের প্রতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে গুও জিয়াকুন বলেন, “গাজায় মানবিক বিপর্যয় অবশ্যই প্রশমিত করতে হবে। জরুরি ভিত্তিতে খাদ্য, ওষুধ, এবং মৌলিক সেবা সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার।” জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় চলমান সংঘাতের ফলে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। চীন এই পরিস্থিতির দ্রুত সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
ইসরায়েলের দায়িত্ব: মুখপাত্র ইসরায়েলের প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, “ইসরায়েলকে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। সংঘাত নিরসন এবং মানবিক সহায়তা প্রদানে তাদের সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।” তিনি গাজায় সামরিক অভিযান এবং বেসামরিক মানুষের ওপর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন, এবং শান্তি প্রক্রিয়ায় অগ্রগতির জন্য সংযম ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন।
চীনের অবস্থান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়: চীন দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিন ইস্যুতে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে। মুখপাত্র জানান, চীন জাতিসংঘের প্রস্তাব ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকার সমর্থন করে। তিনি সকল পক্ষকে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত নিরসনের জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
গাজায় সাম্প্রতিক সংঘাতের ফলে মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা এবং অবরোধের কারণে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চীনের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর কড়া বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সুত্র: আইবিএন নিউজ