নাইজেরিয়ায় স্বর্ণখনি ধ্বসে শতাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৭-৯-২০২৫ দুপুর ২:৪২
নাইজেরিয়ায় স্বর্ণখনি ধ্বসে শতাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা
নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি স্বর্ণখনি ধসের ঘটনায় শতাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জামফারা রাজ্যের মারু এলাকার কাদাউরি খনিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা জানান, ধসের সময় খনির ভেতরে অসংখ্য খনি শ্রমিক কাজ করছিলেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তবে আরও অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শুক্রবারও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত ছিল। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা সানুসি আওয়াল বলেন, ধসের সময় আমার চাচাতো ভাইও খনিতে ছিল। আমরা ১৩টি মরদেহ উদ্ধার করেছি, এর মধ্যে তারটিও আছে। ওই সময় ১০০ জনের বেশি শ্রমিক খনিতে ছিল।
ইসা সানি নামে এক আহত খনি শ্রমিক জানান, আমরা বেঁচে ফিরেছি ভাগ্যক্রমে। ১০০ জনের মধ্যে মাত্র ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে। জামফারা স্টেট মাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা মুহাম্মদু ইসা নিশ্চিত করেছেন, উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া কয়েকজনও শ্বাসরোধে প্রাণ হারিয়েছেন।
জামফারা অঞ্চলে অবৈধভাবে স্বর্ণখনন অত্যন্ত সাধারণ ঘটনা।
এসব খনি প্রায়ই সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা সহিংসতা ও প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। নিয়ন্ত্রণহীন এই খনিগুলোর অনিরাপদ পরিবেশের কারণে অতীতে একাধিকবার প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৭-৯-২০২৫ দুপুর ২:৪২
নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি স্বর্ণখনি ধসের ঘটনায় শতাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জামফারা রাজ্যের মারু এলাকার কাদাউরি খনিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা জানান, ধসের সময় খনির ভেতরে অসংখ্য খনি শ্রমিক কাজ করছিলেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তবে আরও অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শুক্রবারও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত ছিল। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা সানুসি আওয়াল বলেন, ধসের সময় আমার চাচাতো ভাইও খনিতে ছিল। আমরা ১৩টি মরদেহ উদ্ধার করেছি, এর মধ্যে তারটিও আছে। ওই সময় ১০০ জনের বেশি শ্রমিক খনিতে ছিল।
ইসা সানি নামে এক আহত খনি শ্রমিক জানান, আমরা বেঁচে ফিরেছি ভাগ্যক্রমে। ১০০ জনের মধ্যে মাত্র ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে। জামফারা স্টেট মাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা মুহাম্মদু ইসা নিশ্চিত করেছেন, উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া কয়েকজনও শ্বাসরোধে প্রাণ হারিয়েছেন।
জামফারা অঞ্চলে অবৈধভাবে স্বর্ণখনন অত্যন্ত সাধারণ ঘটনা।
এসব খনি প্রায়ই সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা সহিংসতা ও প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। নিয়ন্ত্রণহীন এই খনিগুলোর অনিরাপদ পরিবেশের কারণে অতীতে একাধিকবার প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র: রয়টার্স