287628

পরিস্থিতির উন্নতি হলে ভারত সব ধরনের ভিসা দেবে : প্রণয় ভার্মা

#
news image

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্ব ঐতিহাসিক। ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিনিময় দুই দেশের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করবে। বর্তমানে মেডিকেল ভিসা চালু আছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ভিসা অফিস সব ধরনের ভারতীয় ভিসা দেওয়া শুরু করবে। সোমবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার প্রাচীন রনদা প্রসাদ সাহা দূর্গা মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। 

সবাইকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, তিনি কুমুদিনীতে সপ্তমী পূজা উদযাপনে এসেছেন, যা সবার জন্য দুর্দান্ত উপলক্ষ্য। দুর্গাপূজার উৎসব ভারত এবং বাংলাদেশ একইভাবে উৎসাহ নিয়ে পালন করছে। দুর্গাপূজা দুই দেশের মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

এ সময় কুমুদিনী হোমস কর্তৃপক্ষ হাইকমিশনারকে মন্দিরের ইতিহাস ও সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করে এবং কুমুদিনী হোমসের কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজিব প্রসাদ সাহা, কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং, নেপালের অ্যাম্বাসেডর ঘনশ্যাম ভান্ডারিসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সনাতন সম্প্রদায়ের নেতারা আশা প্রকাশ করেন যে, ভারতীয় হাইকমিশনার টাঙ্গাইল সফরের বিষয়টি দুই দেশের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করবে।

অনলাইন ডেস্ক

২৯-৯-২০২৫ রাত ৯:৫৬

news image

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্ব ঐতিহাসিক। ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিনিময় দুই দেশের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করবে। বর্তমানে মেডিকেল ভিসা চালু আছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ভিসা অফিস সব ধরনের ভারতীয় ভিসা দেওয়া শুরু করবে। সোমবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার প্রাচীন রনদা প্রসাদ সাহা দূর্গা মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। 

সবাইকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, তিনি কুমুদিনীতে সপ্তমী পূজা উদযাপনে এসেছেন, যা সবার জন্য দুর্দান্ত উপলক্ষ্য। দুর্গাপূজার উৎসব ভারত এবং বাংলাদেশ একইভাবে উৎসাহ নিয়ে পালন করছে। দুর্গাপূজা দুই দেশের মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

এ সময় কুমুদিনী হোমস কর্তৃপক্ষ হাইকমিশনারকে মন্দিরের ইতিহাস ও সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করে এবং কুমুদিনী হোমসের কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজিব প্রসাদ সাহা, কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং, নেপালের অ্যাম্বাসেডর ঘনশ্যাম ভান্ডারিসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সনাতন সম্প্রদায়ের নেতারা আশা প্রকাশ করেন যে, ভারতীয় হাইকমিশনার টাঙ্গাইল সফরের বিষয়টি দুই দেশের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করবে।