287628
শিরোনামঃ
জুড়ীতে ২৮২ শতক জমি দখলের পাঁয়তারা, আতঙ্কে ১৭ পরিবার, অপকর্ম ঢাকতে সংবাদ সম্মেলন ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল

জুলাই আন্দোলন দমনে ৩ লাখ ৫ হাজার রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছিল: ট্রাইব্যুনালে তদন্ত কর্মকর্তা

#
news image

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১-এ সাক্ষ্য প্রদান করেছেন মামলার ৫৪ নম্বর সাক্ষী, তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর। তিনি অব্যাহত রাখলেন তাঁর প্রমাণ ও বিশ্লেষণ, যেগুলো থেকে দাবি করা হচ্ছে যে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমাতে পরিকল্পিতভাবে অত্যাধিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।

তিনি আদালতে বলেন, পুলিশ সদর দপ্তর ধরা একটি ২১৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন থেকে দেখা যায় যে, শুধুমাত্র ঢাকায় ৯৫,৩১৩ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছিল, এবং সারাদেশে মিলে ৩,০৫,৩১১ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছিল। এ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলোর মধ্যে ছিল এলএমজি, এসএমজি, চাইনিজ রাইফেল, শটগান, রিভলভার, পিস্তল ইত্যাদি।


মো. আলমগীর আরও যুক্ত করেছেন, তদন্তে সংগৃহীত আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ (যেমন: পত্রপত্রিকা, ভিডিও ও অডিও ক্লিপ, প্রত্যক্ষদর্শী ও শহীদ পরিবারের সাক্ষ্য, আসামি স্বীকারোক্তি) বিশ্লেষণ করে তিনি দাবি করেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন—এই তিনজন পরিকল্পিতভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেছিলেন আন্দোলন দমনে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট এই সময়কালে একজনেরও প্রাণ নষ্ট করা হবে না, এমন আশ্বাসের বিরুদ্ধে নিরীহ, নিরস্ত্র ও শান্তিপূর্ণ ছাত্র-জনতার ওপর প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার নির্দেশ, উসকানি, অপহরণ, মিথ্যা মামলা, নির্যাতন, সংবেদনশীল তথ্য বিকৃতকরণ, মৃতদেহ দ্রুত দাফনের ঘটনা এবং অন্যান্য ভয়ঙ্কর কার্যক্রম সংঘটিত হয়।

 

অনলাইন ডেস্ক

২৯-৯-২০২৫ রাত ১০:১১

news image

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১-এ সাক্ষ্য প্রদান করেছেন মামলার ৫৪ নম্বর সাক্ষী, তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর। তিনি অব্যাহত রাখলেন তাঁর প্রমাণ ও বিশ্লেষণ, যেগুলো থেকে দাবি করা হচ্ছে যে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমাতে পরিকল্পিতভাবে অত্যাধিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।

তিনি আদালতে বলেন, পুলিশ সদর দপ্তর ধরা একটি ২১৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন থেকে দেখা যায় যে, শুধুমাত্র ঢাকায় ৯৫,৩১৩ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছিল, এবং সারাদেশে মিলে ৩,০৫,৩১১ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছিল। এ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলোর মধ্যে ছিল এলএমজি, এসএমজি, চাইনিজ রাইফেল, শটগান, রিভলভার, পিস্তল ইত্যাদি।


মো. আলমগীর আরও যুক্ত করেছেন, তদন্তে সংগৃহীত আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ (যেমন: পত্রপত্রিকা, ভিডিও ও অডিও ক্লিপ, প্রত্যক্ষদর্শী ও শহীদ পরিবারের সাক্ষ্য, আসামি স্বীকারোক্তি) বিশ্লেষণ করে তিনি দাবি করেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন—এই তিনজন পরিকল্পিতভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেছিলেন আন্দোলন দমনে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট এই সময়কালে একজনেরও প্রাণ নষ্ট করা হবে না, এমন আশ্বাসের বিরুদ্ধে নিরীহ, নিরস্ত্র ও শান্তিপূর্ণ ছাত্র-জনতার ওপর প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার নির্দেশ, উসকানি, অপহরণ, মিথ্যা মামলা, নির্যাতন, সংবেদনশীল তথ্য বিকৃতকরণ, মৃতদেহ দ্রুত দাফনের ঘটনা এবং অন্যান্য ভয়ঙ্কর কার্যক্রম সংঘটিত হয়।