287628
শিরোনামঃ
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা মোজতবা খামেনি হচ্ছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা ইসরাইলের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা শুরু ইরানের ইরানে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলেন ডাক্তার শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ চলে গেলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান মিন্টু কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর

ক্ষেতলালের কানাইপুকুরে পাখির সাথে মানুষের গভীর সখ্যতা

#
news image

আমাদের সমাজের এক শ্রেণীর মানুষ এখনও শখের বশেই পাখি শিকার করে। কেউবা পাখি শিকারের পর তা বিক্রি করে। আবার কেউবা সেই পাখির মাংস দিয়ে নিজের রসনা তৃপ্তি মিটায়। আবার নিতান্তই অলস সময় কাটাতে ও নিজের প্রতিপত্তি জাহিরের জন্য আরেক শ্রেনীর মানুষ দুরদুরান্ত পর্যন্ত ৪/৫ জনের দল বেঁধে ঘুড়ে বেড়ায় ও পাখি শিকার করে। এই কয়েক শ্রেণির মানুষের বিকৃত রুচি মেটাতে দেশী-বিদেশী হরেক প্রজাতির পাখি আজ বিলুপ্তির পথে। তবে এর ব্যতিক্রমও আছে । এই যেমন জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার কানাইপুকুর গ্রামের বাসিন্দারা। সেখানে প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে মানুষের সাথে গড়ে উঠেছে পাখিদের গভীর সখ্যতা। পাখির জন্য এই গ্রামের একটি মজা পুকুরের পাড়ে রীতিমতো অভয়াশ্রম গড়ে তুলেছেন তারা। সেখানে গত প্রায় ১৫ বছর ধরে রয়েছে কয়েক হাজার বিদেশী পাখির বাস। পাখিগুলোকে বাসা বাঁধতে নানা ধরনের সহায়তাও করে এই গ্রামবাসী। এমনকি এখানে রাতের বেলায়ও পাখিদের সুরক্ষায় পাহাড়ার ব্যবস্থা করেছেন গ্রামবাসী।

সরেজমিন কথা হয় কানাইপুকুর গ্রামের বাসিন্দা আজিজার রহমানের সাথে, তিনি বলেন “ প্রতিদিন সন্ধ্যায় পাখিদের কিচির-মিচির ডাক এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। যা না দেখলে অনুমান করা কঠিন। গ্রামের আরেক পাখিপ্রেমি মতি মিয়া বলেন, পাখির ডাক শুনে হামরা ঘুমাতে যাই। ফজরের নামাজের সময় আবার জোরে জোরে পাখিদের কিচির-মিচির শুরু হয়, তখন হামাকেরে ঘুম ভেঙ্গে যায়”, ঘুমেত থেকে উঠে হামরা নামাজে যাই, এরপর মাঠে কাজে যাই । এই কথাগুলো যেন দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের সেই বিখ্যাত গানের কলির কথাই মনে করিয়ে দেয়, “কোথায় এমন খেলে তড়িৎ এমন কালো মেঘ/ সেথায় পাখির ডাকে ঘুমিয়ে পড়ে পাখির ডাকে জাগে”। 

ক্ষেতলাল উপজেলা সদর থেকে দক্ষিনে ১২ কিলোমিটার দুরে আলমপুর ইউনিয়নের নিভৃত পল্লীতে ছোট একটি গ্রাম কানাইপুকুর । ওই গ্রামের আব্দুস সামাদ মন্ডল ও সোবহান মন্ডলের পুকুর পাড়ে শতাধিক গাছে শামুকখৈল সহ ৫/৬ প্রজাতির পাখি বাস করে। দুই যুগের বেশি সময় সেখানে বাসা বেঁধে আছে মাছরাঙ্গা, পানকৌড়ি, রাতচোরা ও বক সহ বিদেশী অন্যান্য প্রজাতির পাখি। আর এশিয়ান শামুকখৈল পাখি গত দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে স্থায়ী ভাবে বাস করছে এ গ্রামটিতে। গ্রীষ্মকালে শামুকখৈল পাখি প্রজনন করে বংশ বৃদ্ধি করে এখানে। শামুকখৈল ছাড়াও এ পাখি শামুকভাঙ্গা, হাইতোলা মুখ নামে পরিচিত। প্রতিদিন পড়ন্ত বিকেলে পাখিরা এসে আশ্রয় নেয় গ্রামের মন্ডল পুকুরের গাছগুলোতে। বর্তমানে পাখিগুলো পুরোগ্রাম ছড়িয়ে গেছে। সন্ধ্যায় পুকুর পাড় সহ পুরো গ্রাম মুখরিত হয়ে ওঠে পাখির কলকাকলিতে। রাতভর শোনা যায় ওদের ডানা ঝাপটানো শব্দ। নির্বিঘ্নে রাত কাটিয়ে ভোর হলে উড়ে যায় ওরা। দিন শেষে আবার নীড়ে ফিরে। 

গ্রামের পশ্চিম দিকে পুকুরের কাছাকাছি শনির জাঙ্গাল বা খাল আছে। পাখি প্রেমিদেও মতে ওই খাড়িই মূলত পাখিদের খাবারের প্রধান আশ্রয়স্থল। এখানে মাছ, শামুখ, ব্যাঙ, কাকড়া, ঝিনুক, পোকামাকর ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র জলজ প্রাণী পাওয়া যায়। সে কারনেই পাখিরা খাড়ির কাছাকাছি পুকুর পাড়ের গাছগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে।

বর্তমানে এখানে প্রায় প্রতিদিন দুরদুরান্ত থেকে অর্ধ শতাধিক পাখিপ্রেমিদের আগমন ঘটে। কথা হয় নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালীগ্রামের বাবুলের সাথে। তিনি বলেন, এমন সুন্দর দৃশ্য গ্রামেগঞ্জে শহর বন্দরে পাওয়া কঠিন। স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবেনা। এই পুকুরের মালিক রাজশাহী জাদুঘরের সাবেক উপ-পরিচালক আব্দুস সামাদ ও তাঁর ছোট ভাই ছোবহান মন্ডল বলেন, পাখিগুলোকে আমরা বুক দিয়ে আগলে রেখেছি। এখানে পাঁচ থেকে ছয় প্রজাতির প্রায় পাঁচ হাজারের অধিক পাখি আছে। তবে সবচেয়ে বেশী আছে শামুকখৈল। ২৫/২৬ বছর ধরে পাখিগুলো এখানে আছে। আব্দুস সামাদের স্ত্রী অবসর প্রাপ্ত শিক্ষিকা মোহসেনা বেগম বলেন, অনেকদিন ধরে পাখি শিকারীরা এখানে আসতে পারে না। আর বন্দুকের গুলি ছোঁড়ার তো কোন প্রশ্নই ওঠে না । কারন হিসেবে তিনি বলেন, এমনিতে আমাদের সকল গ্রামবাসী এ ব্যাপারে অনেক সচেতন। তার ওপর ৩/৪ জন তরুন রাতেও মাঝেমধ্যে পাখিগুলোকে পাহাড়া দেয়। ছোবহান মন্ডলের পুত্র জাহাঙ্গীর বলেন, গাছের শুকনো ডালপালা যেসব দিয়ে পাখিরা বাসা বানায় তাঁরা সেসব কুড়িয়ে বাড়ির ছাদে এক জায়গায় স্তুপ করে রাখেন। পাখিরা সেখান থেকে সহজেই ডালপালা নিয়ে এসে বাসা বাঁধে।  

বাঁশঝাড় সংলগ্ন একটি বড় বটগাছে বর্তমানে বেশি আছে শামুক খৈল। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ আছে । তার মধ্যে বট, পাকুড়, জাম, তেতুল, আম, সেগুন, কড়ই অন্যতম। পাশের গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল আলম তালুকদার, দৌলতপুর গ্রামের আবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, কানাইপুকুর পাখি কলোনি এখন পাখিদের জন্য অভয়াশ্রম। সেখানে বিদেশী পাখিরা এখন প্রজনন করে। পাখি কলোনি হিসেবে ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষক সহ হাজার হাজার মানুষ পাখি দেখতে এসেছেন এখানে। এ ছাড়া প্রকৃতি প্রেমি কয়েকটি সংগঠনও গ্রামটির পাখি কলোনি পরিদর্শন করেছেন।

এ ব্যাপারে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, গ্রাম অঞ্চলে এতো সুন্দর একটি পাখি কলোনি সত্যিই দেখার মতো। সচেতন মহলের নিকট অনুরোধ পাখিগুলো যাতে কেউ না মারে। কারন এগুলো দেশের সম্পদ। 

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

৩০-৯-২০২৫ দুপুর ৪:৩৫

news image

আমাদের সমাজের এক শ্রেণীর মানুষ এখনও শখের বশেই পাখি শিকার করে। কেউবা পাখি শিকারের পর তা বিক্রি করে। আবার কেউবা সেই পাখির মাংস দিয়ে নিজের রসনা তৃপ্তি মিটায়। আবার নিতান্তই অলস সময় কাটাতে ও নিজের প্রতিপত্তি জাহিরের জন্য আরেক শ্রেনীর মানুষ দুরদুরান্ত পর্যন্ত ৪/৫ জনের দল বেঁধে ঘুড়ে বেড়ায় ও পাখি শিকার করে। এই কয়েক শ্রেণির মানুষের বিকৃত রুচি মেটাতে দেশী-বিদেশী হরেক প্রজাতির পাখি আজ বিলুপ্তির পথে। তবে এর ব্যতিক্রমও আছে । এই যেমন জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার কানাইপুকুর গ্রামের বাসিন্দারা। সেখানে প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে মানুষের সাথে গড়ে উঠেছে পাখিদের গভীর সখ্যতা। পাখির জন্য এই গ্রামের একটি মজা পুকুরের পাড়ে রীতিমতো অভয়াশ্রম গড়ে তুলেছেন তারা। সেখানে গত প্রায় ১৫ বছর ধরে রয়েছে কয়েক হাজার বিদেশী পাখির বাস। পাখিগুলোকে বাসা বাঁধতে নানা ধরনের সহায়তাও করে এই গ্রামবাসী। এমনকি এখানে রাতের বেলায়ও পাখিদের সুরক্ষায় পাহাড়ার ব্যবস্থা করেছেন গ্রামবাসী।

সরেজমিন কথা হয় কানাইপুকুর গ্রামের বাসিন্দা আজিজার রহমানের সাথে, তিনি বলেন “ প্রতিদিন সন্ধ্যায় পাখিদের কিচির-মিচির ডাক এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। যা না দেখলে অনুমান করা কঠিন। গ্রামের আরেক পাখিপ্রেমি মতি মিয়া বলেন, পাখির ডাক শুনে হামরা ঘুমাতে যাই। ফজরের নামাজের সময় আবার জোরে জোরে পাখিদের কিচির-মিচির শুরু হয়, তখন হামাকেরে ঘুম ভেঙ্গে যায়”, ঘুমেত থেকে উঠে হামরা নামাজে যাই, এরপর মাঠে কাজে যাই । এই কথাগুলো যেন দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের সেই বিখ্যাত গানের কলির কথাই মনে করিয়ে দেয়, “কোথায় এমন খেলে তড়িৎ এমন কালো মেঘ/ সেথায় পাখির ডাকে ঘুমিয়ে পড়ে পাখির ডাকে জাগে”। 

ক্ষেতলাল উপজেলা সদর থেকে দক্ষিনে ১২ কিলোমিটার দুরে আলমপুর ইউনিয়নের নিভৃত পল্লীতে ছোট একটি গ্রাম কানাইপুকুর । ওই গ্রামের আব্দুস সামাদ মন্ডল ও সোবহান মন্ডলের পুকুর পাড়ে শতাধিক গাছে শামুকখৈল সহ ৫/৬ প্রজাতির পাখি বাস করে। দুই যুগের বেশি সময় সেখানে বাসা বেঁধে আছে মাছরাঙ্গা, পানকৌড়ি, রাতচোরা ও বক সহ বিদেশী অন্যান্য প্রজাতির পাখি। আর এশিয়ান শামুকখৈল পাখি গত দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে স্থায়ী ভাবে বাস করছে এ গ্রামটিতে। গ্রীষ্মকালে শামুকখৈল পাখি প্রজনন করে বংশ বৃদ্ধি করে এখানে। শামুকখৈল ছাড়াও এ পাখি শামুকভাঙ্গা, হাইতোলা মুখ নামে পরিচিত। প্রতিদিন পড়ন্ত বিকেলে পাখিরা এসে আশ্রয় নেয় গ্রামের মন্ডল পুকুরের গাছগুলোতে। বর্তমানে পাখিগুলো পুরোগ্রাম ছড়িয়ে গেছে। সন্ধ্যায় পুকুর পাড় সহ পুরো গ্রাম মুখরিত হয়ে ওঠে পাখির কলকাকলিতে। রাতভর শোনা যায় ওদের ডানা ঝাপটানো শব্দ। নির্বিঘ্নে রাত কাটিয়ে ভোর হলে উড়ে যায় ওরা। দিন শেষে আবার নীড়ে ফিরে। 

গ্রামের পশ্চিম দিকে পুকুরের কাছাকাছি শনির জাঙ্গাল বা খাল আছে। পাখি প্রেমিদেও মতে ওই খাড়িই মূলত পাখিদের খাবারের প্রধান আশ্রয়স্থল। এখানে মাছ, শামুখ, ব্যাঙ, কাকড়া, ঝিনুক, পোকামাকর ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র জলজ প্রাণী পাওয়া যায়। সে কারনেই পাখিরা খাড়ির কাছাকাছি পুকুর পাড়ের গাছগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে।

বর্তমানে এখানে প্রায় প্রতিদিন দুরদুরান্ত থেকে অর্ধ শতাধিক পাখিপ্রেমিদের আগমন ঘটে। কথা হয় নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালীগ্রামের বাবুলের সাথে। তিনি বলেন, এমন সুন্দর দৃশ্য গ্রামেগঞ্জে শহর বন্দরে পাওয়া কঠিন। স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবেনা। এই পুকুরের মালিক রাজশাহী জাদুঘরের সাবেক উপ-পরিচালক আব্দুস সামাদ ও তাঁর ছোট ভাই ছোবহান মন্ডল বলেন, পাখিগুলোকে আমরা বুক দিয়ে আগলে রেখেছি। এখানে পাঁচ থেকে ছয় প্রজাতির প্রায় পাঁচ হাজারের অধিক পাখি আছে। তবে সবচেয়ে বেশী আছে শামুকখৈল। ২৫/২৬ বছর ধরে পাখিগুলো এখানে আছে। আব্দুস সামাদের স্ত্রী অবসর প্রাপ্ত শিক্ষিকা মোহসেনা বেগম বলেন, অনেকদিন ধরে পাখি শিকারীরা এখানে আসতে পারে না। আর বন্দুকের গুলি ছোঁড়ার তো কোন প্রশ্নই ওঠে না । কারন হিসেবে তিনি বলেন, এমনিতে আমাদের সকল গ্রামবাসী এ ব্যাপারে অনেক সচেতন। তার ওপর ৩/৪ জন তরুন রাতেও মাঝেমধ্যে পাখিগুলোকে পাহাড়া দেয়। ছোবহান মন্ডলের পুত্র জাহাঙ্গীর বলেন, গাছের শুকনো ডালপালা যেসব দিয়ে পাখিরা বাসা বানায় তাঁরা সেসব কুড়িয়ে বাড়ির ছাদে এক জায়গায় স্তুপ করে রাখেন। পাখিরা সেখান থেকে সহজেই ডালপালা নিয়ে এসে বাসা বাঁধে।  

বাঁশঝাড় সংলগ্ন একটি বড় বটগাছে বর্তমানে বেশি আছে শামুক খৈল। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ আছে । তার মধ্যে বট, পাকুড়, জাম, তেতুল, আম, সেগুন, কড়ই অন্যতম। পাশের গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল আলম তালুকদার, দৌলতপুর গ্রামের আবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, কানাইপুকুর পাখি কলোনি এখন পাখিদের জন্য অভয়াশ্রম। সেখানে বিদেশী পাখিরা এখন প্রজনন করে। পাখি কলোনি হিসেবে ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষক সহ হাজার হাজার মানুষ পাখি দেখতে এসেছেন এখানে। এ ছাড়া প্রকৃতি প্রেমি কয়েকটি সংগঠনও গ্রামটির পাখি কলোনি পরিদর্শন করেছেন।

এ ব্যাপারে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, গ্রাম অঞ্চলে এতো সুন্দর একটি পাখি কলোনি সত্যিই দেখার মতো। সচেতন মহলের নিকট অনুরোধ পাখিগুলো যাতে কেউ না মারে। কারন এগুলো দেশের সম্পদ।