287628
শিরোনামঃ
নির্ধারিত সময়ে অফিসে আসেননি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, বারান্দায় বসে থাকলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা মোজতবা খামেনি হচ্ছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা ইসরাইলের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা শুরু ইরানের ইরানে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলেন ডাক্তার শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ চলে গেলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান মিন্টু

মাদারীপুর সদর উপজেলায় প্রকল্প অনিয়মের অভিযোগে দুদকের অভিযান

#
news image

মাদারীপুর সদর উপজেলায় বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কার্যালয় ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) অফিসে।

দুদক জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১১টিতে চেয়ারম্যান না থাকায় প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে কাবিখা ও কবরস্থান উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ মেলে।

অভিযান চলাকালে দেখা যায়, এলজিইডির অর্থায়নে সদর উপজেলার এক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়ির সামনে প্রায় ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। দুদকের মতে, এ কাজ জনস্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এছাড়া ভূমি উন্নয়ন কর ১% প্রকল্পের কাজ দেয়া হয়েছে কারিমা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের হাতে, যার মালিক একজন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার স্ত্রী। বিষয়টি আইনসঙ্গত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, “প্রতিটি দপ্তরের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের ফাইলপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি

৩০-৯-২০২৫ বিকাল ৬:০

news image

মাদারীপুর সদর উপজেলায় বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কার্যালয় ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) অফিসে।

দুদক জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১১টিতে চেয়ারম্যান না থাকায় প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে কাবিখা ও কবরস্থান উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ মেলে।

অভিযান চলাকালে দেখা যায়, এলজিইডির অর্থায়নে সদর উপজেলার এক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়ির সামনে প্রায় ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। দুদকের মতে, এ কাজ জনস্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এছাড়া ভূমি উন্নয়ন কর ১% প্রকল্পের কাজ দেয়া হয়েছে কারিমা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের হাতে, যার মালিক একজন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার স্ত্রী। বিষয়টি আইনসঙ্গত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, “প্রতিটি দপ্তরের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের ফাইলপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”