287628
শিরোনামঃ
নির্ধারিত সময়ে অফিসে আসেননি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, বারান্দায় বসে থাকলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা মোজতবা খামেনি হচ্ছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা ইসরাইলের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা শুরু ইরানের ইরানে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলেন ডাক্তার শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ চলে গেলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান মিন্টু

শিবচরের কিন্ডার গার্ডেনে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রী শ্লীলতাহানির অভিযোগ

#
news image

মাদারীপুর জেলার শিবচরে কিন্ডার গার্ডেনের শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রী শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি প্রথমে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে গোপনে সমাধান করতে চাইলেও পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত নেমেছে শিবচর উপজেলা প্রশাসন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়'শিবচর উপজেলায় 'প্রভাতী কিন্ডার গার্ডেন 'নামক স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে একই স্কুলের শিক্ষক মোঃ মোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিভাবক বলেন অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ মোরশেদ আলম ওই শিক্ষার্থীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন ও বিভিন্ন ভাবে শ্লীলতাহানি করেন।আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করি।এ ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে।তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই অভিযুক্ত শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে।

ভুক্তভোগী চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী বলেন' ওই স্যার আমাকে জোর করে জাপটে ধরে,গালে চুমা দেয়,জোর করে ধরে আদর করে,শরীরের বিভিন্ন অংশে স্পর্শ করে,বুকে টাচ করে তখন আমার খুব ব্যাথা লাগে।এর আগেও স্যার আমাদের অনেকের সাথেই সাথে এমন করেছে।তখন কিছু বললেই স্যার আমাদের ধরে মারে'।

কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের অভিভাবকদের অভিযোগ'প্রভাতী কিন্ডার গার্ডেন একটি ছোট শিশুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।যদি শিক্ষকরা এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন,তাহলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।তারা বলেন, ইতিপূর্বেও মোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উঠেছিল তবে তখনো কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।ছাত্রী শ্লীলতাহানির বিষয়টির অভিভাবক ও স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ মোরশেদ আলম ছাত্রী শ্লীলতাহানির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,“ওই শিক্ষার্থীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।ওই শিক্ষার্থী হোঁচট খেয়ে পড়ে যাওয়ার সময় তাকে ধরেছিলাম।একটি পক্ষ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।”

শিবচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি এইচ এম ইবনে মিজান জানান'খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি।এ ঘটনায় নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।

শিবচর উপজেলা প্রতিনিধি

১-১০-২০২৫ দুপুর ১১:২

news image

মাদারীপুর জেলার শিবচরে কিন্ডার গার্ডেনের শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রী শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি প্রথমে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে গোপনে সমাধান করতে চাইলেও পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত নেমেছে শিবচর উপজেলা প্রশাসন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়'শিবচর উপজেলায় 'প্রভাতী কিন্ডার গার্ডেন 'নামক স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে একই স্কুলের শিক্ষক মোঃ মোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিভাবক বলেন অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ মোরশেদ আলম ওই শিক্ষার্থীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন ও বিভিন্ন ভাবে শ্লীলতাহানি করেন।আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করি।এ ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে।তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই অভিযুক্ত শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে।

ভুক্তভোগী চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী বলেন' ওই স্যার আমাকে জোর করে জাপটে ধরে,গালে চুমা দেয়,জোর করে ধরে আদর করে,শরীরের বিভিন্ন অংশে স্পর্শ করে,বুকে টাচ করে তখন আমার খুব ব্যাথা লাগে।এর আগেও স্যার আমাদের অনেকের সাথেই সাথে এমন করেছে।তখন কিছু বললেই স্যার আমাদের ধরে মারে'।

কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের অভিভাবকদের অভিযোগ'প্রভাতী কিন্ডার গার্ডেন একটি ছোট শিশুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।যদি শিক্ষকরা এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন,তাহলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।তারা বলেন, ইতিপূর্বেও মোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উঠেছিল তবে তখনো কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।ছাত্রী শ্লীলতাহানির বিষয়টির অভিভাবক ও স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ মোরশেদ আলম ছাত্রী শ্লীলতাহানির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,“ওই শিক্ষার্থীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।ওই শিক্ষার্থী হোঁচট খেয়ে পড়ে যাওয়ার সময় তাকে ধরেছিলাম।একটি পক্ষ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।”

শিবচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি এইচ এম ইবনে মিজান জানান'খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি।এ ঘটনায় নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।